,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

তাহিরপুরের চাঁনপুর সীমান্তে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চুনাপাথর পাচাঁর, দেখার কেউ নেই

লাইক এবং শেয়ার করুন

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি # সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার চাঁনপুর বিজিবি ক্যাম্পের ২শত গজ সামনে অবস্থিত নয়াছড়া সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে প্রতিদিন ওপেন পাঁচার করা হচ্ছে চুনাপাথর। গত এক সপ্তাহে অবৈধভাবে ভারত থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকার চুনাপাথর পাচাঁরের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার দুপুর ১২টা সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়,চোরাচালানীরা নয়াছড়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারত শতাধিক লোক পাঠিয়ে হেমার,শাফলসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ দিয়ে চুনাপাথর ভেঙ্গে এনে প্রথমে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের জিরো পয়েন্টে মজুদ করে। পরে সেই চুনাপাথর ২০টি ট্রলি দিয়ে বিজিবি ক্যাম্পের সামনের রাস্তা দিয়ে পার্শ্ববর্তী লাউড়গড় বিজিবি ক্যাম্পের সামনে অবস্থিত যাদুকাটা নদীর তীরে নিয়ে সংরক্ষণ করছে। এরপর ইঞ্জিনের নৌকা বোঝাই করে নদীপথে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাচ্ছে। কিন্তু বিজিবি এব্যাপারে কোন ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।

এব্যাপারে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী জানান,চাঁনপুর বিজিবি ক্যাম্পের লাইনম্যান পরিচয়ধারী মাদক চোরাচালান মামলার জেলখাটা আসামী আবু বক্কর,লাল মিয়া,আবুল কালাম,আবুল কাসেম ও আলমগীর প্রতিট্রলি চুনাপাথর পাঁচারের জন্য বিজিবি ক্যাম্পের নামে ১৫০টাকা চাঁদা নিয়ে ভারত থেকে ওপেন চুনাপাথর পাচাঁর করছে। এছাড়া স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের নামে প্রতিফুট চুনাপাথর থেকে ৫টাকা চাঁদা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে প্রতিবছর কোটিকোটি টাকার রাজস্ব থেকে সরকার বঞ্চিত হলেও চাঁদাবাজরা ও চোরাচালানীরা হচ্ছে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। আর এই চোরাচালান দীর্ঘদিন যাবত চললেও দেখার কেউ নেই। অথচ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের জিরো পয়েন্ট থেকে ১৫০গজ দূরে দুই দেশের লোকজন অবস্থান করার আইনগত নিয়ম থাকলেও এখানে তা মানছে কেউ। এই সীমান্তে আইন আছে কিন্তু প্রয়োগ করার কেউ নেই।

এব্যাপারে বড়ছড়া শুল্কষ্টেশনের ব্যবসায়ী হোসেন আলী,তারা মিয়া, রজব আলীসহ আরো অনেকেই বলেন, লাইনম্যান(স্পাই) আবু বক্কর ও তার ছেলে আলমগীরের মাধ্যমে চাঁদা নিয়ে বিজিবি সদস্যরা দাড়িয়ে থেকে ভারত থেকে চুনাপাথর পাঁচারের সুযোগ দিচ্ছে, এখানে রক্ষক হয়েছে বক্ষক। চাঁনপুর সীমান্তের নয়াছড়া দিয়ে চুনাপাথর পাচাঁরের ব্যাপারে চাঁনপুর বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার হাবিলদার কবির বলেন, এব্যাপারে লেখালেখি না করে চুনাপাথর পাচাঁরকারী ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে আপনারা মিটমাট করে নিন। চাঁনপুর ক্যাম্পের সোর্স চোরাচালান মামলার জেলখাটা আসামী আবু বক্কর বলেন,আমারদের চাঁদাবাজি ও চোরাচালানের কথা পত্রিকায় লিখলে কিছুই হবেনা, কারণ আমরা সবাইকে ম্যানেজ করেই এসব কাজ করছি। সুনামগঞ্জ ২৮ ব্যাটালিয়নের বিজিবি অধিনায়ক নাসির উদ্দিন আমমেদ বলেন, চাঁনপুর সীমান্ত দিয়ে চুনাপাথর চোরাচালানে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ