শীঘ্রই ঘোষণা হচ্ছে যুবদলের নতুন কমিটি, পাশাপাশি জেলা কমিটি ও পূর্ণগঠন চলবে

৫৮ বার পঠিত

নুর এ আলম ছিদ্দিকী # বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, এ মাসের মধ্যেই  যুবদলের কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে, যদিও দলের কেউ কেউ পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার আগে অঙ্গসংগঠনের কমিটি দেয়ার পক্ষপাতী নন। তবে এ দু’টি সংগঠনের নেতৃত্বে আসছেন সাবেক ছাত্রনেতারা। শীর্ষ নেতৃত্বও প্রায় চূড়ান্ত করেছে ফেলেছে হাইকমান্ড। জানা গেছে, যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হওয়ার তালিকায় রয়েছেন  সেক্রেটারি সাইফুল আলম নীরব, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ক ম মোজ্জামেল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। কেউ কেউ সাবেক ছাত্রনেতা সানাউল হক নিরু ও কামরুজ্জামান রতনকেও নেতৃত্বে আনার সুপারিশ করছেন।

যুবদলের এক নেতা বলেছেন, এই দুটো অঙ্গসংগঠনে ত্যাগীদের জায়গা দেয়া না হলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া হতে পারে বিশ্বস্ত সুত্র্যে জানা যায় শেষ পর্যন্ত যুবদলের সভাপতি হচ্ছেন সাইফুল আলম নীরব ও সাধারন সম্পাদক হচ্ছেন আ ক ম  মোজ্জামেল হক। রোজার মধ্যেই কমিটি ঘোষণা আর অন্যদের বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান দেওয়া হবে।

গত শুক্র বার স্থান বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর দেখা হয়ে যায় কারা নির্যাতিত নেতা যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ন মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি ও ঢাকা বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম। একান্ত আলাপ চারিতায় উঠে আসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রসঙ্গ। স্মপ্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ২ টি উপজেলার কমিটি দিয়েছে সম্পূর্ণ এক তরফা কোন প্রকার যাচাই বাছাই না করে। আর ওদের যোগ্যতা হচ্ছে ইয়াবা বিক্রি এবং সেবনের দায়ে কয়েক দিন পর পর জেলে যারা সুপারিশ করেছে এবং দিয়েছে সব ই বাবা ক্ষোর।

জবাব সদালাপি আলাল ভাই বলেন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার আগে নেতৃর নির্দেশে সব কমিটির কার্যক্রম বন্ধ, এবং যে ২ টি কমিটি দিয়েছে এ গুলো অবৈধ। আপনি কি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির আহবায়ক হাজী মনির হোসেনকে ফোন করে বলতে পারবেন বা আপনার প্যাডে একটা চিঠি দিতে পারবেন। আলাল ভাই আপনি কি জানেন এই কমিটি থেকে কত টাকার বানিজ্য হয়েছে। আপনারা তো খোঁজ খবর রাখেন না টাকা দিয়ে কমিটি এনেছি কমিটি বানিজ্য না করলে টাকা তুলব কিভাবে?

আপনারা ৩০ দিনের জন্য আহবায়ক মনোনয়ন দিয়েছিলেন আপনারা, অর্ধ যুগ অতিক্রান্ত করেছে, প্রতিটি উপজেলা যুবদলকে ধ্বংস কঙ।ছে। এখন ও সন্মেলনের মাধ্যমে একটি কমিটি ঘোষণা করতে পারেনি। দীর্ঘ ৬ বছরে জেলা যুবদলের সন্মেলন করতে পারেনি। তার পিছনে ঘুরতে ঘুরতে আর তার বস কাজী আনোয়ার এবং মুশফিকুর রহমানের চাহিদা পুরন করতে করতে অনেকেই যুবদলের রাজনীতি ভুলে গেছে আমার বাঞ্ছারামপুরের ছেলেদের সে ৯ মাস ঘুড়িয়ে সুযোগ সুবিধা নিয়ে কাজী আনোয়ার হোসেনের নিরদেশে কমিটি দিয়েছে, সাবেক সাংসদদের বাসায় বসে কমিটি করে ওখান থেকে বাকী যুগ্ম আহবায়ক দের ফোন দেওয়ায়। তারপর ব্রাহ্মণবাড়িয়া যেয়ে সে যুগ্ম আহবায়কদের ফোন করে বলে খালেক সাহেব তো খুব উপর মহল থেকে ফোন করেছে কমিটি দিয়ে দিয়ে দিতে হচ্ছে। বেচারা যুগ্ম আহবায়করা বুঝে না বুঝে কমিটি অনুমোদন করে। একানে ধান্ধা করে একা হাজী মনির বাকীরা এর বিন্ধু বিসর্গ জানে না।

একটা চরকে বানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া যুবদলের আহ্বায়ক আপনি যুবদল ছাড়ার আগে একটা ভাল কাজ করে যানন।আমার ছেলে গুলোকে সে ৯ মাস ঘুড়িয়ে সুযোগ সুবিধা নিয়ে ওঁদের ছুড়ে ফেলছে।সে এখন বিভিন্ন উপজেলা বিভিন্ন উপজেলা ইউনিট থেকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে নীরব টুকু আসবে তাদের জন্য কিছু খরছ করতে হচ্ছে। চাঁদাবাজির মহ উৎসবে ফেটে পড়েছে, কারন তাকে আবার সভাপতি হতে হবে। উপরের নির্দেশের কথা বলেন উপরের কোন নির্দেশ নেই। সব করে শিমুল বিশ্বাস টাকা নিয়ে নিজেদের মধ্যে টাকা ভাগ বাটওয়ার করে কমিটি ঘোষণা করে কারন কারো পক্ষ্যে উপরের মহলের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। এবার উপরের মহল উপেক্কিত হয়েছে ৮ জনের বেলায় কিসের মিনিময়ে টাকা আর হাছান মাহমুদুরের ভাষায় বলতে হয় নষ্ট মেয়েদের জন্য। শিমুল বিশ্বাসকে একটি খাম দিয়ে দিলে উপরের মহলের টেলিফোন যথা সময়ে যথা স্থানে পৌছে যাবে আল্লাহর কসম এবার কমিটি নিয়ে যদি উপর মহলের দোহায় দিয়ে কেউ পার পাবেনা। আপনারা একটা চোর কে কিভাবে আহ্বায়ক করেছেন?

আগামী দিনে জেলা পূর্ণগঠনের সিধান্ত নিলে জেলা বিএবপি বশে সিধান্ত নিতে হবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির ঐক্যবদ্ধ সিধান্তের বাহিরে হলে নয়াদিগন্তের লন্ডন প্রতিনিধি আছে তাদের মাধ্যমে আমরা আপনাদের মতামত জানিয়ে দিব। এর অন্যথা হলে অনেককেই মুল্য দিতে হবে।  

এ ব্যাপারে জেলা যুবদলের আহবায়ককে বার বার ফোন করা হলে  আমার কণ্ঠ শুনে ফোন কেটে দেন। কারন বাঞ্ছারামপুর যুবদলের কমিটি দেওয়ার কথা বলে আমার নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা নেয়, জাতীয় পার্টির সাবেক সাংসদ হালের বিএনপি নেতা কাজী আনোয়ারের নাম বলে আমার লোকদের বাঁধ দিয়ে কমিটি দেয়। টাকার ধান্ধ্যায় থেকে ভবিষ্যতে যুবদলের নেতৃত্ব দেওয়ার মত কোন নেতা তৈয়ার করেনি। একমাত্র হাজী মনিরের কারনেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজপথ থেকে হারিয়ে যাবে বিএনপি নামক দলটি।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আদিত্ব্য কামাল, ব্রাক্ষণবাড়ীয়া প্রতিনিধি #

Adithay Kamal House#412, Alhampara, Bhadughar 3400 Brahmanbaria, Bangladesh Mobile : 01713-209385

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com