রাতেই মুফতি হান্নানের ফাঁসি! কবর প্রস্তুত!

৭৬ বার পঠিত

হুজি নেতা মুফতি হান্নানের ফাঁসির রায় রাতেই কার্যকর হবে। কারা কর্তৃপক্ষের ডাকে হান্নানের সঙ্গে ‘শেষ’ সাক্ষাৎ করেছেন পরিবারের সদস্যরা। কারাগারে হান্নানের পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে ৪০ মিনিটি কথা বলেন। ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর তার লাশ গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার হিরণ গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। ইতোমধ্যে মুফতি হান্নানের লাশ দাফন করার জন্য কবর খোঁড়ার কাজও সম্পন্ন হয়েছে।

এ দিকে মুফতি হান্নানের লাশ দাফন নিয়ে উপজেলায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা, গ্রামবাসী ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এ জঙ্গি নেতার লাশ দাফন না হয় তার জন্য ইতোপূর্বে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ফারুক বলেছেন, ‘বৃহস্পতিবার  ভোরে হিরণ গ্রামের নিজ বাড়িতে মুফতি হান্নানের মরদেহ দাফন করা হতে পারে। এমন নির্দেশনা  পেয়ে ইতিমধ্যে কবর খনন ও দাফনের সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। হিরণ গ্রামে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।’

কারা সূত্র জানায়, এ দুই জঙ্গির ফাঁসি কার্যকরে কারা কর্তৃপক্ষের সব প্রস্তুতি রয়েছে। একজন জেলার ও দু’জন ডেপুটি জেলারের তত্ত্বাবধানে সাতজন জল্লাদ ফাঁসির মহড়াও শেষ করেছেন। সাত জল্লাদের মধ্যে মো. শাহজাহানও থাকবেন। মুফতি হান্নানের উচ্চতা ও ওজনের সমপরিমাণ ওজনের বস্তায় রশি বেঁধে ফাঁসির লিভার টেনে মহড়া হয়েছে।

২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটে হযরত শাহজালালের (রহ.) মাজারের প্রধান ফটকে তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা হয়। এতে দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ তিনজন নিহত এবং আনোয়ার চৌধুরীসহ ৭০ জন আহত হন। এ ঘটনায় করা মামলায় মুফতি আবদুল হান্নান, তার দুই সহযোগী শরীফ শাহেদুল বিপুল ও দেলোয়ার হোসেন রিপনকে মৃত্যুদণ্ড এবং মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ও আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। ওই রায় সর্বোচ্চ আদালতেও বহাল থাকে।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com