মানিকগঞ্জের পথে মীর কাসেমের লাশ

৩০ বার পঠিত
রাত ১০টা ৩০ মিনিটে কাশেমপুর কারাগারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী সদস্য মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকরের পর তার মরদেহ মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের চালা গ্রামে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। রাত ১২টা ৩২ মিনিটে  একটি এম্বুলেন্সসহ কড়া নিরাপত্তায় ১১টি গাড়িবহর মানিকগঞ্জের দিকে রওনা হয়। এর আগে মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকরের সময় উপস্থিত ছিলেন  কারা মহাপরিদর্শক সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন,  জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলম, সিভিল সার্জন হায়দার আলী খান ও পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ। দণ্ড কার্যকরের আগে মীর কাসেমকে তওবা পড়ান কারাগার মসজিদের পেশ ইমাম হেলাল উদ্দিন। 
 
হরিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, সব কিছু প্রস্তুত রাখা আছে। মীর কাসেম আলীর লাশ দাফনে যাতে কোনও প্রতিবন্ধকতা না হয় সেজন্য ব্যাপক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। তিন শতাধিকেরও বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকছে মীর কাসেম আলীর গ্রামের বাড়ি ঘিরে। র‌্যাব-৪ এর এএসপি উনু মং শনিবার সন্ধ্যায় জানান, মীর কাসেমের গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের চালা গ্রামে তাকে দাফন করা হবে। আহমাদিয়া সুলতানিয়া সামসুল উলুম হাফেজিয়া ও এতিমখানা মাদ্রাসার হুজুর হাফেজ মাওলানা আব্দুল কাদেরকে মীর কাসেম আলীর নামাজে জানাজা পড়ানোর জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কবর খোঁড়ার কাজ করছেন চালা ইউনিয়নের সাকুচিয়া গ্রামের মৃত কছিম উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে সামেজ উদ্দিন বিশ্বাস (৭০)।
 
জানা গেছে, মীর কাসেম আলীর নির্মিত মসজিদ সংলগ্ন লেবু বাগানের পাশে তার কবর খোঁড়ার প্রস্তুতি চলছে। যে স্থানে তাকে দাফন করা হবে তার আশপাশের মানুষের আনাগোনাও সীমিত করা হয়েছে। ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালীন চট্টগ্রামে মানবতাবিরোধী অপরাধের ১৪টি অভিযোগ এনেছিল প্রসিকিউশন। এর মধ্যে ১১ ও ১২ নম্বর অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com