,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা মহাশ্মশান রোডের ব্রীজটি নির্মাণ করা হোক (ভিডিও সহ)

লাইক এবং শেয়ার করুন

মোঃ রাজন আমান,কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি # কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলা, ভেড়ামারা পৌরসভার মঠপাড়া সংলগ্ন ভেড়ামারা মহাশ্মশান রোডের ব্রীজটি নির্মাণ না হওয়ায় স্থানীয় স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা সহ পথচারীদের দুর্ভোগ আর কতদিন সহ্য করতে হবে ? বাংলাদেশের অনলাইন নব বার্তা ডট কমে গত ২৫ ফেব্রুয়ারী/১৭ খ্রীস্টাব্দে “কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা মহাশ্মশান রোডের ব্রীজটি নির্মাণ হবে কি ?” সংবাদ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের সাথে সাথে তড়িঘড়ি করে ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শান্তি মনি চাকমা গত ২৫ ফেব্রুয়ারী’১৭ খ্রীস্টাব্দে কোদাল দিয়ে মাটিতে কোপ মেরে নতুন ব্রীজ নির্মাণের ভিত্তি দেন।

উল্লেখ্য যে, ভেড়ামারা মহাশ্মশান রোডের ব্রীজটি দীর্ঘ ২/৩ বছর যাবত চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে কিন্তু স্থানীয় স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা সহ পথচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙ্গা ব্রীজের উপর দিয়েই চলাচল করে আসছিল। ব্রীজটির উপর দিয়ে পথচারীদের যাতায়াতের জন্য ভেড়ামারা পূর্ব কোদালিয়াপাড়া, বামনপাড়া (নিচপট্টি) এলাকার যুব সম্প্রদায় ব্রীজের মুখে ও দু-পাশে মাটি ফেলে বাঁশ,তার দিয়ে বেঁধে দিয়েছিল। যার ফলে দীর্ঘ ২/৩ বছর স্থানীয় স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা সহ পথচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙ্গা ব্রীজের উপর দিয়েই চলাচল করতে পারত। এই করুণদশা হেলে পড়া ব্রীজটি গত ২৮ ফেব্রুয়ারী/১৭ খ্রীস্টাব্দে ভেঙ্গে ফেলার পর এখানে হয়ে গেছে যেন এক “মৃত্যুফাঁদ”।

এই ব্রীজটি ভেঙ্গে ফেলার পর ভেড়ামারা মহাশ্মশানের পূর্ব সাইড দিয়ে চন্দনা নদীর লেকের মধ্যে/ চিকন পাড় দিয়ে স্থানীয় স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা সহ পথচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিনে ও রাতে যাতায়াত করছে এরই মাঝে প্রতিনিয়ত যাতায়াতে দুর্ঘটনাও ঘটছে। এদিকে ইসলাম ধর্মের কোন ব্যক্তি ইন্তেকাল করলে  ভেড়ামারা হিড়িমদিয়া কবরস্থানে  এবং  ভেড়ামারা মহাশ্মশানে হিন্দু সম্প্রদায়ের কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে তাকে অন্তুষ্টি ক্রিয়া সম্পন্নের লক্ষ্যে ভেড়ামারা মহাশ্মশানে পৌঁছেতে প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে গন্তব্য স্থলে পৌঁছতে হচ্ছে।

এলাকা সূত্রে জানা যায়, ভেড়ামারা মহাশ্মশান রোডের ব্রীজটি ভাঙ্গনের মূল কারন- চন্দনা নদীর এই লেকে অবৈধ ভাবে জনৈক মৎস্য চাষীরা মৎস্য চাষের সময় ব্রীজের সাথে বাঁশ দিয়ে এমনকি রড বেষ্টনী ঢালাই দিয়ে ব্রীজের সাথে বাঁধ দেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এই ব্রীজের এই দুর্দশা। জানা গেছে, ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শান্তি মনি চাকমা ভেড়ামারা উপজেলা থেকে গোপালগঞ্জে পদোন্নতি ও বদলি হবার পর ভেড়ামারা মহাশ্মশান রোডের ব্রীজটি নির্মাণের কোনই পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা। স্থানীয় স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা সহ শত শত পথচারীদের দাবি জরুরী ভিত্তিতে ভেড়ামারা মহাশ্মশান রোডের ব্রীজটি নির্মাণ করা হোক।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ