স্বপ্ন দেখতে ভয় কিসের!

৪৮ বার পঠিত

আমি কাজ করতে এসেছিলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে শুরুটা করেছিলাম ১৭ ই জুন ২০১২ সালে লক্ষ্য ছিল বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কমিটি গঠন দীর্ঘ এক বছর দু’মাস পরিশ্রমের পর ঢাকা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া দৌর ঝাপ করে আমি কমিটি করেছিলাম। আমার কমিটি অনুমোদন করাতে তৎকালীন জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ আমাকে সার্বিক সহযোগিতা করেছে, এই কমিটি নিতে আমাকে এক কাপ চা ও খাওয়াতে হয়নি। তারা আমার নিকট কেন্দ্রে যোগাযোগের জন্য যখন যার সাথে দেখা করতে বলেছে, করেছি এবং কেন্দ্র থেকে ও সার্বিক সহযোগিতা পেয়েছি। আমি একটি কমিটি পেয়েছি নিজেকে বিসর্জন দিয়ে, পরে শুনেছি বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপি নেতারা কমিটি বাণিজ্য করছে। ওরা কমিটি একাধিক বার পরিবর্তন করেছে আর এতে বলীর পাঠা হয়েছিলাম আমি। আমি এর জন্য কাউকে আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড় করাইনি।

তারপর কাজ শুরু করলাম জেলা বিএনপির সাথে নিজেকে মেলে ধরলাম ভিন্ন ভাবে, একজন তৃনমূলের কর্মী হিসেবে আন্দোলন সংগ্রামে আমার সমস্ত কিছু উজাড় করে দিয়েছিলাম, কিছু পেয়ে না পাবার আশায় না। দেশনেত্রীর আহ্বানের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে। সামর্থ্যের সব টুকু উজাড় করে দিলাম। মাঝে মধ্যে কিছু নিউজ করেছিলাম দলকে চাঙ্গা করার জন্য। যার জন্য আজ আমি আলোচিত সমালোচিত বিতর্কিত। আমি তিন বছর হোটেলে থেকে নিজ খরচেই সব কিছু করেছি।আপনারা জেলা বিএনপি এখন বিক্রি ব্যবসায়ী আবু আসিফের নিকট আর নতুবা আমি আপনাদের নিকট বিচার চেয়ে পাইনি। এখন একের পর এক রিপোর্ট হচ্ছে পত্রিকায় যদি কাহারো সৎ সাহস থাকে প্রতিবাদ করে দেখান।আপনারা আজকের জেলা বিএনপি বসে একটা সিধান্ত নেয়ার ক্ষমতা রাখেন।

এক বছর আট মাসে আপনারা জেলা বিএনপি পূর্ণগঠন করতে পেরেছেন?গত এক বছরে একাধিক বার স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি করতে পেরেছেন, আপনাদের নিকট সাংগঠনিক যোগ্যতার কোন মুল্য নেই, মুল্য আছে অর্থ অর্থ লোভী মাগিবাজ মুশফিকুর রহমান ও কাজী আনোয়ারের ওরা ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে চাঁদাবাজি করে সামান্য একটা অংশ আপনাদের দেয়। কিসের জন্য ওদের পুজা করেন নিজেদের পদ পদবী ধরে রাখার জন্য। ওরা কি পারবে আপনাদের ধরে রাখতে? আমার নিকট জেলা বিএনপির কমিটি বানিজ্যের যে তথ্য উপাত্ব আছে চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মুশফিকুর রহমান, সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মোঃ শাহজাহান, হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, এডভোকেট আনিছুর রহমান মঞ্জুর বিরুদ্ধে তা আমরা জাতীয় দৈনিকে আনব এবং কেন্দ্রীয় নেতাদের মতামত সহ দেখব কোন গড ফাদার আপনাদের রক্ষা করে আমাকে হত্যার পরিকল্পনার ছক একে লাভ নেই। নিজেরা কি ভাবে নিজেদের পদ- পদবী রক্ষা করবেন সেটা নিয়ে ভাবুন।

আমি তৃনমূলের নেতাকর্মীদের বলছি তোমরা যাদের দেবতা মেনে রাজপথে নিজেদের জীবন বাজী রেখে আস। একবার ভাব তো এ সব নেতারা পুলিসের সাথে কথা বলে অনুমতি নিয়ে মিছিলের পূর্ব মুহূর্তে বাসা থেকে নতুন জামা পড়ে বাহির হয়ে আসে।কারা পুলিসের সোর্স জেলা বিএনপি, জেলা যুবদল, জেলা ছাত্রদলের একাধিক শীর্ষ নেতা পুলিসের সোর্স, তোমরা দূর দুরান্ত থেকে মিছিল করতে আস নিজের পকেটের টাকা খরচ করে নেতারা কিন্তু ঠিকই আওয়ামীলীগের সাথে আতাত করে অঢেল সম্পদের মালিক। ওদের অতীত পারিবারিক ইতিহাসটা একটু ভাল করে খোঁজ নাও। ওরা কি তৃনমুল নেতাকর্মীদের কোন খোঁজ নিচ্ছে।

ওরা কি পারেনা ওদের সামান্য সাহায্য তৃনমূলের হতাশা গ্রস্থ মামলায়- হামলায় বিপর্যস্ত নেতাকর্মীদের ঈদের শুভেচ্ছা হিসেবে উপঢৌকন দিতে। তোমরা ওদের আহবানে কোন কর্মসূচীতে আসবে প্রতীকী প্রতিবাদ জানাও তোমাদের রাজনৈতিক পরিচয় চাও আর নতুবা আইএস জঙ্গি হিসেবে পুলিশ বার বার তোমাদের গ্রেফতার করবে তোমাদের খোঁজ খবর নেতারা নিবে না তোমাদের পরিবারকেই নিতে হবে। জামিন ও তোমাদের পরিবারকেই করাতে হবে। অনেক বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীর জীবনে এবার ঈদ নেই। আর তোমাদের নেতারা তাদের ছেলে মেয়ে বউকে নতুন মডেলের দামী পোষাক কিনে দিচ্ছে। আর তোমাদের নেতাদের বাসায় ডজন ডজন পাঞ্জাবী, বউয়ের জন্য ডজন ডজন থ্রি পিস উপহার হিসেবে আসে।

আজ অনেকে বলেছে লেখালেখি থামাতে প্রথমে টাকার অফার, এতে কাজ না হলে হুমকি তোমাদের নেতারা ঈদুরের গর্তে ডুকে আছে। উকি মেরে দেখে কেউ আছে কি না তারপর বাহির হয়ে আসে। স্বপ্ন দেখতে দোষ কি? স্বপ্ন আছে বলেই মানুষ বেঁচে থাকে, আর স্বপ্নের মৃত্য ঘটলে মানুষ আত্নহত্যা করে। এক সময় স্বপ্ন ছিল বাঞ্ছারামপুর নিয়ে কাজ করার সে স্বপ্নের মৃত্য ঘটিয়েছে তোমাদের জেলার নেতারা, তোমাদের জেলা কমিটি নিয়ে কাজ করলাম এখানে ও স্বপ্নের মৃত্য ঘটিয়েছে তোমাদের জেলার নেতারা, এবার কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়ে কাজ করব এখানে আমি দেখাবত তোমাদের জেলার নেতাদের।

আমার স্বপ্ন আছে আমি বাস্তবায়ন করব, আমি লক্ষ্য স্থির করেই এগুচ্ছি। আমি আমার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌছাব তোমাদের দেবতার মত নেতাদের দয়ায় না।আমার মেধা এবং ত্যাগে। আমি আবার ও বলছি এ লড়াইয়ে আমি একা এবং নিঃস্ব, আমার পুঁজি আমার সততা এবং মনোবল। আমি তৃণমূল আগামী দিনের কোন কমিটিতে যদি আন্দোলনে ত্যাগী নেতাদের অবমুল্যায়ন হয়, এবং পকেট কমিটি হয় আমার কলম থামবে না। কেউ ভাববেন না আমি মুক্ত। আমি ধরা ছোঁয়ার বাহিরে। যেমন আমার নিকট আন্দোলন কারীদের আমলনামা আছে, তেমনই চাঁদাবাজদের আছে পুলিসের সোর্সদের। আছে টাকার বিনিময়ে কমিটিতে পদায়ন, আছে বাবার কূলখানির চাঁদাবাজির তথ্য। আছে আন্দোলন কালীন সময়ে যে সব জুনিয়র আইনজীবী চাঁদাবাজি করেছে তাদের তথ্য পরিবারের সাক্ষাৎকার সহ।

আমি এখনো নিজের ভুল দেখছি না, ‘পরিকল্পনা ভালোই ছিল, আমাদের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগে সমস্যা ছিল। আমি তো জাদুকর নই।’ কারণ, চার বছর আগে এ মুহূর্ত থেকে কল্পনারও বেশি দূরত্বে ছিলাম আমি। আজ দেখুন কী ঘটেছে। আপনি যদি কঠোর পরিশ্রম করেন, স্বপ্ন দেখতে ও ব্যর্থ হওয়ার ভয় না পান, তাহলে এটাই হয়। এটা মধুর এক অনুভূতি এবং আমি পুরোটা উপভোগ করছি।’আজ যারা আমাকে হুমকি – ধামকি দিচ্ছে ওরা খেলাটা আরও সহজ করে দিচ্ছে।

–নূর-এ আলম সিদ্দিকী

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নূর-এ আলম সিদ্দিকী, বিশেষ প্রতিনিধি #

নূর-এ-আলম ছিদ্দিকী, পিতা: হাজী মোঃ ওয়ায়েদ উল্লাহ, মাতা: মোসাঃ খোদেজা বেগম। জন্ম : ২ জুন, ১৯৭২, ৬৭/১, পাওয়ার হাউজ রোড, শিমরাইল কান্দি, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া। বর্তমানে অবস্থান : বাড়ী নং #১১২, ব্লক-সি, ওয়ার্ড নং- ২, কান্দিপাড়া, মিজমিজি, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ। মোবাইল নম্বর : ০১৭১১-৩৯৬০৪৮, ০১৮১৯-৪৪৪০২২, ই-মেইল : rezveahmed121@gmail.com জাতীয় পরিচয় পত্র নং: ১৯৭২১২১০৪৬৮২২০৬০৩

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com