,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

আওয়ামী লীগ নেতা শামীমুল ইসলাম ছানাকে ডিসির শেষ ক্ষমা

লাইক এবং শেয়ার করুন

মোঃ রাজন আমান (কুষ্টিয়া প্রতিনিধি)# কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ভাতিজির বিয়ের অনুষ্ঠানে গুলি ছুড়ে উল্লাস করার ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র শামীমুল ইসলাম ওরফে ছানা ক্ষমা চাওয়ায়  জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. জহির রায়হান তাঁকে শেষবারের মতো ক্ষমা করে দিয়েছেন।গত মঙ্গলবার বিকালে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে মুচলেখা দিয়ে ক্ষমা চেয়েছেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট হাবিবুর রহমান।এদিকে, জেলার দৌলতপুর উপজেলার কামালপুর গ্রামে স্থানীয় একটি রাস্তা নির্মাণ নিয়ে বিরোধের জের ধরে গ্রামবাসীর ওপর এলোপাথাড়ি গুলি ছোড়ার ঘটনায় আওয়ামী লীগ কর্মি আবদুস সালামের শটগানের লাইসেন্স বাতিল করেছেন জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট।

গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক মো. জহির রায়হান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট হাবিবুর রহমান জানান, গুলি ছোড়ার ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা  ও ভেড়ামারা পৌরসভার মেয়র শামীমুল ইসলাম ছানা ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে একটি মুচলেকানামা দিয়েছেন। সেদিন ভুলবশত গুলি ছুড়েছিলেন এবং ভবিষ্যতে আইন লঙ্ঘন করে এ ধরনের কোনো কাজকরবেন না মর্মে হলফনামায় অঙ্গীকার করেছেন তিনি। ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করায় এবারের মতো তাঁকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে।১০ জানুয়ারি রাতে বড় ভাইয়ের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে শটগানের গুলি ছুড়ে উল্লাস করেন ভেড়ামারা পৌরসভার মেয়র শামীমুল ইসলাম। তিনি সেখানে পিস্তলও প্রদর্শন করেন। এমন দৃশ্য ফেসবুক লাইভে প্রচার করা হয়। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। ঘটনার পরের দিন থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন শামীমুল।

গুলি ছোড়ার ঘটনার পর ‘কেন তার (ছানা’র) অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হবে না’ তা জানতে  চেয়ে আওয়ামী লীগের এই নেতাকে ১৫ জানুয়ারি কারণ দর্শানোরনোটিশ দেন  জেলা প্রশাসক জহির রায়হান। ২৩ জানুয়ারি  জেলা প্রশাসকের কাছে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দেন শামীমুল। তারপর তাকে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে মুচলেকানামায় ক্ষমা চাওয়ার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছিল।অপরদিকে ২২ জানুয়ারি দৌলতপুর উপজেলার কামালপুর গ্রামে গ্রামবাসীর ওপর এলোপাথাড়ি গুলি ছোড়েন স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মি আবদুস সালাম। এতে ২০ জন আহত হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ তাঁকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। তার অস্ত্রটিও জব্দ করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে দুটি মামলাও হয়।গতকাল বুধবার রাত সাড়ে আটটায় জেলা প্রশাসক মো. জহির রায়হান বলেন, পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আবদুস সালামের অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ