একান্ত সাক্ষাতকারে স্বর্ণপদক প্রাপ্ত চেয়ারম্যান “আলহাজ্ব এস এম তোফাজ্জল হোসেন”

১২১ বার পঠিত
রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র উত্তরার পূর্বদিকে অবস্থিত দক্ষিণখান আদর্শ ইউনিয়ন পরিষদ। ২২.৯২ বর্গ কি.মি. জুড়ে এর আয়তন।পরিষদের তথ্যমতে মোট জনসংখ্যা-৫ লক্ষ ২৯ হাজারের অধিক, ভোটার-২ লক্ষ ৮ হাজার,  গ্রাম-১৬ টি। ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কথা হয় স্বর্ণপদক প্রাপ্ত অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান “আলহাজ্ব এস এম তোফাজ্জল হোসেন” সাথে, তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার, একান্ত সাক্ষাতকার নিয়েছেন নববার্তার স্টাফ রিপোর্টার “ইয়াসিন মাহমুদ আরাফাত“।

প্রাসঙ্গিক কিছু বলুন: ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমবারের মত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এস. এম. মোজাম্মেল হক (বীর মুক্তিযোদ্ধা), তিনি ১৯৭২ সালের ৭ ইং জানুয়ারীতে চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব নেন এবং ৭ ই জুন ১৯৭৪ ইং সাল পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করেন, এরপর তিনি ৮ জুন ১৯৭৪ হইতে ২২ জুন ১৯৮৪ইং পর্যন্ত পরবর্তীতে এক ট্রাম বাদে তিনি পূর্নরায় নির্বাচিত হন, সর্বশেষ তিনি ২৬ জুন ১৯৮৯ হইতে ৪ এপ্রিল ২০০৩ইং দায়িত্বপালন করেন। তিনি আমার বড় ভাই, দীর্ঘ সময় যাবত অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিল, এলাকার উন্নয়নের জন্য তিনি সর্বদা কাজ করেছেন। তার মৃত্যুর পর আমি নির্বাচিত হয়েছি। আপনারা দেখেছেন প্রথমবার দায়িত্ব গ্রহণের পর অনেক কাজ করেছি, দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সে ধারা এখনো অব্যহত রেখেছি।

সমসাময়িক কিছু কথা বলেন: বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতধরে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এগিয়ে যাবে। কোন অপশক্তি সরকারের উন্নয়ন কাজে বাঁধাগস্থ করতে পারবেনা। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাব এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দেশ দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে। ডিজিটাল রাষ্ট্র রূপান্তর করা এখন সময়ের ব্যাপার।

আপনার ইউনিয়নের উন্নয়ন প্রসঙ্গে কিছু বলুন: প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রধান সড়ক ও অলিগলি পাকা করেছি, এখন কাচা রাস্তা নেই বললেই চলে। রাস্তার পাশে বড় করে ড্রেন তৈরি করে চলেছি, যাতে বৃষ্টির কারণে রাস্তায় জলাবন্ধতা যেন হয়। এই কাজ করতে গিয়ে আমার নামে অনেক মামলা হয়েছে, তারপরেও থেমে পিছু সরে যাইনি। আজমপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ভাইদের নামে সড়কের নাম ফলক স্থাপন করেছি। এখন যেহেতু ইউনিয়ন পরিষদ সিটি কর্পোরেশন নিয়ে গেছে তাই গাওয়াইর-দক্ষিণখান সড়ক মেরামত করতে পারছিনা, তবে আশা করা যায় দুই মাসের মধ্যে তারা রাস্তার কাজ শুরু করবে।

জঙ্গি সম্পর্কে কিছু বলুন: আমার ইউনিয়নে জঙ্গিবাদের কোন স্থান নেই, আশকোনার ঘটনার পর আমরা সতর্ক আছি, আগেও সতর্ক থেকে। গত বছর আলেম সমাজ নিয়ে মহাসমাবেশ করেছি, মাদ্রারাসার আলেমরা ঐক্যবদ্ধ আছে জঙ্গিবাদ নিরসনে।

শিক্ষা সম্পর্কে কিছু বলুন: দেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই তাই, বড় ভাইয়ের রেখে যাওয়া এস এম মোজাম্মেল হক শিক্ষা কমপ্লেক্স এর মাধ্যমে গরীব অসহায় ছাত্রছাত্রীর পড়ার ব্যবস্থা করেছি। টাকার অভাবে যাতে কেউ শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত না হয় সেদিক সব সময় দৃষ্টি দিয়ে থাকি।

নতুন বছরে আপনার পরিকল্পনা কি? এখন আমাদের ইউনিয়ন পরিষদ সিটি কর্পোরেশন এর আওতাভুক্ত। যেকোন সময় দায়িত্ব ছেড়ে দিতে হবে তাই নতুন কোন পরিকল্পনা হাতে নেই, যতদিন আছি ততদিন মানুষের জন্য কাজ করে যাবো। অনেক ধন্যবাদ আমাদের সাথে আপনার মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য, নববার্তা.কম এর সকল কর্তৃপক্ষ এবং আপনাকেও অসংখ ধন্যবাদ।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com