,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

গোলাপগঞ্জ পৌরসভার নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত ৪নং ওয়ার্ডের ভাগ্য বদল

লাইক এবং শেয়ার করুন

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি: দীর্ঘ ১৪ বছর পর গত ৩০ ডিসেম্ভর নির্বাচনে গোলাপগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পরিবর্তন হওয়ায় ভাগ্য বদল হতে শুরু করেছে এই পৌরসভার নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত ৪নং ওয়ার্ডের নিজগঞ্জ, সরস্বতী ও কামারগাঁবাসীর। নতুন মেয়র সিরাজুল জব্বার চৌধুরী দায়ীত্ব নেওয়ার প্রায় ৩ মাসের মধ্যে এই ওয়ার্ডের সরস্বতী সুরমা ডাইক থেকে সরস্বতী বড়বাড়ী হয়ে ৫নং ওয়ার্ডের দাড়ীপাতন পশ্চিম পাড়া পর্যন্ত সড়কের আশেপাশে জলাবদ্ধতার দিকে নজর দেন। গত ১৪ বছরের মতো এবার আর এই এলাকায় কেউ পানি বন্দি হয়নি। এছাড়া প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যায়ে গোলাপগঞ্জ উত্তর বাজার থেকে সরস্বতী মহিলা মাদ্রাসা পর্যন্ত সুরমা ডাইক রোডটি আরসিসি পাকা করনের কাজ শুরু হয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ অতীতে পর্যাপ্ত ফান্ড নেই তাই কাজ করা যাচ্ছেনা এরকম অজুহাত দেখিয়ে ভুক্তভোগী জনগণের সাথে বারবার প্রতারনা করেছেন সাবেক মেয়র জাকারিয়া আহমদ পাপলু । অতীতের মেয়রের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ ছিলো ভোট কম পান তাই উন্নয়ন কম । এমনকি উন্নয়নের দাবী ও নাগরিক অধিকার আদায়ে বার বার প্রশ্ন তোলায় এবং পৌরসভার প্রায় সাড়ে কোটি টাকা দূর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করায় সাবেক মেয়র জাকারিয়া আহমপদ পাপলুর মামলা ও হামলার শিকার হন পৌরসভার নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের নগর সমন্বয় কমিটির সদস্য ও গোলাপগঞ্জ সাংবাদিকল কল্যাণ সমিতির সভপাতি মাহবুবুর রহমান চৌধুরী।

কিন্তু গত নির্বাচনে মাত্র সাড়ে ৩শ ভোট পেলেও এই ওয়ার্ডের নাগরিকদের সাথে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে শুরুতেই প্রায় অর্ধকোটি টাকা বরাদ্ধ দেওয়ায় নাগরিকরা যারপরনাই খুশি। সোমবার রাস্তার উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে আসেন মেয়র সিরাজুল জব্বার চৌধুরী, সিলেট জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য ও গোলাপগঞ্জ পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন, গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি আব্দুল আহাদ, গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের নগর সমন্বয় কমিটির সাবেক সদস্য মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, সমাজসেবী নাজিম সহ আরো অনেকে।

যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান চৌধুরী জানান, সাবেক মেয়র পাপলুর উচিত নতুন মেয়রের কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া। সদিচ্ছা থাকলে উন্নয়নে কোন কিছু বাধা হয়ে দাড়ায় না। এলকাবাসীর পক্ষ থেকে নতুন মেয়রকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি আরো বলেন আগের মেয়র বারবার অজুহাত দেখাতেন ফান্ড নেই কিন্তু নতুন মেয়র এই ওয়ার্ডে ভোট কম পেয়েও ৩মাসের মধ্যে যদি অর্ধকোটি টাকা বরাদ্ধ দিতে পারলেন তাহলে পাপলু কেন পারেননি। এ থেকে প্রমাণ হয় অতীতে পাপলুর কোন ইচ্ছাই ছিলনা উন্নয়নের। এই ওয়ার্ডের উন্নয়নের জন্য পাপলুর মিথ্যা মামলা ও হামলার শিকার হয়েছিলাম আজ মনে হচ্ছে এই ওয়ার্ডের ভাগ্য বদলাতে শুরু করেছে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ