আজ শুক্রবার, ৭ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং, ২৯শে জিলহজ্জ, ১৪৩৮ হিজরী, শরৎকাল, সময়ঃ রাত ১:৪৩ মিনিট | Bangla Font Converter | লাইভ ক্রিকেট

কবিতা articles

জাগ্রত সংবাদ [] কালের লিখন

জাগ্রত সংবাদ [] কালের লিখন

মেয়েটি ঊর্ধ্বাঙ্গের পরিধেয় বস্ত্র খুলে ফেললো। তারপর খুলে ফেললো নিম্নাঙ্গের বস্ত্র। একঝটকায় খুলে ফেলে দিলো অন্তর্বাসও। নিজেকে একঝলক দেখে নিয়ে বের হলো রাস্তায়। টানটান উদ্ধত বক্ষ, কাঁধে ব্যাগ, নিতম্বের দোল, চারপাশে পিনপতন নীরবতা অহেতুক সোরগোল। দুটো চোখহীন ফড়িং উড়ছে পিছুপিছু! কিছু ঝরাপাতা ছুটেগেলো মাতৃবৃক্ষ ভুলে। মেয়েটির ভ্রূক্ষেপ নেই, সে আপনমনে চলে, স্বীয়তালে হাঁটে! পথ থেকে

ফরিদ কবির’র একগুচ্ছ কবিতা

শরীর বন্দি নয়, তোর হাত নিজে এসে আশ্রয় নিয়েছে এই করতলে তোর কাছে নিরাপদ নয় কোনো কিছু তোর হাত, হাতের আঙুল সামান্য যে গাছ, সেও অরক্ষিত রাখে না পাতাকে তুলে ধরে যতটা সম্ভব শূন্যে, স্পর্শের বাইরে যে কারণে পাতা থাকে নিতান্ত সবুজ স্পর্শাতীত কিছু নেই তোর যে রকম হাতের ইশারা বুঝে তোর হাত ঢুকে পড়ে

সুশান্ত হালদার-এর একগুচ্ছ কবিতা

দাবানল ঝড়ো বাতাসে গোলাপ যদি ঝরে যায় অসময়ে তবে কী অলিরা আসবে না ভাঙা ডালের মর্মর শব্দ শুনে নাকি বিরহের সুখস্মৃতি নিজেই খুঁজবে করাত কলে বসে কতদিন বলেছি এখানে সুখের ঘরে আগুন লেগেছে চৈত্রের দাবানলে পুড়ে ছাই হৃদয় কাবা মন্দির যেখানে ছিলাম আমি নিজেই পুরোহিত, এখন ভুল মন্ত্রে উচ্চারিত হয় দেবীর সন্ধ্যা আরতী তবে কী

ভাস্কর চৌধুরী-এর একগুচ্ছ কবিতা

নারীর টান জলের সাথে শীঘ্রই আমার দেখা হবে আমি জলের দুয়ারে ফের ভিক্ষা নিতে যাবো তখন মূর্তি নদীর মেয়েরা আমাকে বলবে, কোথায় ছিলে গো ? মাঝে মাঝে কোথা যাও? আমাদের বড় একা একা লাগে। খারাপ লাগে। . আমি এ কারণেই বার বার ফিরি আর তাদের বলি আমিও তোমাদের মতো করে , তোমাদের ভালোবাসি। . আঁধার

কবি অসীম সাহা’র একগুচ্ছ কবিতা

এনজিওগ্রাম  বাইপাস দিয়ে নতুন রাস্তা ধরে ছুটে যেতে আমার খুব ভালো লাগে!কিন্তু তার জন্যে সংযোগ-সড়ক চাই-হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে এরকম ভাবতে-ভাবতেযখন জানলাম, সংকীর্ণ পথের শেষপ্রান্তে ব্যারিকেড দিয়ে বসে আছে রক্তকণিকার জমাটবাঁধা কিছু কেয়াকাঁটার ঝাড়-তখন তাকে অপসারিত করার জন্য সশস্ত্র পুলিসবাহিনীর মতোযখন একা একা খুব দ্রুতবেগে ছুটে গেলোস্প্রিংয়ের কেমিক্যালসজ্জিত কিছু স্বয়ংক্রিয় তার-আমার চোখে নেমে এলো অসমাপ্ত ঘুম!ঘুম ভাঙলে

ফরিদা ইয়াসমিন সুমি’র একগুচ্ছ কবিতা

তোমার চিঠি তোমার চিঠিটা আজও সযতনে বুক -পকেটে নিয়ে ঘুরিএসএমএস এর যুগে তোমার দেয়া এই একটাই চিঠি কী ‘না!চিঠিটা বাধাই করে রাখবো ভাবছিভাঁজে ভাঁজে নরম হয়ে গেছেযেকোনো দুঃসময়ে ছিঁড়ে যাবার আশংকা!জানিনা এর আগে পৃথিবীর আর কেউপ্রেসক্রিপশন প্যাডে চিঠি লিখেছে কী ‘না!তবে, তুমি লিখেছিলে!কী স্নিগ্ধ, মায়াময় তোমার হাতের লেখা! দু ‘টোই তো মাত্র লাইন ওতে,অথচ পড়তে

নকিব মুকশি-র একগুচ্ছ প্রেমের কবিতা

মথনসুর☼ এ রাত যেন মথনের সুরে নতগলে গলে ঝরে মাড়ের আনন্দকী নেই এমন ভেষজমুখে-চান্দের নদীসুরের লাবণ্য, মায়ার সিম্ফনি…যেন এ মুখ প্রেমের এক দৈব সিন্দুক এ বুকে বাজে যেন এক সরোদসুরদূর সমুদ্রের গান, মিথুনের রাগ…স্নায়ুর গভীরে কে ডেকে যায সেএমন বেদনা সংহারী সুরের লহরে? এ স্বগতসুর যেন সুধার এক আকরজেগে আছে পৃথিবীর ঘরে ঘরেহাজার হাজার বছর

মিসির হাছনাইন-এর একগুচ্ছ কবিতা

আষাঢ়ের ফুল অতিরিক্ত নীলরঙ ধীরে ধীরে ধুয়ে যায়  গভীর রাতে জন্ম নেয় বৃষ্টিস্নাত কদমফুল; গাছের ভিতর বৃষ্টির রঙ মাখতে মাখতে গ্রামের রাস্তায় হাঁটে লুঙ্গি পড়া সোজা যুবক, যার হাতের কদমফুল–কথা বলে,খুলে যায় নীল চোখের কিছু অভিমান;তোমার নামে যে রাতে বৃষ্টি নামে;মৃত পাতায় জমা পঙক্তি  ভাসিয়ে দেই উঠানে নেচে ওঠা জলের দলে। বয়স্ক মানুষের মতো ঘরের

কবি বিনয় কর্মকার এর ” পরিক্রমা ( 0 ) “

পরিক্রমা (০)সেই যে অংক শেখা, বাঁশ,বানরের ওঠা-নামা। তেল মাখা বাঁশ !! দুধ জলের আনুপাতিক হার , মস্তিষ্কে গেঁথে যাওয়া – লাভ-লোকসানের খতিয়ান, ভগ্নাংশের প্রয়োগ- যেন নিত্য দিনের হোম ওয়ার্ক। মানুষ বোধহয় অংকে ভালো,যোগে কাঁচা ! ছাড় দেয়াকে মৃত্যু ভেবে,বিয়োগ ভুলে শুধুই বাঁচা। সরল গুলি গরল হয়ে আস্ত খাদে, তরল বোধের বাষ্প হয়ে মস্ত কাঁদে। ‘সমতা’

আমিনুল ইসলাম সেলিম’র একগুচ্ছ কবিতা

রহিমাদের ঈদ ঊনুনে জ্বলছে হাঁড়ি, চাল নেই, কয়েকটি খুদের কণাছেড়ে দিয়ে গাইছে বিষণ্ন গীত রহিমা খাতুন। মেয়েটাকাঁদছে খুব, ওর নাকি ঈদ আছে, নতুন পোষাক চাই।পোষাক কি কাপড়েই নাম? রহিমা কাপড় বোঝে শুধু।অলক্ষী মেয়েটা শুধু ঈদ বোঝে, অভাব বোঝে না ছাই!স্বামীর মৃত্যুর পরে যতোদিন ধরে এই নদীপাড়ে বাস,ততোদিন রহিমার ঈদ কোনো বিশেষ আনন্দ নয়। তবু-ছেলেটা গিয়েছে

উপরে
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com