,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

আপনার কি আদৌ সুগার বা প্রেসার আছে?

লাইক এবং শেয়ার করুন

সুগার, ব্লাড প্রেসার মাপার যন্ত্রই ঠিক নয়। এদেশে বায়োমেট্রিক যন্ত্র স্ট্যান্ডার্ড মেনে তৈরিই হয় না। হয়তো অকারণেই খাচ্ছেন প্রেসারের ওষুধ। পা বাড়াচ্ছেন সর্বনাশের পথে। চিকিত্সকদের পরামর্শ, বাড়িতে বিপি মেশিনে প্রেসার না মেপে যেতে হবে হাসপাতালে।

গলায় স্টেথোস্কোপ, টেবিলে স্ফিগমোম্যানোমিটার। কোনও ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকলে এই ছবিটা ভীষণ কমন। আপনার অতিপরিচিত প্রেসার মাপার যন্ত্র। এই যন্ত্রেই প্রেসার মেপে খসখস করে প্রেসক্রিপশন লিখে দেন চিকিত্সকরা। ওষুধ খাওয়া শুরু। কিন্তু আপনি জানেন কি হয়তো অকারণেই খাচ্ছেন প্রেসারের ওষুধ? বারোটা বাজছে আপনার শরীরের! তিনটি আলাদা আলাদা মেশিনে একই সময়ে একই অবস্থানে একই মানুষের প্রেসার মাপার পর রিডিংটা আলাদা! অবাক হচ্ছেন? হবেন না। এটাই বাস্তব। আসলে যন্ত্রেই গলদ। সুগার মাপার ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার। একই সময়ে আলাদা আলাদা মেশিনে ভিন্ন রিডিং।

আপনার প্রেসার বা সুগার স্বাভাবিক হলেও যন্ত্রের কল্যাণে রোগী হতে বেশি সময় লাগবে না। কিন্তু গলদটা কোথায়? যন্ত্রের ক্যালিব্রেশনে গলদ। প্রেসার মাপার মাত্রাতেই গলদ। পারদের মাত্রায় গলদ। ভারতে তৈরি অধিকাংশ মেশিন ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড প্যারামিটার ব্যুরোর গাইডলাইন মেনেই তৈরি হয় না বলে অভিযোগ। চিকিত্সা সংক্রান্ত কোনও সরঞ্জামের ক্যালিব্রেশন ঠিক করে দেয় কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চের ন্যাশনাল ফিজিক্যাল ল্যাবরেটরি। এই সংস্থার দাবি, স্ফিগমোম্যানোমিটার যন্ত্রে ক্যালিব্রেশনে গন্ডগোল থাকলে প্রেসারের মাত্রা দশ পয়েন্ট বেশি বা কম হতেই পারে।

এখানেই বিপদ। রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে হতে পারে বড় সমস্যা। যিনি রোগী নন, তিনি হয়ে যান রোগী। আবার যিনি রোগী, ওষুধ না খেয়ে বেড়ে যায় তাঁর রোগের মাত্রা। যন্ত্রের এই গলদের কথা স্বীকারও করে নিয়েছেন চিকিত্সকরা। চিকিত্সা ব্যবস্থার উন্নতি হচ্ছে দিন দিন। আধুনিক যন্ত্রের ব্যবহারও বাড়ছে। কিন্তু আগে যন্ত্রের চিকিত্সা  হলে তবেই শরীরের চিকিত্সা ঠিকঠাক হবে বলে মনে করছেন চিকিত্সকেরা।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ