ডু প্লেসির সেরার দিনে আফ্রিকা ৪-০ তে এগিয়ে

৪৫ বার পঠিত

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চলতি সফরে তিন টেস্ট ও তিন টোয়েন্টি খেলেছে শ্রীলঙ্কা। এরপর পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের চারটি খেলে ফেলেছে। এরমধ্যে মাত্র এক টি-টোয়েন্টিতে দেখা পেয়েছে সফরকারীরা। চতুর্থ ওয়ানডের আগে এক ইনিংসেও তারা ৩০০ রান করতে পারেনি। প্রথম তিন ওয়ানডেতে তারা অলআউট হয় ১৮১, ১৮৬ ও ১৬৩ রানে। কিন্তু চতুর্থ ওয়ানডেতে প্রোটিয়াদের বুকে কাঁপন ধরিয়ে দেয় তারা।

কেপ টাউনের নিউল্যান্ডসে টস জিতে আগে ব্যাটে গিয়ে ফ্যাফ ডু প্লেসির সেঞ্চুরিতে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ৫ উইকেটে ৩৬৭ রান সংগ্রহ করে। এই মাঠে এটি সর্বোচ্চ রানের ইনিংস এটি। এর আগে এই মাঠে সর্বোচ্চ ৩৫৪/৩ রান ছিল ২০০১ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার। দক্ষিণ আফ্রিকার ছুড়ে দেয়া এই রেকর্ড রান তাড়া করতে নেমে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখান লঙ্কান ব্যাটসম্যানেরা। শেষের দিকের ব্যাটসম্যানরা আরেকটু সতর্ক হলো জয় অসম্ভব ছিল না তাদের। উপুল থারাঙ্গার সেঞ্চুরিতে তারা ৪৮.১ ওভারে ৩২৭ রানে অলআউট হয়। সফরে প্রথমবারের মতো ৩০০-এর বেশি রান করেও ৪০ রানে হারতে হয় তাদের। এখন তারা রয়েছে হোয়াটওয়াশের শঙ্কায়। এই লজ্জা এড়াতে সেঞ্চুরিয়নে শুক্রবার শেষ ম্যাচে নামবে তারা। রানের পাহাড় তাড়া করতে নেমে শুরুটা দারুণ চিল শ্রীলঙ্কার।

৪৩.৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩০৭ রান তুলে ফেলে তারা। শেষ ৩৮ বলে জয়ের জন্য তাদের দরকার ছিল ৬১ রান। হাতে ছিল ৬ উইকেট। কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি। তারাে শষ ৬ উইকেট হারায় মাত্র ২০ রানের মধ্যে। শ্রীলঙ্কাকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার নিরোশান ডিকওয়েলা ও উপুল থারাঙ্গা। টি-টোয়েন্টি স্টাইলে খেলে মাত্র ১৬ ওভারে ১৩৯ যোগ করেন তারা। ডিকওয়েলা ফেরেন ৪৭ বলে ৫৮ রানে। এরপর কুশল মেন্ডিস ও থারাঙ্গা দ্বিতয়ি উইকেটে যোগ করেন ৬৪ রান। মেন্ডিন ৩৪ বলে ২৯ রানে ফেরার পর থারাঙ্গা ৭ ছক্কা ও ১১ চারে ৯০ বলে ফেরেন ১১৯ রানে। এরপর চার নম্বরে নামা সান্দু ভিরাকোদি ৫১ বলে ৫৮ রান করলে জয়ের সম্ভাবনা দেখে সফরকারীরা। কিন্তু পরের ব্যাটসম্যানরা সেই ধারা ধরে রাখতে ব্যর্থ হন।

এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ব্যাটে ঝড় তোলেন ফ্যাফ ডু প্লেসি ও কুইন্টন ডি কক। দলীয় ৩ রানের মাথায় হাশিম আমলাকে হারায় তারা। তবে দ্বিতীয় উইকেটে ডি কক ও ডু প্লেসি যোগ করেন ১৪.৩ ওভারে ১০০ রান। ডি কক ৪৬ বলে ফেরেন ৫৫ রান। এরপর তৃতীয় উইকেটে আরো বড় জুটি হয়। এবার ডু প্লেসি ও এবি ডি ভিলিয়ার্স ১৯.৫ ওভারে যোগ করেন ১৩৭ রান। ভিলিয়ার্স ৬২ বলে ৬৪ রানে ফেরার পর ডু প্লেসি ৩ ছক্কা ও ১৬ রানে ১৪১ বলে করেন ১৮৫ রান। একটুর জন্য রেকর্ড গড়া হয়নি তারা। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ ১৮৮* রানের ইনিংস গ্যারে কারস্টেনের। ১৯৯৬ সালে রাওলপিন্ডিতে আরব আমিরাতের বিপক্ষে এই রেকর্ড গড়েন তিনি। এদিন মাত্র ৩ রানের জন্য কারস্টেনের রেকর্ড ভাঙতে পারেননি ফ্যাফ ডু প্লেসি। এরপর শেষ দিকে ১ ছক্কা ও ৪ চারে ২০ বলে ৩৬ রানে অপরাজিত থাকেন ফারহান বেহারডিন।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com