চ্যাম্পিয়নস ট্রফি উদ্বোধনী ম্যাচকে চাপ মনে করছেন না মাশরাফি

২৭ বার পঠিত

২০১৭ সালের ১ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত ক্রিকেটের জন্মভূমি ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। বিশ্বকাপের পর এটি আইসিসি আয়োজিত দ্বিতীয় ওয়ানডে টুর্নামেন্ট। ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। নিশ্চিতভাবেই শক্ত গ্রুপে পড়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার ভাষ্যমতে, এটি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ‘এলিট’ গ্রুপ।

টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। ওভালে বাংলাদেশ দলের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ইংল্যান্ড। বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে উদ্বোধনী ম্যাচে অনেক চাপ নিয়ে খেলতে হয়। এ ছাড়া ১০ বছর পর চ্যাম্পিয়নস ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচ খেলা বাংলাদেশের জন্য বাড়তি চাপ যোগ হওয়ার কথা। তবে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক বলছেন, উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশকে দিয়ে শুরু করানোর যে সিদ্ধান্ত আইসিসি নিয়েছে, তা লাল-সবুজ জার্সিধারীদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।

মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেন, ‘আগামী বছরের আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে আবারও ফিরে আমি খুবই উচ্ছ্বসিত। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে আমরা টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামছি, যাদেরকে ২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপে হারিয়ে আমরা প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিলাম। এটা আমাদের ওই পারফরম্যান্সের পুরস্কারই না, এটা শেষ ১৮ মাসে আমরা যা অর্জন করেছি তার প্রমাণ। জয় দিয়ে প্রথম ম্যাচ শুরু করতে এই আত্মবিশ্বাস আমাদের যথেষ্ট কাজে দেবে।’

৫ জুন ওভালে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এরপর ৯ জুন কার্ডিফে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে টাইগাররা। বাংলাদেশ শক্ত গ্রুপে পড়লেও মাশরাফির বিশ্বাস ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করতে পারলে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেও ভালো করতে পারবে।

সীমিত পরিসরের অধিনায়ক বলেছেন, ‘ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ও প্রতিভা দেখিয়ে আমরা চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে জায়গা করে নিয়েছি। মূল পর্বেও আমরা ধারাবাহিকভাবে পারফরম্যান্স করতে চাই। আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, আমরা এলিট গ্রুপে খেলছি। আশা করছি পারফরম্যান্স দেখিয়ে আমরা আমাদের নিজেদেরকে মেলে ধরতে পারব।’

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশের রেকর্ড তলানিতে। আট ম্যাচে বাংলাদেশের জয় মাত্র এক ম্যাচে। ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জিতেছিল বাংলাদেশ। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কার কাছে একবার করে হেরেছে বাংলাদেশে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে দুবারের মুখোমুখিতে দুবারই হেরেছে টাইগাররা। মাশরাফির হাত ধরে বদলে যাওয়া বাংলাদেশের পারফরম্যান্স পাল্টায় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

‘মিনি বিশ্বকাপ’ নামে এই টুর্নামেন্টটির প্রথম আয়োজক ছিল বাংলাদেশ। ১৯৯৮ সালে আইসিসি নকআউট ট্রফি নামে প্রথমবারের মতো এ টুর্নামেন্ট চালু করে আইসিসি। দক্ষিণ আফ্রিকা সেবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ২০০০ সালে এর আয়োজক ছিল কেনিয়া। দুই বছর পর টুর্নামেন্টের নাম পাল্টে করা হয় আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। তথ্যসূত্র: আইসিসি।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com