,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

স্কুলছাত্রকে পুড়িয়ে হত্যার আলোচিত মামলা হিমাগারে

লাইক এবং শেয়ার করুন

এমএফ রহমান ফিরোজ, বিশেষ প্রতিনিধি:

বহুল আলোচিত স্কুলছাত্র সাব্বির হোসেন শান্তকে (১৩) পুড়িয়ে হত্যার মামলা এখন হিমাগারে। সাব্বিরের পিতা আমির হোসেন মুন্সি একটি মামলার সাক্ষী হবার অপরাধে গত বছরের ১১ ডিসেম্বর রাতে আমিরের বসত ঘরে আগুন লাগিয়ে নির্মমভাবে পুড়িয়ে হত্যা করা হয় শিশু সাব্বিরকে। স্কুলছাত্র সাব্বির ফরিদপুরের ভাঙ্গার ১নং ভাঙ্গা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র ছিল। ঘটনার দিন সাব্বির বাৎসরিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পরীক্ষা দিয়েছিল। সে ভাঙ্গা পৌর সদরের বাইশাখালী গ্রামের আমির হোসেন মুন্সির একমাত্র ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বহুল আলোচিত স্কুলছাত্র সাব্বির হোসেন শান্তকে (১৩) পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার পরেরদিন নিহত সাব্বিরের পিতা আমির হোসেন মুন্সি বাদি হয়ে ভাঙ্গা থানায় ৪৩৬/৩০২/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০ ধারায় একটি হত্যা মামলা (নং-২৬/১৬ইং) দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকেই চাপ সৃষ্টি হয় নিহত স্কুলছাত্রের পরিবারের উপর। আসামী পক্ষ মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ দিয়ে আসছিল নিহতের পরিবারকে। সাব্বির হত্যা ঘটনায় একাধিকবার পৌর সদরে স্থানীয়রা মানববন্ধন করেছে। মিডিয়ায় খবরটি ঢালাওভাবে প্রকাশ হয়। ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান নিক্সন চৌধুরী এমপি এবং ভাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান মো: শাহাদাৎ হোসেন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান হাবিব ঘটনাস্থলে ছুটে যান। নিহতের পরিবারকে ১লাখ টাকা অনুদান দেয়া হয়। ওইসময় দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে চারিদিকে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠলেও সে ঝড়ের গতি অদৃশ্য কারনে এখন থেমে যাচ্ছে।

 

 

হত্যা মামলায় ১৪ জনকে অভিযুক্ত করা হলেও এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি ভাঙ্গা থানা পুলিশ। আসামিরা নাকের ডগায় থাকলেও খুজে পাওয়া যাচ্ছেনা বলে পুলিশের পক্ষ থেকে মন্তব্য করা হচ্ছে। গ্রেফতার প্রচেষ্টা চলছে বলে দাবি পুলিশের।

স্থানীয়রা জানান, পুলিশের নাকের ডগায় অভিযুক্তরা ঘোরাফেরা করছে। হত্যা মামলার আসামীরা প্রকাশ্যে এলাকায় ঘুরাফেরা করার কারনে নতুন করে আলোচিত মামলা নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। অভিযুক্তদের দাবি ও এলাকাবাসির ধারনা, অভিযুক্তরা পুলিশের সাথে বিশেষ দফারফায় বাড়িতে ফিরে এসে প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করছে। তবে অভিযুক্তরা স্থানীয় জামায়াত নেতা খন্দকার লিটু’র শ্বশুর বাড়ির আতœীয় হওয়ায় লিটু অবৈধ টাকার জোরে সাব্বির হত্যা মামলাটি পুলিশ ও প্রভাবশালী এক নেতার সহযোগিতায় হিমাগারে পাঠিয়ে দিয়েছে বলেও দাবি স্থানীয়দের। নিহত সাব্বিরের পরিবার ও এলাকাবাসি উদ্বেগ প্রকাশসহ অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু ও কার্যকরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। উল্লেখ্য, সাব্বির হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভাঙ্গা থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এদের অত্যাচারে এলাকাবাসি অতিষ্ট।

 


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ