‘ভারতের সাথে সু-সম্পর্ক কখনোই নষ্ট হবে না’

২৩ বার পঠিত

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা মনে করে পুরোহিত ও সেবায়েত হত্যা করে ভারতের সাথে সু-সম্পর্ক নষ্ট করবে তারা বোকার স্বর্গে বাস করে। যারা পুরোহিত ও সেবায়েতদের হত্যা করেছে তারা যদি মনে করে তারা এ হত্যাকান্ড ঘটিয়ে আমাদের বাড়ী-ঘরে হামলা চালিয়ে, মন্দিরে হামলা চালিয়ে, সংখ্যালগুদের উপর নির্যাতন করে প্রতিবেশি দেশ ভারতের সাথে সু-সম্পর্ক নষ্ট করবে তাদের এ হীন মনোভাব কোনদিন সফল হবে না।

মন্ত্রী শুক্রবার বিকেলে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে সিরাজপুর ইউনিয়নের যোগিদিয়া জয় কালী বাড়ী মন্দির সেবায়েত শিবক প্রসাদ চক্রবর্তী ও  আর্শিরবাদ মন্দিরের সেবায়েত লিটন ঠাকুরকে চিঠি দিয়ে জবাই করে হত্যার করার হুমকী প্রদানের ঘটনায় বসুরহাট শ্রী শ্রী জগনাথ মন্দিরে আয়োজিত হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে মতবিনিময় সভায় এ সব কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক বদরে মুনির ফেরদৌস, নোয়াখালীর জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম, বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ ফজলে রাব্বী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান, সাধারণ সম্পাদক চেয়ারম্যান নুরনবী চৌধুরী, শ্রী শ্রী জগনাথ মন্দিরে সভাপতি নির্মল কান্তি দে ও সেক্রেটারী অরবিন্দ ভৌমিক, বিমল কর্মকার  প্রমূখ।

মন্ত্রী আরো বলেন, গত কয়েকদিনের মধ্যে ৩/৪টি ঘটনা ঘটিয়েছে। গুলশান ও শোলাকিয়ার ঘটনায় আমাদেরকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। এটি আমাদের জন্য অপ্রত্যাশিত। বাংলাদেশের যেখানে সাম্প্রদায়িক সম্পৃতি বিরাজ করে। সেখানে এ রকম হামলা একটি সুপরিকল্পিত ঘটনা। যারা বিগত নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে ভুল করেছিল, যারা আন্দোলন করে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের সরকার হটানোর চক্রান্ত আছে। দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাই। আজকে তারাই এ চক্রান্তের সাথে জড়িত। তদন্তে আস্তে আস্তে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসছে।  আমাদের মধ্যে উদ্বেগ কাজ করছে এটা সত্য নয়, আমরা বীরের জাতি, আমরা মাথা নত করতে জানি না। আঘাত আসবে আমরা সে আঘাত বীরের মতই মোকাবেলা করবো।

মন্ত্রী আরো বলেন, হুমকি দিয়ে পুরোহিত ও সেবায়েত হত্যার চক্রান্ত সফল হবে না। আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সব মন্দির এলাকায় সবাইকে নিয়ে একটি প্রতিরোধ কমিটি ঘটন করতে হবে। তবে এ চক্রান্ত রুখে দেয়া যাবে। আঘাত প্রাপ্ত হয়েছি, আমরা ভেঙ্গে পড়িনি, আমাদের মনবল অতুট আছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বিদেরকে মোবাইলে হুমকী দিচ্ছে, চিঠি দিয়ে হুমকী দিচ্ছে, এগুলোর বাস্তবতা কতটুকু তা আমরা খতিয়ে দেখব। হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরা বাড়ী-ঘর ফেলে ভারত চলে গেলে তাদের জায়গা সম্পদ দখল করবে। অনেকের এ ধরনের মনোভাব রয়েছে। তাদের এ মনোভাব কোনদিন সফল হবে না।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com