বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির হালচাল

৫৬ বার পঠিত

আদিত্ব্য কামাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া #  তিতাস এবং মেঘনা দ্বারা পরিবেষ্টিত বাঞ্ছারামপুর উপজেলা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার এক প্রান্তে অবস্থিত বাঞ্ছারামপুর উপজেলা। বাঞ্ছারাম্পুর উপজেলা বাসীর দুর্ভাগ্য তারা হারিয়েছে বিএনপির প্রভাবশালী সাংসদ এ টি এম ওয়ালী আশরাফ, উদীয়মান ছাত্রনেতা ও সাবেক সাংসদ শাহজাহান হাওলাদার সুজনকে। সুজন হত্যার অভিযোগে দীর্ঘ ৬ বছর বিএনপি রাজনিতিকে যে আগলে রেখেছিলেন সেই ডাঃ রওশন আওলম। যিনি ছিলেন বিএনপির প্রান। উপজেলার এমন কোন এলাকা নেই যেখানে তার পা পরেনি। সুজন হত্যার শিকারে পরিণত হন তিনি। নিখুত পরিকল্পনায় শাহজাহান হাওলাদার সুজনকে খুন করে রাজনীতির মাঠ থেকে আউট করা হয়েছে ডঃ রওশন আলম কে। দীর্ঘ দিন কারাভোগের পর আপিল বিভাগ তথ্য প্রমানের অভাবে সকলকে অব্যাহতি দেয়।

সুজন হত্যা মামলার মুল বেনিফিসিয়ারি কে? এটা বিচার করবে বাঞ্ছারামপুর বাসি।আমার জানা মতে বাঞ্ছারামপুর বিএনপি নেতারা জানাযা, কুলখানি, বা কোন সামাজিক অনুষ্ঠানে দাওয়াত খাওয়া ছাড়া কিছু নেই। এবারের ইউপি নির্বাচনে যে প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে খালেক সাহেব সকল প্রার্থী মিলে পাশ করা একজন প্রার্থীর সমান ভোট পেয়েছে কিনা সন্দেহ। আর আমাদের জেলা বিএনপির অত্যন্ত নিকট জনের অত্যাচারে বাঞ্ছারামপুর বাসী অতিস্ট। এখন উনি কিছুই জানেন না। মোল্লা সাহেব আপনি ও বেঁচে থাকুন আমরা ও বেঁচে থাকি দেখব শুধু দেখব তখন আত্নিয়র পরিচয়ে কোন সুযোগ সুবিধা দেন কি না?

বাঞ্ছারামপুর বিএনপি ধ্বংস করছে কাজী আনোয়ার ও কচি মোল্লা ২ জনে মিলে। এবারের ইউপি নির্বাচনে নামেই প্রার্থী দিয়েছে ২ জনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে হয়েছে মোল্লা সাহেবের একান্ত আপনজনের অত্যাচারে। বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির কমিটি আছে কিন্তু বিগত ২ বছরে কোন সাংগঠনিক মিটিং হয়েছে বলে আমার জানা নেই। খালেক সাহেবের পরামর্শ দাতাদের সম্পর্কে ওরা সকলেই রাজনীতিতে পারদ্রশি।হালে বাঞ্ছারামপুর বিএনপিতে বিকল্প কোন প্রার্থী না থাকাতে খালেক সাহেবের উত্থান। এ অহংকারে উনার মাটিতে পা পড়ে না। এখানে পৌর বিএনপির কমিটি নেই। উপজেলা কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ। উপজেলা বিএনপি, উপজেলা ছাত্রদল কমিটি জেলার নেতারা ডেকে নিয়ে পূর্ণগঠন করুন।

ডঃ রওশন আলম বিএনপিকে যে পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল তার ছিটে ফোঁটা ও নেই। আর এক বোতল মদ একটি কচি কবুতরের বাচ্চা দিলে সব জায়েজ, যা চান তাই করিয়ে নিতে পারবেন। আর নতুবা উনার বউয়ের গুড বুকে থাকেন নেতা হতে পারবেন।বাঞ্ছারামপুরে কাগজে কলমে ছাড়া কোন সাংগঠনিক কমিটি নেই ইউনিয়ন পর্যায়ে। বাঞ্ছারামপুর কমিটি ২ ভাগ করে রেখেছে ব্যক্তি খালেক সাহেব। ২ গ্রুপ থাকলে বিভিন্ন উপঢৌকন পাওয়া যায়।

আমাদের একজন কেন্দ্রীয় নেতা আছে রফিক সিকদার কেন্দ্রে উনি যথেষ্ট পরিশ্রম করেন কিন্তু এলাকায় অবস্থান তৈয়ার করতে পারেনি।বাঞ্ছারামপুর বিএনপির যে বেহাল অবস্থা এলাকায় এসে সাংগঠনিক কাজ করলে মানুষের সাথে মিশুন, ওদের মনের কথা বুঝুন। জেলা নেতাদের উচিৎ দল পূর্ণগঠনে সাবেক এমপি দের প্রাধান্য না দিয়ে সকলে মিলে একতাবদ্ধ ভাবে যেন দলটা করতে পারে।সে ব্যবস্থা করা। তৃনমূলের সম্বাভনাময় ত্যাগী নেতাদের মুল্যায়ন করুন। তাহলেই দল পূর্ণগঠন সম্বভ। শহীদ জিয়ার সৈনিকেরা আগামী দিনে ঐক্য বদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে তাহলেই সম্ভব।বিএনপি নামক দলটাকে নিয়ে রাজপথে নামা।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আদিত্ব্য কামাল, ব্রাক্ষণবাড়ীয়া প্রতিনিধি #

Adithay Kamal House#412, Alhampara, Bhadughar 3400 Brahmanbaria, Bangladesh Mobile : 01713-209385

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com