,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

মহান মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ সাল আজ ২৩ নভেম্বর পাকহানাদার মুক্ত দিবস

লাইক এবং শেয়ার করুন

অহিদ সাইফুল,rajapur-photo-22-11-16আজ ২৩ নভেম্বর। ঝালকাঠির রাজাপুর থানা পাকহানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বরিশাল অঞ্চলের মধ্যে সর্বপ্রথম রাজাপুর থানা পাক হানাদার মুক্ত হয়। বৃহত্তর বরিশালের মধ্যে রাজাপুরে সর্ব প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। ১৪ নভেম্বরের পরে বরিশাল অঞ্চলে রাজাপুরে মুক্তিযুদ্ধ আরও তীব্র হয়।দেশীয় দোসরদের সহায়তায় পাক বাহিনী সাধারণ নীরিহ জনগনকে ধরে এনে রাজাপুর বধ্যভূমি সংলগ্ন খালের ঘাটে বেধে গুলি করে খালে ফেলে দেয়।
লাশের গন্ধে ভারী হয়ে ওঠে আকাশ বাতাস। তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতা আবুল কালাম আজাদকে জাঙ্গালিয়া নদীর পাড়ে গর্ত করে জীবন্ত মাটি চাপা দেয় পাকবাহিনীর দোসর রাজাকার বাহিনী। ১৯৭১সালের ২২ নভেম্বর দিবাগত রাতে মুক্তিযোদ্ধারা রাজাপুর থানায় আক্রমন চালায় । শুরু হয় সন্মুখ যুদ্ধ। পরের দিন ২৩ নভেম্বর সকাল ১০টা পর্যন্ত যুদ্ধ চলে। আব্দুর রাজ্জাক ও হোচেন আলী নামে ২জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন এযুদ্ধে। আহত হন কমপক্ষে ২০জন মুক্তিযোদ্ধা। এ দিনের যুদ্ধে কমপক্ষে ৩’শ মুক্তিযোদ্ধা অংশ নেন। তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধে রাজাপুর থানা কমান্ডারের দায়িত্বে ছিলেন  কেরামত আলী আজাদ। মুক্তিযুদ্ধে সারা দেশকে ১১ টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। রাজাপুর থানা ছিল বরিশাল ৯নং সেক্টরের অধীন। সাব সেক্টরের দায়িত্ব পালন করেন ক্যাপ্টেন শাহজাহান ওমর (যুদ্ধকালীন নাম ক্যাপ্টেন ওমর)। উপজেলার কানুদাসকাঠিতে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের ঘাটি তৈরী করেন। রাজাপুর থানায় সন্মুখ যুদ্ধ শুরু হলে তিনিও এ যুদ্ধে অংশ নেন এবং গুলিবিদ্ধ হন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য শাহজাহান ওমর বীরউত্তম খেতাবে ভূষিত হন।
রাজাপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে রাজাপুর প্রেসক্লাব প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও দিনব্যাপি নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। সকালে শহীদমিনারে শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে পুস্পমাল্য অর্পন করা হবে। এছাড়া আজ সকাল ১০টায়  প্রেসক্লাব চত্বর থেকে এক র‌্যালী বের করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। র‌্যালী শেষে  রাজাপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ