,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

নন্দীগ্রামে স্কুলের রাস্তায় হাঁটুপানি : রাস্তা এখন পুকুরে পরিণত

লাইক এবং শেয়ার করুন

এম নজরুল ইসলাম, নন্দীগ্রাম(বগুড়া) সংবাদদাতা: সুশিক্ষার জন্য স্কুল আছে, তবে চলাচলের পথ নেই। বিকল্পভাবে গ্রামের ভিতরের পথ ধরে স্কুলে আসতে গেলেও জমির পাশে পুকুরে পরিনত রাস্তায় শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত হাঁটুপানির মধ্য দিয়ে চলাচল করছে। বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের বাদলাশন গ্রামের শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের প্রচেষ্টায় দানকৃত ভিটা জমিতে ১৯১৪সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বাদলাশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সেই থেকে অত্যন্ত সুনামের মধ্যদিয়ে ওই স্কুলটি বরাবরের মতই শতভাগ উপস্থিতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে সুশিক্ষার আলো জ্বালিয়ে এগিয়ে চলেছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই ওই স্কুলে যাওয়ার জন্য কোন রাস্তা নির্মান করা হয়নি। গ্রামের বসতির গলির পথ ধরে জমির আইলের উপর দিয়ে স্কুলের আসে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। স্কুলে যাতায়াতের জমির পাশের আইলের রাস্তাটি এখন পুকুরে পরিনত। রাস্তাটির (আইল) একপাশে চাষাবাদি জমি, অন্যপাশে কুনি পুকুর (ডোবা)। আইল ভেঙে চলাচলের রাস্তাটি পানিতে ভরে গেছে। প্রতিনিয়ত হাঁটুপানির মধ্যদিয়ে স্কুলে আসেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এতে করে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা চরম দূর্ভোগের শিকার হচ্ছে। পানির হাত থেকে বই বাঁচাতে হাত উপরে ধরি, হাতে রাখি বই।

হাঁটুপানি পেড়িয়ে স্কুলে স্কুলে যাই, তবুও আমাদের স্কুলের উপর কারোই দৃষ্টি নাই, এমন মন্তব্য করেছে শিক্ষার্থীরা। বর্ষা মৌসুমে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যেকোনো সময় ভাঙা রাস্তার (আইলের) হাঁটুপানিতে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে এমন শঙ্কা করছেন অভিভাবকরা। বর্তমানে বাদলাশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদানে নিয়োজিত রয়েছেন ৫জন শিক্ষক। শিক্ষার্থী রয়েছে ১৫০জন। রাস্তায় হাঁটুপানি থাকলেও ওই স্কুলে শিক্ষার্থীরা শতভাগ উপস্থিত থাকে বলে মন্তব্য করেন ওই গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য কাজেম উদ্দিন। ৫ম শ্রেনির হাসান, জিহাদী, শাহানাজ, নুপুরসহ কয়েকজন শিক্ষার্থীরা জানায়, আমরা গ্রামের স্কুলে পড়ি দেখে কী ?

আমরা পানির মধ্যদিয়ে স্কুলে যাব। অনেক শিক্ষার্থীর পায়ে ঘা (রোগ) হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীরা হাঁটুপানির মধ্যদিয়ে চলাচল করে আসছে। আমাদের খবর কেউ রাখেনা। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শিক্ষামন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছি। স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শামীমা খাতুন বলেন, বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা শিক্ষা অফিসকে অবহিত করেও সুফল পাওয়া যায়নি। স্কুলের রাস্তা না থাকায় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আমরা শিক্ষকরাও প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছি। এই দুর্ভোগ বাদলাশন স্কুলের নিত্যসঙ্গি। এপ্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসা. শরীফুন্নেসা বলেন, বিষয়টি উর্ধতন কতৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ