,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

সারাদেশে বয়ে যাওয়া কাল বৈশাখী ঝড়ে শিশুসহ নিহত ৩

লাইক এবং শেয়ার করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় রোববার কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ ভেঙে পড়ে আনোয়ার (১০) নামে এক শিশু মারা গেছে। রোববার দিনগত রাত পৌনে ৮টার দিকে উপজেলার কাইয়ূমপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। আনোয়ার ওই গ্রামের গোলাম রাব্বানীর ছেলে এবং স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল। কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়া জেলার কয়েকটি উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে গাছপালা ভেঙে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। গ্রামে গ্রামে ঘরবাড়ি ভেঙে মানুষ আহত হয়েছেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঝড়ের তান্ডবে জেলা জজ আদালতের সামনে তিনটি বড় গাছ ভেঙে পড়ে। এছাড়া ঢাকা-আাগরতলা মহাসড়কসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক সড়কে গাছপালা ভেঙে পড়েছে। সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, জেলা সদর, কসবা, আখাউড়া, বিজয়নগর, সরাইল, নাসিরনগর ও নবীনগরের বিভিন্ন গ্রামে শত শত গাছপালা ভেঙে পড়ায় পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এছাড়াও জেলার নয়টি উপজেলা থেকেই ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

কুমিল্লা

কুমিল্লা ময়নামতি রেশমবোর্ড এলাকায় বৈশাখী ঝড়ে গাছ পড়ে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বোরবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বৈশাখী ঝড়ে ময়নামতি রেশমবোর্ড এলাকায় একটি গাছ ভেঙে পড়ে পাশের ঝুমুর গ্রামের আবদুর রশিদ ওপর ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। আবদুর রশিদ এসময় ময়নামতি সাহেবের বাজার থেকে বাজার করে বাড়ি ফিরছিলের। এদিকে বৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎতের খুটির উপর গাছ ভেঙে পড়লে জেলার অনেক স্থানে এখনো বিদ্যুৎ বিছিন্ন রয়েছে। তীব্র খরার পর চুয়াডাঙ্গায় স্বস্তির বৃষ্টি এলেও দর্শনায় গাছ চাপা পড়ে একজন মারা গেছেন।

রোববার বিকেলে হঠ্যাৎ কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। ঝড়ে ঘরের ওপর আমগাছ পড়ে দামুড়হুদা উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামের আয়াত আলী শেখের ছেলে দাউদ হোসেনের ঘরের ওপর একটি আম গাছ ভেঙে পড়ে। এ সময় দাউদ হোসেন ও তার ভাই বুদু শেখ চাপা পড়ে। তাদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে দাউদ হোসেন (৩৬) মারা যান।

এদিকে, চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, রোববার চুয়াডাঙ্গায় ৯.৬ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। গত ৬ এপ্রিল থেকে চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৩৮-৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করে। মাসব্যাপী একটানা তীব্র দাবদাহে অস্থির হয়ে পড়ে মানুষ ও প্রাণীকূল। এছাড়া নাটোরে বজ্রপাতে একজন মারা গেছেন।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ