,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

শেরপুরে খনন করা খাল দখলের অভিযোগ

লাইক এবং শেয়ার করুন

আবু জাহের, শেরপুর (বগুড়া) :
বগুড়ার শেরপুরে সরকারি ভাবে খাল খননের পর দখল হয়ে যাচ্ছে ঝাঁজর-পারভবানীপুর খাল। খাল সংশ্লিষ্ট সমিতির সদস্যরা এই অভিযোগ করেছেন। সমিতির নেতৃবৃন্দর দাবি প্রায় একসপ্তাহ ধরে স্থানীয় দুজন খালের প্রায় আধা কিলোমিটার দখল করে ধান চাষ শুরু করেছেন। তারা হলেন, ঝাঁজর গ্রামের অবিনাশ চন্দ্র দাস ও উপজেলার বৃন্দাবনপাড়া গ্রামের দুলাল চন্দ্র সরকার।

ঝাঁজর-পারভবানীপুর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম জানান, ওই দুজন দখল করে নেওয়া খালের মালিকানা দাবি করে গত একসপ্তাহে খালের প্রায় দেড়কিলোমিটার দখল করেছেন। এরমধ্যে প্রায় আধা কিলোমিটারজুরে বোরো ধানের চারা রোপন করেছেন। অবিনাশ চন্দ্র দাস ও দুলাল চন্দ্র সরকার জানান, দখলে নেওয়া অংশটুকু তাদের কেনা সম্পত্তি। সরকারি খাস বা খাল নয়।

 

বিগত বছরেও তারা ধান চাষ করেছেন। এবারও করছেন। তাদের সম্পত্তিতে খান খনন করা নিয়ে তারা আদালতে মামলা করেছেন। মামলাটি এখন বিচারাধীন রয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত¡াবধায়নে অংশগ্রহণমূলক ক্ষুদ্রাকার পানিসম্পদ সেক্টর প্রকল্পের আওতায় গতবছরের (২০১৬) মার্চ মাসে ঝাঁজর-পারভবানীপুর সাত কিলোমিটার খালের খনন কার্যক্রম শুরু হয়। খনন কার্যক্রম শেষ হবে আগামি ফেব্রæয়ারি মাসে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৬ লাখ টাকা। ওই খালটি খননে সংশ্লিষ্ট ইউপি ও উপজেলার পরিষদের অনুমোদন রয়েছে।

 

এই অনুমোদনের পর ওই মরা সরকারি খালটি খনন কার্যক্রম শুরু করা হয়। ঝাঁজর-পারভবানীপুর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি শাহাদৎ হোসেন জানান, এই দখল প্রক্রিয়া নিয়ে তাঁরা গত মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) দপ্তরে ও উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা (ইউএনও) কে জানিয়েছেন। খাল দখল কার্যক্রম এখনো বন্ধ হয়নি। প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা (ইউএনও) একেএম সরোয়ার জাহান বলেন, খনন খালের এই দখলের ঘটনা নিয়ে তাঁকে জানানো হয়েছে। এব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ