,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

আদালত চত্বরে নিজের ফাঁসি চাইলেন বদরুল

লাইক এবং শেয়ার করুন

আদালতে হাজির করার সময় সাংবাদিকদের দেখে খাদিজার উপর ক্ষুব্দ হয়ে তাকে গালিগালাজ করেন বদরুল আলম বলেন,খাদিজা ‘প্রতারক, বেইমান, বিশ্বাসঘাতক’  খাদিজার মঙ্গল হোক, আমার ফাঁসি হোক, খুশি হও দেশের সবাই’ খাদিজার মতো মেয়ে হয় না, সে খুব ভালো

রবিবার বেলা ১১টার দিকে সিলেট মুখ্য মহানগর হাকিম সাইফুজ্জামান হিরোর আদালতে বদরুল আলমকে হাজির করা হয়। আদালতে খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া, মামলার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা সহ ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাহফুজুর রহমান জানান, খাদিজা হত্যাচেষ্টা মামলায় মোট সাক্ষী ৩৭ জন। এদের মধ্যে ৩২ জন সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। ১৫ ডিসেম্বর বাকী ৫ জনকে হাজির হতে বলা হয়েছে।

এর আগে ৫ ডিসেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের প্রথম দিনে আদালত থেকে নেওয়ার সময় মিডিয়ার সামনে কথা বলার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন বদরুল। সেদিন সুযোগ না পেলেও রোববার কারাগারে তোলার সময় মিডিয়াকে দেখেই খাদিজার মঙ্গল আর নিজের ফাঁসি চেয়ে চিৎকার করতে থাকেন বদরুল।

উল্লেখ্য, গত ৩ অক্টোবর সিলেট এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বদরুল আলমের চাপাতির কোপে গুরুতর আহত হন খাদিজা। প্রথমে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পর সেখান থেকে ৪ অক্টোবর তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে এনে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়। সেখানে দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে অনেকটা সুস্থ হয়ে ওঠার পর সম্প্রতি স্কয়ার থেকে সিআরপিতে নেওয়া হয় খাদিজাকে।

হামলার দিন ঘটনাস্থল থেকে বদরুল আলম আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে জনতা। আদালতে হামলার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন তিনি। বদরুলের বাড়ি সুনামগঞ্জের ছাতকে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি। এ ঘটনায় ৪ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে সাময়িক বহিষ্কার করে। পরে স্থায়ী বহিষ্কার করে। খাদিজার বাড়ি সিলেট সদর উপজেলার হাউসা গ্রামে। তাঁর বাবা মাসুক মিয়া সৌদিপ্রবাসী।

 


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ