,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

চাঁদা তুলে রাস্তা সংস্কার এলাকাবাসীর

লাইক এবং শেয়ার করুন

পটুয়াখালী প্রতিনিধিদুই কিলোমিটার মাটির রাস্তা। ওই রাস্তা দিয়েই তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষের চলাচল। কিন্তু দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর পর্যন্ত চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী ছিল। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, চেয়ারম্যানদের দ্বারস্থ হলেও কোনো লাভ হয়নি। এ কারণে এলাকাবাসী চাঁদা তুলে রাস্তাটির নির্মাণকাজ শুরু করেছেন। গত শনিবার থেকে আজ সোমবার পর্যন্ত এই তিন দিনে বালু ভরাটের কাজ শেষ হয়েছে।

 

এমন চিত্র পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে কাছিপাড়া ইউনিয়নের পাকডাল গ্রামের একটি রাস্তার।
আজ দুপুরে সরেজমিনে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পাকডাল গ্রামের জয়বাংলা বাজার থেকে দর্গাবাড়ির মসজিদ পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার মাটির রাস্তাটি প্রায় সাত বছর পর্যন্ত চলাচলের অনুপযোগী। ওই দুই কিলোমিটার রাস্তা দিয়েই ৫ নম্বর পাকডাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাকডাল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও শেখ ছত্তার আলী মিয়াজী টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের দেড় হাজারের বেশি শিক্ষার্থীসহ ওই এলাকার কয়েক হাজার মানুষ ওই রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করে। বর্ষা মৌসুমে স্থানীয় লোকজন, বিশেষ করে শিশু ও নারীদের সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হয়। কিন্তু কোনো জনপ্রতিনিধি রাস্তার উন্নয়নে এগিয়ে আসেননি। এ কারণে এলাকাবাসী চাঁদা তুলে রাস্তাটি নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন।

কামরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘নির্বাচন আইলে প্রার্থীরা রাস্তাটি কইরা দেওনের কথা কইলেও অইয়া যাওনের পর আর হেই কথা মনে থাহে না। হেইয়ার লইগা আমরা চাঁদা তুইলা বালু দিয়া ভরছি। এহন চলন যাইব। আস্তে আস্তে আবার পাকাও করমু।’
সিয়াম, শোয়েব ও ইতি নামে পাকডাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী বলে, ‘বৃষ্টির সময় রাস্তায় অনেক কাদা থাকে। হেই সময় তাঁদের বিদ্যালয়ে যাইতে-আইতে অনেক কষ্ট অইতো। এহন আর কষ্ট অইবে না।’
কাছিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ‘মাত্র দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। যেহেতু এলাকাবাসী বালু ভরাট করে ফেলেছে। তবে আমি পাকা করে দেওয়ার চেষ্টা করব।’

 

লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ