আজ শুক্রবার, ৭ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং, ২৯শে জিলহজ্জ, ১৪৩৮ হিজরী, শরৎকাল, সময়ঃ রাত ১:৩০ মিনিট | Bangla Font Converter | লাইভ ক্রিকেট

সম্পাদকীয় articles

শেখ হাসিনাকেই সামাল দিতে হবে

শেখ হাসিনাকেই সামাল দিতে হবে

কবীর চৌধুরী তন্ময় # মানব সভ্যতার স্বর্ণযুগ একবিংশ শতাব্দিতে এসেও বিশ্বের অন্যতম নিপীড়িত-নির্যাতিত জনগোষ্ঠীর নাম রোহিঙ্গা। আর এই রোহিঙ্গাদের উপর মিয়ানমার সরকারের তান্ডব ইতিহাস রচিত। ১৭৮৪ সালে বার্মার তৎকালীন রাজা আরাকান দখলের পর থেকে এ জনগোষ্ঠীর মানুষের উপর যে হত্যা, বিতাড়ণ শুরু হয়েছিল; মানব সভ্যতার এই সময়ে এসে আরও নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে! সাম্প্রতিক সময়ের

সংখ্যালঘুর কোন দেশ নেই ।। রেজওয়ান তানিম

উষর জলপাই ক্ষেতে হাঁটতে হাঁটতে তিনি আশার আবাদ করেন, ভাবেন, ওদের শিকড় প্রোথিত হবে জীবন্ত হবে আরও একবার, যেমন তারা ছিল একদিন তাদের পূর্বপুরুষদের মতোই ফলবতী। ফিলিস্তিনের গভীর কালো মাটির গন্ধ যেন তরল সাদা পনির মাখানো আধপোড়া পিটা রুটি। ———————————– জলপাই ।। ফারাহা সারাফা প্রায় বছর পাঁচেক আগে আমি অনুবাদ করেছিলাম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন কবি

সুচির সভাপতিত্বে জাতি নির্মূল উৎসব

নিকোলাস ডি ক্রিস্টফ: গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে। নারীদের গণহারে ধর্ষণ করা হচ্ছে। নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করা হচ্ছে শিশুদের। আর এই জাতি নির্মূল উৎসবে ‘সভাপতিত্ব’ করছেন অং সান সুচি। গত তিন সপ্তাহ ধরে সিস্টেমেটিক্যালি বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমার বেসামরিক সাধারণ মানুষকে গলা কেটে হত্যা করছে। এসব মানুষ রোহিঙ্গা মুসলিম। এমন পরিস্থিতিতে তারা পালিয়ে প্রতিবেশী

সাম্প্রদায়িক ঐক্য ও সম্প্রীতির কবি কাজী নজরুল ইসলাম

কায়ছার আলী :  মোরা একই বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু-মুসলমান, মুসলিম তার নয়নমনি হিন্দু তার প্রাণ” সাম্য, মৈত্রী, বিদ্রোহী, ঐক্য, সর্বহারা, স্বাধীনতা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী,বিপ্লবী, প্রেম,মানবতা ও আমাদের জাতীয় কবি সকল সীমানা কাল ভৌগলিক রেখা অতিক্রম করে বাংলা সাহিত্যের ভাগ্যাকাশে এক উজ্জল নক্ষত্র হিসেবে উদয় হয়েছিলেন। তিনি হলেন অগ্নিবীণার সুরঝংকার চির যৌবনের জয়ধ্বনি মৃত্যুঞ্জয়ী অসাম্প্রদায়িক নজরুল।

বন্যা নয় জিতুক মানবতা ।। সফিউল্লাহ আনসারী

বন্যায় আক্রান্ত আজ বাংলাদেশ। সারাদেশে লাখ লাখ মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে। দেশের বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশই খারাপের দিকে যাচ্ছে। বাড়ছে দুর্গত এলাকার মানুষের দুর্ভোগ। বাংলাদেশ নদী মাতৃক দেশ হওয়ায় দেশজুড়ে নদ-নদীগুলোতে পানি থৈ থৈ অবস্থা। এ মুহুর্তে এসব মানুষের খাদ্য,বস্র,বাসস্থান, ঔষধ, চিকিৎসা সেবা এবং অনুসাঙ্গিক সহায়তা জরুরী প্রয়োজন। বন্যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। সরকার

শেখ মুজিব ও সোনার বাংলার বর্তমান প্রেক্ষাপট ।। রুদ্র আমিন

আজ সেই রক্তাক্ত ১৫ আগস্ট, এমন নেতার বিয়োগান্তে বাঙালির শোকের দিন। আজ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৪২তম শাহাদাত বার্ষিকী। শেখ মুজিবর রহমান পৃথিবীর মানচিত্রে একটি স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি। শুধু তাই নয় তিনি বাংলার তিতুমীর, সূর্যসেন,ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর, সুভাষ বসু, আলাওল, পদাবলী, মুকুন্দ দাস, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, জীবনানন্দ দাসকে ছাড়িয়ে

৫৭ ধারার মারপ্যাঁচে সাংবাদিকের কলম । আবুল বাশার শেখ

সংবাদপত্র বা গণমাধ্যম হচ্ছে সমাজের দর্পণ স্বরূপ। আর এই গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের বলা হয় জাতির বিবেক। সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। এ পেশায় বৈচিত্র্যমুখী ঘটনার সম্মুখীন হয়ে একজন কলম সৈনিক একজন সাহসী সাংবাদিক হিসেবে গড়ে উঠে। দিন রাত সমাজের নানা দিক তুলে ধরতে ছুটে চলেন অবিরাম। সমাজের চিত্র উঠে আসে তার কলম-ক্যামেরায়। এ সাহসী পেশায় দায়িত্ব

বঞ্চিত ও চরম অবহেলিত এমপিওভূক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সু-নজর দিন

শিক্ষকতা একটা মহান পেশা। দুনিয়াতে আর এমন একটি পেশা নেই যা সম্মানের দিক থেকে শিক্ষকতা পেশার সমান। শিক্ষকরা সোনার মানুষ গড়ার কারিগর। একটি দেশ জাতি ও সমাজ তার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যে বিশ্বাস, মূল্যবোধ, দেশপ্রেম, দক্ষতা ও নৈতিকতা বোধ নিয়ে গড়ে তুলতে চান সেই কাজটা সম্পন্ন করেন সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দরা। শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার ও জাতীয় উন্নয়নের

ঈদ উৎসবের আনন্দ হোক সবার

সফিউল্লাহ আনসারী # ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মানে খুশি। বছর ঘুরে একবার আসে ঈদুল ফিতরের ঈদ। ঈদ মানেই বিশাল উৎসব। বাংলাদেশে যেমন রয়েছে নানা জাতী ধর্মে মানুষের বাস ঠিক এই ভিন্ন জাতি গোষ্টির রয়েছে আলাদা ধমীয় উৎসব। বিশ্বের মুসলমানদের মতো বাংলাদেশেও ঈদ উৎসব যেমন রয়েছে আলাদা ঐতিহ্য অন্য দিকে রয়েছে ধর্মীয় ভাবগার্ম্বিযের মতো বিশ্বাসের একটা

একটি শাহবাগ আন্দোলনের জন্ম না হলে ।। ফকির ইলিয়াস

আন্দোলনটি মূলত শুরু করেছিলেন শহীদ জননী জাহানারা ইমাম। আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদ জননীর সঙ্গে মঞ্চে গিয়ে একাত্মতা প্রকাশ করেছিলেন। এসব অনেক ঘটনা আমাদের মনে আছে। ১৪ অক্টোবর ১৯৯২ সালে মহাসমাবেশের মঞ্চে কবি বেগম সুফিয়া কামাল ও জননেত্রী শেখ হাসিনা শহীদ জননী জাহানারা ইমামের পাশে গিয়ে বসেছিলেন। তা ছিল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। এটা শহীদ

উপরে