,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র পছন্দের প্রার্থী আলহাজ্ব শামছুল ইসলাম

লাইক এবং শেয়ার করুন

অধ্যাপক আজিজুর রহমান আযম, লক্ষ্মীপুর # জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদটি জেলার সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ পদ। তাই এই পদে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা তিন তিন বারের সফল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ডটার অব পিস জননেত্রী শেখ হাসিনা এমন এক লোককে চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন দিলেন, যিনি এক সময় সরকারের ডাক সাইটে জাঁদরেল অতিরিক্ত সচিব পদে অধিষ্ঠিত থেকে অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে তাঁর উপর অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

বিশেষ করে এ কথা উল্লেখ না করলেই নয়, ১৯৯৮ সালে মহাজোটের নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ সরকার যখন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত, তথন দেশের প্রায় অধিকাংশ জেলাই ভয়াবহ বন্যার কবলে পতিত হয়। সে সময় তিনি (শামছুল ইসলাম) ত্রাণ অধিদপ্তরের ডিজি থাকায় সারাদেশে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিয়ে তৎকালিন শেখ হাসিনা সরকারের ভয়াবহ মহা দূর্যোগের মোকাবেলা করে সরকারের হাই কমান্ডের নজরে আসেন। তাঁর চাকুরী সফল সমাপ্তির পর তিনি আওয়ামীলীগের মত অত্যন্ত জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী দলে যোগদান করেন।

এক সময় সন্ত্রাসের জনপদ হিসাবে পরিচিত বহুল আলোচিত জেলা লক্ষ্মীপুরকে শান্তির জনপদে পরিণত করার লক্ষ্যে সরকার তাঁর একান্ত আস্থাভাজন, নির্ভরযোগ্য, সুদক্ষ ও প্রশাসনিক কাজে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন শামছুল ইসলামকে জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দান করেন। তিনি সরকারের সেই প্রতিদান অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়িত করার চেষ্টা করেন। তিনি জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তাঁর সুদীর্ঘ বর্ণাঢ্য চাকুরীকালিন প্রশাসনিক দক্ষতা, মেধা, সততা ও আন্তরিকতা দিয়ে লক্ষ্মীপুরে ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন যেমন- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা) ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট, পুল-কালভার্ট ব্যাপক উন্নয়ন করে তাঁর উন্নয়নের স্বাক্ষর রাখেন।

এজন্য তিনি পুরো জেলা ব্যাপী দলীয় নেতা-কর্মীদের এবং সাধারণ মানুষদের অত্যন্ত আস্থাভাজন হিসেবে সুনাম অর্জন করেন। তিনি যতদিন জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আজ পর্যন্ত দলের অথবা দলের বাইরের সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ, লক্ষ্মীপুর জেলার প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার কোন সংবাদ কর্মী অথবা লক্ষ্মীপুরের কোন নাগরিক তাঁর বিরুদ্ধে কোন দূর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, কর্মের প্রতি অনিহা, মানুষের সহিত অশোভন আচরণ বা তাঁর বিরুদ্ধে কোন নেতিবাচক কথা-বাতা আলোচনায় আসেনি বা সংবাদপত্রে হেডিং হয়নি। সনাক লক্ষ্মীপুর এর সভাপতি অধ্যক্ষ প্রফেসর মাহবুব মোহাম্মদ আলী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব প্রফেসর মাইন উদ্দিন পাঠান এর মতে, ব্যক্তি জীবনে জনাব শামছুল ইসলাম অত্যন্ত ধার্মিক, সৎ, অমায়িক এবং নীতিবান লোক।

তিনি লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামীলীগের প্রকৃত অভিভাবকও বটে। তিনি এক সময় সরকারের উচ্চ পদে আসীন থাকার সুবাধে লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক বৃন্দ (যখন যে ক্ষমতায় থাকে), পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা, উপজেলা চেয়ারম্যানরা তাঁর সততা, আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়ে তাঁকে অত্যন্ত শ্রদ্ধার চোখে দেখে থাকে। এর ফলে তিনি যখন তাদের কোন উপদেশ দেন তখন তারা তা পালন করতে সচেষ্ট থাকেন। এতে করে পুরো লক্ষ্মীপুর জেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নদী ভাঙ্গনের মত সমস্যার ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সাবেক জেলা পরিষদের প্রশাসক জনাব শামছুল ইসলাম বলেন, লক্ষ্মীপুরের অনেক সমস্যা আছে।

তবে এবং মূল সমস্যা হলো নদী ভাঙ্গন। রামগতি, কমলনগর, রায়পুর ও লক্ষ্মীপুর সদর এ চারটি উপজেলা মেঘনা নদী পরিবেষ্টিত হওয়ায় প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার এর জন্য একনেকে এর মাধ্যমে ১৯৮ কোটি ২০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এ টাকা বরাদ্দের ব্যাপারে রামগতি-কমলনগরের মাননীয় সংসদ সদস্য আবদুল্যাহ আল মামুন ও রামগতি উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট মাহবুবুর রহমান অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর মাধ্যমে যার বাস্তবায়ন চলছে। এছাড়া তিনি বলেন, লক্ষ্মীপুর জেলাকে খুব সহজে রেলপথের সাথে সংযোগ ঘটানো সম্ভব বিধায় লক্ষ্মীপুর চৌমুহনী কিংবা চাঁদপুরের সাথে মাত্র ৩০ কিলোমিটার রেলপথ সরকারের বিবেচনাধীন মর্মে তিনি জানান।

তাঁর মনোনয়নে জেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, কৃষক লীগ, বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদ, বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ, লক্ষ্মীপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতি, জেলা মহিলা লীগ, জেলা ছাত্রলীগ, জেলা জাতীয় পার্টি (এরশাদ), জাসদ ইনু, জাসদ রব, জেলা ওয়ার্কাস পার্টি, জেলা সাম্যবাদী দল, জাতীয় কবিতা পরিষদ লক্ষ্মীপুর জেলা শাখা, লক্ষ্মীপুরের সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন এনজিও, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতৃবৃন্দ তাকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনা মনোনীত করায় সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাঁর জয়ের ব্যাপারে জেলা আওয়ামীলীগের দলীয় নেতৃবৃন্দ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর জয়ের ব্যাপারে জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু ও জেলা আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী এডভোকেট নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেয়র এম.এ তাহের, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম সালাউদ্দিন টিপু সহ জেলা এবং উপজেলার অন্যান্য আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ শতভাগ আশাবাদী।

এডভোকেট নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন বলেন, সাম্প্রতিক নারায়নগঞ্জের সচেতন জনগণ যেভাবে তাদের প্রিয় আস্থাভাজন নেতা ডা: সেলিনা হায়াত আইভীকে বিপুল ভোটে মেয়র নির্বাচিত করেছেন। সেই রকম লক্ষ্মীপুরের স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিরা তাঁদের অত্যন্ত মূল্যবান ভোট শেখ হাসিনার মনোনীত অত্যন্ত পরীক্ষিত, সৎ, অভিজ্ঞ, আস্থাভাজন, এক সময়ের জাঁদরেল অতিরিক্ত সচিবকে আগামী ২৮ ডিসেম্বর আনারস মার্কায় ভোট দিয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে জয় যুক্ত শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবেন এবং তাঁর মাধ্যমে নেত্রীর নিকট লবিং করে জেলার বড় বড় অসমাপ্ত কাজ গুলো সমাপ্ত করবেন বলে লক্ষ্মীপুরের সচেতন জনগণ দৃঢ়ভাবে আশাবাদী।

অধ্যাপক আজিজুর রহমান আযম
সভাপতি, বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ, লক্ষ্মীপুর জেলা শাখা
সাংবাদিক ও কলামিষ্ট


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ