,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

সেনাবাহিনীর কল্যাণে জীবনটা ফিইরা পাইলাম

লাইক এবং শেয়ার করুন

সেনাবাহিনীর কল্যাণে জীবনটা ফিইরা পাইলাম। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে কথাগুলো বলছিলেন আতিয়া মহল থেকে সেনাবাহিনীর কল্যাণে উদ্ধার হওয়ার পর ফায়ার বিগ্রেডের চাকুরীজীবী উজ্জ্বল ।

২২ বছরের আরেক তরুণী জানান, ‘সেখানে অনেক খারাপ অবস্থা ছিল, ভয় পেয়ে কান্নাকাটি করেছি। অনেক শব্দ হয়েছে, দরজায় ধাক্কা দিলেও খুলিনি।’ ৩৫ বছরের আরেক নারী বলেন, ‘সেনাবাহিনীর তৎপরতার জন্য আমরা বেঁচে গেছি। তাঁরা যদি আধা ঘণ্টা পরে আসত তাহলে আর কেউ বাঁচতাম না।

শামীমা নামের এক মহিলা জানালেন, বৃহস্পতিবার ভোরে বিস্ফোরণের শব্দে তাঁর ঘুম ভাঙে। এরপর বাইরে থেকে খবর পান, তাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন। দরজায় খিল এঁটে দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে পুরো এক দিন ও এক রাত কাটে খাটের নিচে বসে। ঘরে আলো জ্বালানোর সাহস পাননি। শনিবার সকালে যখন দুই শিশুসন্তান নিয়ে ফিরলেন, তখনো তাঁর আতঙ্ক কাটছিল না। দুই শিশুকে দেখিয়ে বলেন, ‘অবস্থা এমনই ছিল যে বাঁচার আশা বড়দের সঙ্গে শিশুরাও ছেড়ে দিয়েছিল!’

এদের মধ্যে ত্রিশোর্ধ্ব এক ব্যক্তি বলেন, ‘সকালে যখন হঠাৎ করে বিশাল শব্দ হলে আমাদের ঘুম ভাঙে। গ্রেনেডের শব্দে ঘুম ভাঙার পর আমার স্ত্রী ছেলেমেয়ে নিয়ে দৌড় দেয়। পরে আমি তাদেরকে ডেকে থামাই। তারপর দরজা লাগিয়ে আমরা বন্দি থাকি, উদ্ধার হওয়ার আগ পর্যন্ত আমরা বন্দি ছিলাম। সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে সেনাবাহিনী গিয়ে আমাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে।’

শনিবার সকালে সেনাবাহিনীর প্যারাকমান্ডো দলের সদস্যরা সেখানে অভিযান চালান। সারা দিনে বিভিন্ন সময়ে সেখান থেকে প্রায় ৭৮ জনকে উদ্ধার করা হয় বলে গণমাধ্যমকে সন্ধ্যায় ব্রিফিংয়ে জানান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফখরুল আহসান। উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে ৩০ জন পুরুষ, ২১ জন নারী ও ২৭ জন শিশু রয়েছে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ