,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

লক্ষ্মীপুর-ভোলা নৌরুটে নাব্যতা সংকট ও ফেরি স্বল্পতায় ২২ জেলার যাত্রীদের চরম দূর্ভোগ

লাইক এবং শেয়ার করুন

কিশোর কুমার দত্ত, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্রগ্রামের সাথে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ২২টি জেলার সহজ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের লক্ষ্যে চালু  হয় লক্ষ্মীপুর-ভোলা মজু চৌধুরী হাট ফেরি সার্ভিস। ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারীতে  কস্তুরী, কামেনী ও কিশোরী নামের ৩ টি ফেরি দিয়ে দীর্ঘ ২৮ কিলোমিটার নৌ পথের যাত্রী সেবা কার্যক্রম শুরু করে বি.আই.ডব্লিউ.টি.সি। বর্তমানে কৃষানী ও কনক চাপা নামের দুটি ফেরি দিয়ে ঢিমে তালে চলছে কার্যক্রম। কখনো কখনো যান্ত্রিক ত্রুটিতে ফেরি কিকল হয়ে ভোগান্তি বাড়ে বহু গুণ।

এতে করে যেমন এই রুটে ফেরির স্বল্পতা অন্যদিকে নাব্যতা সংকট ও ঘাটের পন্টুনের র‌্যামসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত লক্ষ্মীপুরের মজু চৌধুরীর হাটের এই ফেরী ঘাটটি। এতে করে লক্ষ্মীপুর-ভোলা নৌরুটে চলাচলকারী যানবাহন পারাপারের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা আটকে থাকে মজুচৌধুরী হাট ফেরী ঘাটে। ফলে যাত্রীদের পোহাতে হয় চরম দূর্ভোগ। আর ঘাটে পণ্যবাহী ট্রাক পড়ে থাকে দিনের পর দিন। এই অবস্থায় ওই রুটে চলাচলকারী দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২২টি জেলার পরিবহন শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রীরা পড়েছেন চরম বিপাকে। এসব সমস্যার কথা অকপটে স্বীকার করে সমাধানে কাজ চলছে বলে জানালেন বি.আই.ডব্লিউ.টি.সি’র  স্থানীয় কর্মকর্তা।

লক্ষ্মীপুর-ভোলা নৌরুটে পর্যাপ্ত ফেরি না থাকায় পারাপারের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা মজুচৌধুরী হাট ফেরী ঘাটে অপেক্ষা করে হয় বলে জানালেন সাধারণ যাত্রীদের। তারা আরো জানান, ফেরি ঘাটের র‌্যাম ছোট হওয়া নদীতে ভাটার সময়ে গাড়ী উঠা নামা করতে আটকা পড়ে। এতে তাদের দুর্ভোগ আরো বেড়ে যায়।    

পরিবহন শ্রমিকদের অভিযোগ, অনিয়মতান্ত্রিক সার্ভিস ও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় মজুচৌধুরীর হাট ফেরি ঘাট এলাকায় প্রতিনিয়ত শত শত যানবাহন আটকা পড়ে থাকে। যথা সময়ে যানবাহন পারাপার না হওয়ায় ভোগান্তির শিকার হন তারা। চাহিদা অনুযায়ী ফেরি না থাকায় দিনের পর দিন তারা অপেক্ষমান থাকতে হয় বলেও জানান পরিবহন শ্রমিকরা।

মেঘনার জোয়ার-ভাটার কারনে রাস্তা ও ঘাটের পন্টুন অসমতল হয়ে পড়া ও পন্টুনের র‌্যাম ভেঙ্গে যাওয়ার পর ছোট র‌্যাম স্থাপন করায় যানবাহন গুলো অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে ফেরিতে উঠা নামা করছে। এতে করে প্রতিনিয়তই র‌্যামে আটকা পড়ে যানবাহন। দূর্ভোগ কমাতে ওই রুটে অন্তত ৪টি ফেরি সার্ভিস চালু করতে সরকারের কাছে দাবী জানান শ্রমিকরা।

এদিকে মেঘনার মোহনা লক্ষ্মীপুর এরিয়ায় ফেরি চলাচলের রান্তায় পলি জমে নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে। এতে করে ফেরি চলাচলে বিঘ্নতা ঘটছে বলে জানান কনক চাপা ফেরি সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত মাষ্টার। বি.আই.ডব্লিউ.টি.সি লক্ষ্মীপুর টার্মিনাল সুপার ভাইজার নুরের রহমান জানান, এসব সমস্যার সমাধানে কাজ চলছে বলে জানালেন বি.আই.ডব্লিউ.টি.সি’র এই কর্মকর্তা। জন দুর্ভোগ কমাতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন,এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় এলাকাবাসী’র।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ