,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

সিলেট মধ্যবিত্তের পছন্দ হাসান মার্কেট

লাইক এবং শেয়ার করুন

ঈদে চাই-ই নতুন পোশাক। ছোট বড় সব বয়সের মানুষের ঈদ আনন্দ নতুন পোশাকে। তাই পবিত্র ঈদুল ফিতর ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে সিলেট নগরীর বিপনী বিতানগুলোতে এখন উপচে পড়া ভীড়। মধ্যবিত্তের সিলেট মার্কেট হিসেবে খ্যাত হাসান মার্কেটে এখন তিল ধারণেরও ঠাঁই নেই। সকাল থেকে ভোর পর্যন্ত মার্কেট খোলা। ক্রেতাদের ভীড়ও লেগে থাকে গভীর রাত পর্যন্ত। ব্যবসায়ীরা বলছেন হাসান মার্কেটে জমে উঠেছে বেচাকেনা।

তবে কোন কোন ব্যবসায়ী বলছেন শুধু ঈদ নয়, সারা বছরই হাসান মার্কেটে ব্যবসা ভালো হয়। তবে ঈদকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীরা নতুন নতুন ডিজাইনের পোশাক নিয়ে এসেছেন। হাসান মার্কেটের ভিতরে এবং বাইরের গলিতেও বেশ বেচাকেনা হচ্ছে।

সরেজমিন হাসান মার্কেটে গিয়ে দেখা যায় প্রচন্ড ভীড়। প্রতিটি দোকানেই কেনাকাটা করতে আসা লোকজনের ভীড়। ব্যবসায়ীরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রতিটি দোকানে নিয়ে আসা হয়েছে অতিরিক্ত সেলসম্যান। হাসান মার্কেটের প্রতিটি গেইটেই রয়েছে মার্কেটের নিজস্ব নিরাপত্তা রক্ষী। ক্রেতা সাধারণ যাতে নির্বিঘেœ আসা যাওয়া করতে পারেন সে ব্যাপারে মার্কেট কর্তৃপক্ষ রয়েছেন আন্তরিক। সাদা পোশাকে কয়েকজন পুলিশ সদস্যকেও মার্কেটে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এমন একজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য বলেন, নগরীর সবগুলো মার্কেটকেই আমরা সমান গুরুত্ব দিচ্ছি। ছদ্মবেশী প্রতারক, চোর, ছিনতাইকারী এবং মহিলা চোর ধরতে আমরা কৌশলী ভূমিকায় রয়েছি। পাশাপাশি আমাদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও রয়েছেন।

আব্দুল্লাহ আল সিয়াম ফ্যাশন, বাপ্পি ফ্যাশন, জনি বস্ত্রালয়, এ কাদির ফ্যাশন, শ্রীমা ড্রেসেস, শাড়ী কর্ণার, সুরমা বস্ত্রালয়, জাহিদ ক্লথ স্টোর, আঁচল, মৌ ফ্যাশন, রুমা বস্ত্রালয়, এমাদ ক্লথ স্টোর, আরিয়ান, এশিয়া ক্লথ স্টোর, তান্নি ফ্যাশন, সন্ধানী, জোনাকি, জান্নাত ফেব্রিক্স, ময়নুল ফ্যাশন, ভাই ভাই ড্রেস, দেশ রেডিমেইড ও আলিফসহ হাসান মার্কেটে অন্তত ৫ শতাধিক দোকান রয়েছে।

ঈদ উপলক্ষে প্রতিটি দোকানেই ভাল বেচাকেনা হচ্ছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। এ কাদির ফ্যাশনের স্বত্তাধিকারী মাসুক আহমদ জানান, ব্যবসা খুবই ভাল হচ্ছে। গত দু’দিন থেকে ব্যবসা জমেছে। ব্যবসায়ীরা এখন মোটামুটি স্বস্থিতে আছেন। তবে অল্প বৃষ্টিতেই হাসান মার্কেটে হাঁটু সমান পানি জমে যাওয়ায় ক্রেতা বিক্রেতাদের দুর্ভোগের শেষ নেই। মার্কেটে পানি এবং কাঁদা জমে যাওয়ায় ক্রেতারা ঢুকতে চান না।

এ ব্যাপারে সিটি কর্পোরেশনকে বারবার অবগত করেও কোন কাজ হচ্ছে না। ব্যবসায়ীদের দাবী দ্রুত ড্রেন সংস্কার করে দেয়া জরুরী। ঈদের পরপরই এ ব্যাপারে সিটি কর্পোরেশনকে আহ্বান জানান তারা।

হাসান মার্কেটের বাইরের গলিতে প্রায় অর্ধশত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ঈদ উপলক্ষে এগুলোতেও বেশ ভালো বেচাকেনা হচ্ছে। বাইরের গলির মা ক্লথ স্টোর এর স্বত্বাধিকারী মোঃ আখতার হোসাইন দুলাল বলেন, ঈদের সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে বেচাকেনাও ভাল হচ্ছে। তবে যে পরিমান সরবরাহ সে পরিমান ব্যবসা এখনও হচ্ছে না। আশা করা যাচ্ছে শেষের দিকে বিক্রি আরো ভাল হবে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ