,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক: ভালুকা অংশে লাশের মিছিল, পুড়ছে গাড়ী; শঙ্কিত যাত্রী-পথচারী

লাইক এবং শেয়ার করুন

সফিউল্লাহ আনসারী ,ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ  ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত হওয়ার বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ নিয়েছিল তৃপ্তির নিশ্বাস । অথচ সড়ক দূঘটনার কারনে কিছুদিন যেতে না যেতেই সেই নিঃশ্বাস যেন বিষাদে রুপ নিয়েছে। মহাসড়কের ভালুকা অংশে দিনকে দিন দূর্ঘটনা বেড়েই চলছে। প্রায় প্রতিদিনই ছোট-খাটো দুর্ঘটনাসহ কয়েকদিন পর পর প্রাণঘাতী দূর্ঘটনায় শুধু মায়ের কোলই খালি হচ্ছে না এতিম হচ্ছে অনেক শিশু। আর এসব দূর্ঘটনার অন্যতম কারন হিসেবে দায়ি করছে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক সড়ক খুড়া-খুড়িকে। কয়েকদিনের দূর্ঘটনার তালিকা দেখলে অনেকেই শিউড়ে উঠবে। দুর্ঘটনার তালিকায় রয়েছে, শ্রমিক নেতা,দাদা-নাতি, স্বামী-স্ত্রী, শিশু, ছাত্র-ছাত্রী, ব্যবসায়ী, গামেন্টস শ্রমিক, যুবকসহ বয়োবৃদ্ধ পথচারী।

ওইসব সড়ক দুর্ঘনায় ক্ষোভে, দুঃখে ফুসে উঠেছে ভালুকার সর্বস্তরের মানুষ। যার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বাস ভাংচুর, সড়ক অবরোধ এমনকি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা এখন অহরহ। অল্প কয়েক দিনের ব্যবধানে সড়ক দূর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী, শিশু, মোটরসাইকেল আরোহী, পথচারীসহ হবিরবাড়ী ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সভাপতির মূত্যুর ঘটনায় ৩টি গাড়িতে আগুন ও বেশ কয়টি গাড়ি ভাংচুর করেছে এলাকাবাসী।

ভরাডোবা হাইওয়ে পুলিশ জানায়, কয়েকদিনের ব্যবধানে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভালুকা অংশে সড়ক দূর্ঘটনায় বৃদ্ধ হাতেম আলী (৬৫), মাসুদ রানা (২৭), রাছেল পারভেজ (৩৫), ফয়সাল আহাম্মেদ (১৮), শাহ পরাণ (১৫), শাহিনা খাতুন, দাদা-নাতি আব্দুর রহমান (৬৫) ও উর্বী (১), স্বামী-স্ত্রী ইমদাদুল হক (৫০) ও কুলসুমা অক্তার পারভিন, বলাই চন্দ্র দাশ (২০), আকলিমা আক্তার (১২), রোমান ভূইয়া (৩০), শফিকুল ইসলাম খান (৪০), হুমারা (১০), রাব্বুল (১০), তাবাচ্ছুম (৫), শরীফা (৬) আফতাব (৪৫) মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি শতাধিক মানুষ পঙ্গু হয়ে সংসারের বোঝা হচ্ছে ।

স্থানীয়রা সড়ক দূর্ঘটনার অন্যতম কারন হিসেবে দেখছেন- রাস্তা খোড়া-খুড়ি,ফোরলেনের কাজ শেষ না হয়ে দ্বীর্ঘায়িত হওয়অ,লাইসেন্স বিহীন চালক, বেপরোয়া গাড়ী চালানো, মহ-সড়কের উপরে বাজার, অবৈধ গাড়ী পার্কিং ও ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার না করা। ময়মনসিংহ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাসুদ খান জানান, সড়কে খুড়া-খুড়ির কাজ আগামী ২ মাসের মধ্যে শেষ হবে। মহাসড়কে আমরা যেসব ওভারপাস স্থাপন করেছি মানুষ তা ব্যবহার করছেনা। জন সাধারণকে সচেতন করতে পারলেই মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমিয়ে আনা সম্ভব।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ