,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার নাসিরনগর চেয়ারম্যান কর্তৃক অবৈধভাবে হোল্ডিং ট্যাক্সের নামে চাঁদা আদায়

লাইক এবং শেয়ার করুন

আদিত্ব্য কামাল, নিজস্ব প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউ, পি চেয়ারম্যান এ,টিএম মোজাম্মেল হক সরকার (মুকুল) কর্তৃক অবৈধভাবে হোল্ডিং ট্যাক্সের নামে এলাকার হতদরিদ্র, অসহায় এমন কি ভিক্ষুককে পর্যন্ত মামলামোকদ্দমার ভয় দেখিয়ে ৭ লক্ষ ৫৯ হাজার ৭০ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিয়োগে দেখা গেছে একই ব্যক্তির কাছ থেকে একাধিকবার ও অতিরিক্স ট্যাক্স আদায় করা হয়েছে।

এলাকার সর্ব সাধারণ প্রতিকার চেয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। এ বিষয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারী ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের হাজী ছফিল উদ্দিন গং সহ ১৪ জন এবং ২৮ ফেব্রুয়ারী শ্রীঘর গ্রামের অনু মিয়া গং সহ ৫জন মিলে নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরারর লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ৬ মার্চ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ লিয়াকত আলী বিষয়টি সরেজমিন পরিদর্শনে ইউনিয়ন পরিষদে যান। পরিদর্শন কালে দেখা গেছে জেলা প্রশাসক ব্রাহ্মণবাড়িয়া কর্তৃক ট্যাক্স এ্যাসেসমেন্ট অনুমোদন ব্যতিরেকে ইউপি চেয়ারম্যান বিধি বহির্ভূতভাবে ৩২টি রশিদ বহির মাধ্যমে উল্লেখিত টাকা গুলো আদায় করে।

আদায়কৃত টাকা থেকে ৭ লক্ষ ১ হাজার ১ শত ৬৩ টাকা সোনালী ব্যাংকভনাসিরনগর শাখার ১৮৪৬নং চলতি হিসাবে জমা রাখে। অবশিষ্ট ৫৭ হাজার ৯শত টাকা চেয়ারম্যান ও সচিব নারায়ন চন্দ্র বিশ্বাসের কাছে পাওয়া গেছে। তদন্তে আরো দেখা গেছে, ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে ইউনিয়ন পরিষদের সভায় অনুমোদন করে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি জারি করে, চেয়ারম্যান এ,টিএম মোজাম্মেল হক সরকার (মুকুল) ব্যক্তিগত ভাবে তার কার্যালয় থেকে ১৯ জানুয়ারী ২০১৭ তারিখে ৭নং স্মারকে মোঃ নুরুজ্জামান, মোঃ মিন্টু মিয়া, মোঃ দ্বীন ইসলাম, মোঃ লিমন মিয়া, মোঃ মেনহাজুল ইসলাম, মোঃ শাহিনুর রহমান, মোঃ ফাইজুল ইসলাম (নিরব) ও মোঃ আমজাদ হোসেনকে অবৈভভাবে নিয়োগ প্রদান করে তাদের মাধ্যমে হোল্ডিং ট্যাক্সের নামে সাধারণ
মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে। দেশ এগিয়ে চলেছে কিন্তু বুড়িশ্বর ইউপি চেয়ারম্যান ট্যাক্সের নামে এরূপ চাঁদা আদায়ের কারণে সরকারের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন হতে চলেছে।

স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ৩৪ ধারা মতে কোন চেয়ারম্যান কর্তৃক ক্ষমতা প্রয়োগ,পরিষদের স্বার্থের পরিপন্থি অথবা প্রসাশনিক দৃষ্টি কোনে সমীচিন না হলে সরকার লিখিত আদেশের মাধ্যমে চেয়ারম্যানকে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করার বিধান রয়েছে। স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯এর ৩৪ ধারার উপ ধারা মতে একজন চেয়ারম্যান তার স্বীয় পদ হতে অপসারণ যোগ্য হবেন, যদি তিনি পরিষদ বা রাষ্ট্রের স্বার্থের হানিকর কোন কার্যকলাপে জড়িত থাকেন। দুর্নীতি বা অসদারচারণ বা নৈতিক স্থলজনিত কোন অপরাধে দোষি সাব্যস্ত হয়ে দন্ডপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন।

অসৎ আচরণ বা ক্ষমতার অপব্যবহারের দোষে দোষী হলে অথবা পরিষদের কোন অর্থ বা সম্পত্তির কোন ক্ষতি সাধন হলে, আত্মসাতের বা অপপ্রয়োগের জন্য দায়ী হলে । এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ লিয়াকত আলী জানান, চেয়ারম্যান কর্তৃক ভয়ভীতি, হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে মিথ্যা মামলা মোকদ্দমার ভয় দেখিয়ে এলাকার দরিদ্র , অসহায় মানুষদের কাছ থেকে অবৈধভাবে হোল্ডিং ট্যাক্সের নামে চাদা
আদায়ের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ৮ মার্চ ২০১৭ তারিখে ২২৪ নং স্মারকে জেলা প্রশাসককে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। এলকার সর্ব সাধারণ অযোগ্য চেয়ারম্যানের অপসারন সহ কর্তৃপক্ষের নিকট ন্যায় বিচার প্রার্থনা করছে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ