,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

বাংলাদেশ রেলওয়ে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে

লাইক এবং শেয়ার করুন

মোঃ রাজন আমান (কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি)# ভেড়ামারা বেকার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আজগর আলী (আসকর) কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা থানার সামনে এম. চাঁদ আলী শাহ্ রোডস্থ কুষ্টিয়া জেলা সাংবাদিক মোঃ রাজন আমান (০১৭২৪-৮৮৮১২৫)’র কার্যালয়ে আজ ০২/০২/১৭ তারিখ সকাল ১১:৩০ মিনিটের সময় এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, আমি কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা থানার ‘ভেড়ামারা বেকার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড’এর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আজগর আলী (আসকর)। ভেড়ামারা বেকার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড রেজিঃ নং- ০২, তারিখ-১৮/০৯/১৯৯২। সমিতির উন্নতি ও বেকারদের বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে এবং অস্বচ্ছল পরিবারের স্বচ্ছলতা ফিরানোর স্বার্থে ভেড়ামারা রেল স্টেশনের অব্যবহৃত পতিত জমির ১৫৩, ১৫৬ ও ১২৬ নং দাগে মোট ৫ একর জমির মধ্যে ২ একর জমিতে ১০৩০ ফুট লম্বা ও ১৮০ ফুট প্রস্থ জায়গা ১০ ১০ = ১০০ বর্গফুট হিসাবে মোট ৭৯০ টি দোকান ঘর নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি এবং ৩ একর জমির উপর বাস স্ট্যান্ড, রিক্সা স্ট্যান্ড, বেবি স্ট্যান্ড, বেকার অফিস, রেলওয়ে কাচারী অফিসসহ অন্যান্য হাট-বাজারের পরিকল্পনা গ্রহণ করি।

বাংলাদেশ রেলওয়ের চীফ এস্টেট অফিসার পশ্চিমাঞ্চল/রাজশাহীসহ রেলওয়ে কর্মকর্তাদের নিকট ৭৯০ টি দোকান ঘরের নামের তালিকা ১৯৯৬ সনে পেশ করি। এই ৭৯০ টি দোকান ঘরের তালিকার মধ্যে কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা, মিরপুর, দৌলতপুরসহ কুষ্টিয়া সদর থানার বেকার যুবক, শহীদ/মুক্তিযোদ্ধাহত ও পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, সাংবাদিকবৃন্দ, অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী-শ্রমিক, অবসরপ্রাপ্ত আর্মি, পুলিশ এর পরিবার বর্গের বেকারত্ব ও অস্বচ্ছলতা দূরীকরণের লক্ষে আমার ৭৯০ টি দোকান ঘরের প্ল্যানটি পাশ করা সত্বেও অদ্যাবধি ৭৯০ টি দোকান ঘরের লাইসেন্সের মধ্যে মাস্টার প্ল্যান পাশ অনুযায়ী এলোমেলো প্লটে ১৪০ টি লাইসেন্স প্রদান করেন। সে অনুযায়ী বাকি ৬৫০ টি লাইসেন্স প্রদান না করায় মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী ভেড়ামারা বেকার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের মার্কেট নির্মাণ করা সম্ভব হয় নি।

কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা থানার কলেজ পাড়া পৌর মহল্লার আবু জাহিদ পল্টু এবং ভেড়ামারা থানার ফারাকপুর গ্রামের আব্দুল বারী কার্পেন্টার বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মচারী থাকাকালীণ সময়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের স্টেট অফিস থেকে ৬৫০ টি লাইসেন্সের কপি চুরি করে এবং তারা ক্ষতিপূরণ লাইসেন্স মোটা অংকের টাকা নিয়ে লাইসেন্স প্রদান করে মার্কেটের ক্ষতি সাধন করছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে আজও পর্যন্ত বাকি ৬৫০ টি লাইসেন্স না পাওয়ায় ভেড়ামারা বেকার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড তথা বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। যার ফলে বাংলাদেশ রেলওয়ে আজ পর্যন্ত প্রায় ৩ কোটি টাকাসহ সরকারী ভ্যাট ও উৎস্যকর অর্থাৎ কোটি কোটি টাকার সরকারও রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আজগর আলী (আসকর) ভারতে ৮ নং সেক্টরে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করি ফলে দেশ রক্ষা বিভাগ কর্তৃক স্বাধীনতা সংগ্রামের সনদ পত্র পেয়েছিলাম বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অধিনায়ক মহম্মদ আতাউল গণী ওসমানী স্বাক্ষরিত।

সনদ পত্র নং ম-১১৭৪২২, বাংলাদেশ গেজেট ক্রমিক নং-২৭০৯। গত ২১/০৩/১৯৭২ সনে ন্যাশনাল মিলিটিয়া ক্যাম্প, কুষ্টিয়া সদর, কুষ্টিয়া-বাংলাদেশ এ রাইফেল জমা দিই = কে, নং- ২০৪৪, জি.বি. নং- নাই। ‘ভেড়ামারা বেকার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তাদের সাথে বহু চেষ্টা-তদবীরের ফলেও ব্যর্থ হচ্ছি, এর কারণ কি ? আমাদের সমিতির লাইসেন্স না পাওয়ার পিছনে এর মদদদাতা কে ? বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ, বাংলাদেশ রেলওয়ের কানুনগো ? বাংলাদেশ রেলওয়ের দালালেরা টাকার বিনিময়ে দোকানের ক্ষতিপূরণ লাইসেন্স প্রদান করছে এবং ক্ষতিপূরণ লাইসেন্স দিয়েই দোকান নির্মাণ করছে এলোমেলো ভাবে আমাদের পাশকৃত প্ল্যানের উপর তারা আমাদের সমিতির কোন সদস্যই না। তারা সমিতি বহির্ভূত লোক। মাস্টার প্ল্যান পাশের রেলওয়ের ডোবা/গর্ত জায়গা মাটি দিয়ে ভরাট করি। মাটি ভরাটে সমিতির খরচ হয় ৫ লাখ টাকা, যাহা বাংলাদেশ রেলওয়ের ডি.আর.এম/পাকশী’র আদেশে। বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল নক্সা নং- সিইও/পঃ/৯৬, পাকশী বিভাগ নক্সা নং ডি ই ও/ এম/৩৮/৯৬/পাকশী।

 ‘স্টেশনঃ- ভেড়ামারা’ অব্যবহৃত রেলওয়ে ভূমির উপর সুপার মার্কেট স্থাপনের জন্য ভেড়ামারা বেকার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের অনুকূলে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মার্কেটে উত্তর-দক্ষিণ সাইটে মোট ৪ টি রাস্তা, পূর্ব-পশ্চিম সাইটে ৭টি রাস্তা এবং এলজিইডি-র সড়কের পূর্ব সাইটে মার্কেটের ৫ টি রাস্তা তন্মধ্যে উত্তর-দক্ষিণ সাইটে লম্বা ১ টি রাস্তা। মার্কেটের রাস্তা গুলি সম্পূর্ণই ১০ ফিট হিসাবে প্ল্যান পাশ করা আছে।এখানে অবৈধ ভাবে জুয়া খেলা ,অবৈধ নারীদের নিয়ে ব্যবসা চলছে।এলাকায়মাস্তানদের দৌরাত্ত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে ।  ভেড়ামার রেলস্টেশনের উন্নয়ন চাই। রেলস্টেশনের প্ল্যাটফরম ১নং ও ২নং সমান আকারে সৌন্দর্যমন্ডিত করতে হবে। ভেড়ামারা হতে রায়টা রেলস্টেশন পর্যন্ত পূর্বের ন্যায় রেল লাইন স্থাপন করতে হবে। ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন থেকে ছেড়ে ভেড়ামারা-রায়টা হয়ে এবং রায়টা-ভেড়ামারা-দর্শনা রেলস্টেশন পর্যন্ত লোকাল যাত্রীবাহী সার্ভিস ট্রেন চালু করলে ই.পি.জেড তথা সমগ্র এলাকার জনগণ সহ ব্যবসায়িদের আর্থিক উন্নতি সহ যাতায়াতের উন্নতি সাধিত হবে। ভেড়ামারা থেকে রায়টা পর্যন্ত বাংলাদেশ রেলওয়ের সম্পত্তির উপর অবৈধভাবে ঘর-বাড়ি,দোকান নির্মাণ করে এবং নিজস্ব সম্পত্তি হিসাবের কাগজপত্র দেখিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের সম্পত্তি বিক্রি করে কিছু কুচক্রি মহল বাংলাদেশ সরকার তথা বাংলাদেশ রেলওয়ের কোটি কোটি টাকার ক্ষতি করে চলেছে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ