,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

ঝালকাঠির রাজাপুরে তীব্র তাপদাহের মধ্যে ছোট্র শিশুদের ফুটবল খেলতে বাধ্য করার অভিযোগ

লাইক এবং শেয়ার করুন

 ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঘড়ির কাটায় তখন দুপুর পৌনে ১টা।জৈষ্ঠ্য মাসের সূর্য্যটা ঠিক মাথার ওপরে। একটানা ভ্যাবসা গরমে জনমানুষ ও প্রাণীকূল একটু প্রশান্তির জন্য হাশফাশ করছে। তীব্র তাপদাহরে মধ্যে ঝালকাঠির রাজাপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠ। বুধবার দুপুরের সেই খেলায় অংশ নেয়া বেশ কয়েকটি শিশু প্রচন্ড গরমে মাঠে মধ্যেই লুটে পরতে দেখা গেছে। ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা বঙ্গমাতা ও বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্ট কমিটির এহেন অমানবিক কার্যক্রমে শিক্ষক, অভিভাবক সহ সকল মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। জাতির জনক ও তার সধর্মিনীর নামে নেয়া এ ফুটবল টুর্নামেন্টে বৈর আবহাওয়ায় মধ্যে কোমলমতি শিশুদের খেলায় অংশ নিতে বাধ্য করার ঘটনায় অভিভাবক ও শিক্ষকরা  লিখিত অভিযোগ করেছে।

অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিন রাজাপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দেখা গেছে, বুধবার দুপুর পৌনে ১টা সময় মাঠে বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফুটবল খেলা চলছে। প্রাথমিক স্কুলের শিশু শিক্ষার্থীরা রোদের প্রখরতা মধ্যে বল নিয়ে দৌড়াচ্ছে। দৌড়ের ফাকে ফাকে প্রচন্ড রোদে শিশুরা হাপাচ্ছে- হাশফাশ করছে। রোদে অনেক শিক্ষার্থী ক্লান্ত ও অসুস্থ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

খেলায় অংশ নেয়া শিশু শিক্ষার্থীরা জানান, এ্যামনিতে তো অনেক রোদ আর গরম, তার মধ্যে খেলায় তাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। মনে হচ্ছে প্রান বেরিয়ে যাবে। গতকাল বুধবার দিনভর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহনে খেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শিক্ষক ও অভিভাবকরা জানান, কয়েক দিন ধরে বহমান প্রচন্ড ভ্যাবসা গরমে মানুষ এমনিতেই কাজ ছাড়া বাইরে বের হয়না। তার মধ্যে এতো ছোট শিশুদের দিয়ে ফুটবল খেলানো এটা দুঃখজনক।

এ বিষয়ে রাজাপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রের টিএইচও ডাক্তার মাহবুবুর রহমান জানান, বর্তমানে বহমান তাপদাহ ও প্রচন্ড রোদের মধ্যে বেশী সময় থাকাটা স্বাস্থ্যের জন্য ঝুকিপূর্ন। তীব্র গরমের বেশী সময় থাকলে শিশুরা ভাইরাস জ্বর, হীট শক, সর্দি কাশি, বমি, ডায়রিয়া, মাথা বাথ্যা ও হিটস্ট্রক সহ নানা রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এধরনের পরিস্থিতিতে একান্ত প্রয়োজন ছাড়া শিশুদের বাহিরে বের না হওয়া বা বেশী সময় রোদে ছোটাছোটি না করাই ভাল বলে মনে করেন টিএইচও।

এব্যাপারে ইউএনও এবিএম সাদিকুর রহমান জানান, উপজেলার শতাধিক স্কুলের শিক্ষার্থীরা এ টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে। ‘প্রচন্ড রোদের মধ্যে খেলার বিষয়ে’ তিনি বলেন, ২ দিনের মধ্যে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ খেলা শেষ করতে বলেছে। তাই হাতে সময় না থাকায় অল্প সময়ে শিশুদের দিনভর অংশ গ্রহনের মাধ্যমে খেলা শেষ করতে হচ্ছে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ