আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপিতে বেহাল অবস্থা?

এই সংবাদ ৪০ বার পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদক # আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপিতে বেহাল অবস্থা। আশুজঞ্জ উপজেলা আবু আসিফ আহমেদ সভাপতি হওয়ার পর জেলার একটি সিন্ডিকেটের আশীর্বাদের পাশাপাশি চেয়ারপার্সনের কায্যালয়ের কিছু কর্মকর্তা এবং কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক দায়িত্বে থাকে যুগ্ম মহাসচিব মোঃ শাহজাহান এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য মোঃ বেলালের সাথে অনৈতিক লেনদেন থাকার কারনে জেলার নেতাদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আসছিলেন।

চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মুশফিকুর রহমান এবং জেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচির সাথে অনৈতিক সম্পর্ক থাকার কারনে তিনি নিজ উপজেলা এবং জেলার নেতাদের পাত্তা দিতেন না। তিনি বেপরোয়া হয়ে পরেছিলেন।ইউপি নির্বাচনে মনোনয়ন নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়ে আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতারা। ২ ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে ৬ সদস্যের উপজেলা কমিতি।আবু আসিফ বাদে বাকী ৫ জন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাছির আহমেদের নেতৃত্বে। সব গুলো ইউনিয়ন কমিটি নিজের পছন্দ মত লোক বসিয়ে ও শেষ রক্ষা হয়নি। আওয়ামীলীগের সাথে আতাত করে এমন সব প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। যা মেনে নিতে পারেনি তৃণমূল নেতাকর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। এবারে বার বার জেলাতে উপজেলার নেতারা অভিযোগ করলে ও জেলার নেতাদের হস্তক্ষেপ ও আমলে নেননি আবু আসিফ আহমেদ।

এরই মধ্যে আবু আসিফের বিরুদ্ধে বিএনপি পন্থী একটি পত্রিকা রিপোর্ট করলে, ওই পত্রিকার বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ ইস্যু করে আবু আসিফ আহমেদ এমন কি পত্রিকার এডিটর, নিউজ এডিটর সকলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে আবু আসিফ আহমেদ। পত্রিকার রিপোর্টারকে হুমকি দেয়। এ অভিযোগ জমা পড়ে বিএনপি হাই কমান্ডের নিকট। এ অবস্থায় চুপিসারে পারি জমায় বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মুশফিকুর রহমান। বেশ কিছু অন লাইন মিডিয়া ধারাবাহিক আকারে নিউজ করতে থাকে আশুগঞ্জ উপজেলার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে, এতে উঠে আসে পিলে চমকানো তথ্য। তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রানের সঞ্চার হয়।

এখন সরজমিনে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, আবু আসিফ আহমেদ এক দিকে আর মুল ধারার সমস্ত নেতাকর্মী একদিকে। আবার বিভিন্ন জনের মাধ্যমে হুমকি ধামকি দেয়া শুরু করে আবু আসিফ আহমেদ এবং তার লোকজন। গত রাতে মুশফিকুর রহমানের ব্যক্তিগত সহকারী মোঃ হানিফ ফোন করে রাত দেড় টার সময় বার বার ফোন দিতেই থাকে। এবং বিভিন্ন মাধ্যমে এই সিণ্ডিকেট হুমকি দিতে থাকে যারা রিপোর্ট করছে। এ ব্যাপারে শীঘ্রই সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি করা হবে। মুশফিকুর রহমান, কচি মোল্লা ও আসিফ এই সিণ্ডিকেট মিলে জেলা কমিটির বেশ কিছু পদ বিক্রি করেছে। এর মধ্যে আছে ইউপি এবং পৌর নির্বাচনের মনোনয়ন বানিজ্য। একে একে সকলেই মুখ খুলছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে আপনাদের নিকট সকল তথ্য উপাত্ব।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির অনীহার কারনে আশুগঞ্জ উপজেলা কমিটির অনুমোদন দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। একাধিক বার জেলা বিএনপির নীতি নির্ধারকরা মিটিং এ কমিটি অনুমোদন দিচ্ছেন না জেলা বিএনপির সভাপতি। মুশফিকুর রহমান ও কচি মোল্লা যাদের নিকট থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়েছেন তাদের কাউকে কমিটিতে পদায়ন করতে পারছেন না। জেলা বিএনপির সভাপতিকে বার বার ফোন করা হলে ও তাকে পাওয়া যায় না। আবু আসিফ আহমেদ আমাদের প্রতিবেদকের সাথে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আদিত্ব্য কামাল, ব্রাক্ষণবাড়ীয়া প্রতিনিধি #

Adithay Kamal House#412, Alhampara, Bhadughar 3400 Brahmanbaria, Bangladesh Mobile : 01713-209385

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com