ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপিতে হ য ব র ল অবস্থা।

৪৩ বার পঠিত

আদিত্ব্য কামাল # দীর্ঘ ১ বছর ৭ মাস হয়েছে সন্মেলন হয়েছে, ডিসেম্বর ১৪ সন্মলনের মধ্যে ৫ সদস্যের কমিটি অনুমোদন করেন তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জানুযারি ১৫ অবরুধ চলাকালে রাজপথ থেকে গ্রেফতার হন জেলা বিএনপির প্রভাবশালী নেতা এডভোকেট শফিকুল ইসলাম ও এডভোকেট গোলাম সারোয়ার খকন।গ্রেফতারের পরই তাদের জেলা বিএনপিতে কো অপ্ট করা হয়। এ নিয়ে জেলা বিএনপির সদস্য সংখ্যা ৭ জন।

জেলা বিএনপির ১৪ টি সাংগঠনিক ইউনিট নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে ১৩ টি সাংগঠনিক ইউনিটের কমিটি আছে। একমাত্র নাছিনগর উপজেলা ইউনিটের পুরনাঙ্গ কমিটি হয়েছে সন্মেলনের মাধ্যমে যার ফলশ্রুতিতে ইউনিয়ন পরিষদ নিরবাচনে ৩ টি ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত প্রাথি বিজয়ী হয়। এখানে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ঐক্যবব্ধ ভাবে কাজ করে। ফেব্রুয়ারির ২২ তারিখ একরামুজ্জানের ঢাকাস্থ বাসভবনে নাছিননগর উপজেলা বিএনপির উভয় গ্রুপের সমন্বয় করে দেয় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জহিরুল হক খোকন জহির।

সরাইল উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠিত হয় সেপ্টেম্বর ২০১৪ ২ সদস্যের কমিটি অনুমোদন করে জেলা বিএনপি। প্রবর্তিতে আরও ৩ জন নিয়োগ দেয়া হয় ২০১৫ সালের আগস্ট মাসে। অদ্যাবধি কোন ইউনিয়ন কমিটি অনুমোদন করা হয় নি এবং উপজেলা বিএনপির পুরনাঙ্গ কমিটি করা সম্ভব হয়নি। এমনকি জেলার নেতা ইউপি নির্বাচন মনিটর করলে ও মাঠে পাওয়া যায়নি উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট আব্দুর রহমানকে বার বার ফোনে যোগাযোগ করে ও পাওয়া যায়নি।

আশুগঞ্জ উপজেলায় ৬ সদস্যের কমিটি অনুমোদন হয় সেপ্টেম্বর ২০১৪। গত রমজান মাসকে সাংগঠনিক মাস ঘোষণা করে আরাইসিধা ইউনিয়ন কমিটি বাদে বাকী সব কমিটি আনুমদন করা হয়। এখানে ইউনিয়ন পরিষদ মনোনয়নকে কেন্দ্র করে উপজেলা বিএনপি ২ ভাগে ভিবক্ত হয়ে যায়। আর এই বিভক্তি ক্রেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি ও চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মুশফিকুর রহমান। আণৈতিক সুবিধা নেয়ার জন্য বীরুধ লাগিয়ে ফায়দা লুটছেন এই শীর্ষ ২ নেতা। আসিফের নেতৃত্বে গ্রুপে আছেন কুলি মজুর শ্রেণীর নেতাকর্মীরা। এবারের নির্বাচনে আবু আসিফ আহমেন যাদের মনোনয়ন দিয়েছেন ২/১ জন বাঁধে বাকীরা মেম্বার প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা রাখে না। সর্বশেষ সদর ইউপি নির্বাচনে তিনি বর্তমান চেয়ার ম্যানকে ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিকে মনোনয়ন না দিয়ে মনোনয়ন দেন অখ্যাত একজনকে যার ফলশ্রুতিতে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

প্রতিদ্ধন্ধিতা করেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী। জনশ্রুতি আছে তিনি সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মোঃ শাহজাহান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মুশফিকুর রহমান, জেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচিকে মাসিক মাসোহারা দেন। এদের প্রশ্রয়ে একের পর এক অপকর্ম করেই চলেছেন। তিনি স্মপ্রতি বহিষ্কার করেন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি সেলিম পারভেজকে।এই বহিস্কারের জন্য অনৈতিক অর্থের লেনদেন করেন মুশফিকুর রহমানের সাথে। মুখোমুখি অবস্থানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু আসিফ আহমেদ ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু আসিফ আহমেদ এবং উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক নাছির আহমেদের নেতৃত্বাধীন মূলধারার বিএনপি। আবু আসিফ আহমেদের সাথে আমাদের প্রতিবেদক বার বার মুঠো ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা ও করতে পারেনি।। এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ শাহজাহান সিরাজ বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান পদ টিকিয়ে রাখার জন্য দলের স্বারথ্য বিসর্জন দিয়ে আওয়ামীলীগের দালালী করছেন।

বাকী অংশ আগামী কাল।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আদিত্ব্য কামাল, ব্রাক্ষণবাড়ীয়া প্রতিনিধি #

Adithay Kamal House#412, Alhampara, Bhadughar 3400 Brahmanbaria, Bangladesh Mobile : 01713-209385

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com