,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

তাহিরপুরে এসিড নিক্ষেপের ঘটনার প্রকৃত আসাসীকে গ্রেফতারের জন্য অভিযোগ দায়ের

লাইক এবং শেয়ার করুন

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি # সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে এসিড নিক্ষেপের ঘটনার সাথে জড়িত প্রকৃত আসামীকে গ্রেফতার করে মাইটিভি ও দৈনিক মানবকণ্ঠ পত্রিকার সাংবাদিক মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়াকে অহেতুক হয়রানী থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক,সিলেট বিভাগীয় কমিশনার,সহকারী পুলিশ কমিশনার ও পুলিশ মহাপরিচালক, ঢাকার এর অনুকুলে অনুলিপি দেওয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল ১১টায় সাংবাদিক মোজাম্মেলের বাবা আব্দুর রব ভূঁইয়া বাদী হয়ে সীমান্ত চাঁদাবাজ,৪বার গণধৌলাই খাওয়া সন্ত্রাসী আজাদ মিয়া ও তার বোন মুক্তা বেগমকে আসামী করে এই অভিযোগটি দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, তাহিরপুরের বাদাঘাট বাজারে ১২বছরের এক শিশুকন্যাকে ধর্ষন ও নির্যাতনের ঘটনা ধামাচাপা দিতে গিয়ে চাঞ্চলকর এসিড মামলার সত্য ঘটনার অডিও রেকর্ড ফেসবুকে প্রকাশ এসিড মামলার বাদী আজাদ মিয়ার আপন বোন মুক্তা বেগম। প্রকাশিত অডিও রেকর্ডে মুক্তা বেগম বলেন,যে ছেলেটি আমার ভাতিজা অপুকে এসিড মেরেছে,তাকে ৭বছরের ভিতরে গ্রেফতার না করার জন্য সুনামগঞ্জের এসপিকে প্রতিমাসে ১০হাজার টাকা করে উৎকোচ দেয়া হয়। মুক্তা বেগমের স্বামী রফিক মিয়া তার বাসার ১২বছরের এক কাজের মেয়েকে যৌন হয়রানী ও নির্যাতনের ঘটনার প্রেক্ষিতে ওই শিশুকন্যার পরিবারকে ধমানোর জন্য হুমকি দিতে গিয়ে নিরপরাধ মাইটিভি ও দৈনিক মানবকণ্ঠ পত্রিকার সাংবাদিক মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়াকে মিথ্যা সাজানো মামলায় ফাঁসানোর অডিও রেকর্ডটি ফেসবুকে প্রকাশ করে।

এর আগে তাহিরপুর সীমান্তের চোরাচালান নিয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের জের ধরে সীমান্ত চাঁদাবাজ আজাদ মিয়া তার লোকজন নিয়ে মাইটিভি ও দৈনিক মানবকণ্ঠ পত্রিকার সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়ার ওপর হামলা চালিয়ে ক্যামেরাসহ অন্যান্য মালামাল ছিনিয়ে নেয়। এঘটনার প্রেক্ষিতে তাহিরপুর থানায় মামলা নিয়ে গেলে মামলাটি ওসি রেকর্ড না করায় নির্যাতিত সাংবাদিক মোজাম্মেল সুনামগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চাঁদাবাজ আজাদ মিয়া ও তার সহোদর সাজ্জাদ মিয়াসহ তাদের সহযোগী ১০জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। তারই জের ধরে আজাদ মিয়া তার ছেলে অপু মিয়ার ওপর এসিড নিক্ষেপের নাটক সাজিয়ে এই ঘটনার প্রকৃত আসামীকে আড়ালে রেখে তাহিরপুর থানার দূর্নীতিবাজ এসআই জামাল উদ্দিনের সার্বিক সহযোগীতায় নিরপরাধ সাংবাদিক মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়াকে এসিড মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়। কিন্তু প্রায় ৩ বছর পর চাঁদাবাজ আজাদ মিয়ার ছোট বোন মুক্তা বেগম তার স্বামী রফিক মিয়া কর্তৃক শিশুকন্যা ধর্ষন ও নির্যাতনের ঘটনাটি ১লক্ষ ৩০হাজার টাকার বিনিময়ে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নির্যাতিত শিশুকন্যার পরিবারকে হুমকি দিয়ে নিজের বড়ত্ব জাহির করতে গিয়ে এসিড নিক্ষেপের সত্য ঘটনাটি প্রকাশ করে দেয়।

এব্যাপারে বাদাঘাট বাজারের বাসিন্দা রহিম উদ্দিন,আহমদ আলী,রবি হোসেন,সুলতান মাহমুদ,মেহেদী হাসান,বিল্লাল মিয়া,রাসেল আহমদসহ আরো অনেকই বলেন,প্রকৃত এসিড নিক্ষেপকারীকে আড়ালে রেখে মাইটিভির নিরপরাধ সাংবাদিক মোজাম্মেলকে মামলা দিয়ে হয়রানী করার জন্য তীব্র নিন্দা জানাই সেই সাথে প্রকৃত আসামীকে গ্রেফতারের দাবী জানাই। এব্যাপারে এসিড মামলার বাদী আজাদ মিয়ার বোন মুক্তার বেগম বলেন,আমাদের হাত অনেক লম্বা,বেশি বারাবারি করলে আমার ভাই আজাদ মিয়া সবাইকে মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেবে। এব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর-রশিদ বলেন,একটা খারাপ মহিলা কি বলল তা কান দিলে চলবে না,লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমি ওসির সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ