,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

দেলোয়ার হোসাইন – এর একগুচ্ছ কবিতা

লাইক এবং শেয়ার করুন

ঘুমিয়ে পড়

রাতের সব মাতাল ঘুমিয়ে পড়লে
ঠাকুর ঘরের উজ্জল প্রদিপটা জ্বলে উঠে
অনেক দিন বৃষ্টি তে ভিজিনা বলে; তৃষ্ণা লাগে, আমার বড় তৃষ্ণা লাগে
হয়তো কেউ লাজে মরে যাওয়া নববধূঁর বেশে কপালে চন্দন মেখে
আপন তৃষ্ণায় দাঁড়িয়ে থাকে স্নানের অনুরাগে।
তৃষ্ণা লাগে; আমার বড় তৃষ্ণা লাগে।
আমি শিহরে কাছে যাই, শনশন করে বুকের ব্যথা আরো বাড়তে লাগে
কাছে, আরো কাছে যাই প্রদিপশিখায়
কে যেনো শাড়ি পড়ে একলা রয়েছে জেগে
হাতের কাঁচ ভাঙা কাকনে প্রমাণ করে দেয় সতি এই আধারে ঘর ছেড়ে তৃষ্ণা কাতর বিরহে
নির্জন সাক্ষি হয়ে শিব ঠাকুরের মূর্তি টা জেগে থাকে
মধ্য রাতের নারীর স্মরণ, পাপ ছেড়েছে প্রজ্ঞাপন।
রাতের সব মাতাল রা এক এক করে ঘুমিয়েছে
ঘুমিয়েছে দেবদারু, শিমুল আর মস্তবড় ল্যাম্পপোস্ট টাও
তুমিও ঘুমাও নারী; হিজল বনের পেঁচাদের মত।

ময়নাতদন্ত

একদিন ধবধবে সাদা বেলী ফুলটার ময়না তদন্ত করা হবে,
নেয়া হবে তার রক্তের নমুনা।
কিন্তু প্রকৃত প্রস্তাবে পোস্ট মরটেম রিপোর্টে
কোন প্রকার ধর্ষনের চিহ্ন আসবে না।
মিডিয়া সংবাদ প্রচার করবে,
বেলী ফুল ধর্ষিত হয়নি বরং নিজেই ধর্ষক।

খুঁজে পাবেনা

তারপর ধরো অনেকদিন আমায় খুঁজে পেলে না
হারিয়ে গেছে পাহাড়ের মাঝে ধূসরে
কোন এক মধ্যরাতে, যখন নাকে গভীর ঘুমের ঘন্ধ আসে
ভয়ের মালা শনশনে ছুঁচো ইঁদুরের হটাৎ দৌড়ে
কিংবা সূদুর আমেরিকায় সেই র‍্যাটেল স্ন্যাকের লেজের ঝনঝনে
যখন পাহাড় গড়িয়ে বৃষ্টি আসে নিরন্তর নৈঃশব্দ্যে
ধরো আরো অন্ধকার এসে ছুয়ে দিল তোমায়
হাত, পা, শরীর; নাকের ডগার মাঝখানে!
আঁচলের লেপ্টে থাকা বালুচরে কিংবা খোপায়।
তারপর হটাত দু একটা বিদঘুটে শব্দ কানে এলে-
দূর পাড়া গায়ের গগন হরকরার, কিংবা আলী দফাদারের
অথবা সেনা ক্যামের প্রধান ফলকে দাঁড়িয়ে থাকা প্রহরীর!
আমি হুচট খেয়ে শেকড় আকড়ে ধরি; ওমা এ যে নুপুর!
বনের মাঝে মেয়ের চিহ্ন! এ দেবী নয়তো?

দেলোয়ার হোসেন
কুমিল্লা।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ