নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে ব্যস্ত আওয়ামী লীগ

৯৮ বার পঠিত

১১তম সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে ব্যস্ত আওয়ামী লীগ। আগামী নির্বাচনে বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল অংশ নেবে- এমনটা ধরেই কৌশল ঠিক করা হচ্ছে দলটির পক্ষ থেকে। আর এ ক্ষেত্রে প্রার্থী টু প্রার্থী ফর্মুলাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে আওয়ামী লীগ। ফর্মুলা অনুযায়ী একটি নির্বাচনী আসনে বিএনপিসহ অন্যান্য দলের সম্ভাব্য প্রার্থী কে হতে পারেন, তা বিবেচনা করা হচ্ছে। তারপর তার বিপরীতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কে হলে বিজয়ী হওয়া সম্ভব, তা হিসাব-নিকাশ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

প্রার্থী বাছাইয়ে জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা- এ দুটি বিষয়কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। দলের শীর্ষ কয়েক নেতা বলেন, আাগামী নির্বাচন আওয়ামী লীগের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। পরপর দুই মেয়াদে সরকার পরিচালনা করতে গিয়ে দেশে ব্যপক উন্নয়ন করা হয়েছে। আগামীদিনের জন্য আওয়ামী লীগের রয়েছে আরও বড় পরিসরের পরিকল্পনা। তাই নির্বাচনে জয়লাভ করে দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে আওয়ামী লীগ। প্রার্থী বাছাইয়ের পাশাপাশি নির্বাচনকে ঘিরে দলীয় কৌশলও নির্ধারণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতারা।

তারা বলেন, নির্বাচনে সব দলকে অংশগ্রহণ করানোটাও একটা কৌশল। আওয়ামী লীগ সে কাজটিও করছে। এ প্রসঙ্গে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান বলেন, আগামী নির্বাচনে বিএনপিসহ সব দল অংশ নেবে- এমনটি ধরেই আমাদের নির্বাচনী কৌশল প্রণয়ন করছি। এর মধ্যে প্রধান কৌশল হলো- নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ করাতে সহায়ক ভূমিকা রাখা। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করা। সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন দৃশ্যমান করা।

প্রার্থী টু প্রার্থী ফর্মুলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রথমেই বলে রাখি আমাদের কোনো আসনে কোনো ধরনের প্রার্থী সংকট নেই। বরং দেশের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকার প্রার্থী বাছাইয়ে নানা ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা নিজেই কাজটি করছেন। তিনি বলেন, সবকিছু যাচাই-বাছাই করে যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়, তাকেই মনোনয়ন দেবেন। এক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের সম্ভাব্য প্রার্থীর বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

এদিকে নির্বাচনের আগে দলীয় কৌশল হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়ার পরিকল্পনা করেছে ক্ষমতাসীন দলটি। নির্বাচনে ফেসবুক, টুইটার থেকে শুরু করে সব ধরনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে কীভাবে সরকারের উন্নয়নের প্রচার ও বিভিন্ন ইস্যুতে ব্যবহার করে জনমত তৈরি করা যায়, সে বিষয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের নানাভাবে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে গতকাল ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে তিনদিনের কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। নির্বাচনের আগে এ ধরনের কর্মশালা আরও আায়োজন করা হতে পারে বলে জানান দলের শীর্ষ নেতারা।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com