,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

রামগতিতে জমি সক্রান্ত বিরোধের জের, নারীসহ ৫জনকে পিটিয়ে জখম

লাইক এবং শেয়ার করুন

কিশোর কুমার দত্ত, লক্ষ্মীপুর # জমিজমা সক্রান্ত বিরোধের জের ধরে লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধনারীসহ ৫ জন মারাত্মক আহত হয়েছে । মঙ্গলবার (২ আগষ্ট) দুপুরে উপজেলার চরপোড়াগাছা ইউনিয়নের পূর্ব চরকলাকোপা গ্রামে এঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, বেগমরিয়া (৭০), সাকেরা খাতুন (৪০) মাইন উদ্দিন (২৫) নিয়ল (২০) ও সুরাইয়া খাতুন (২০)। এসময় নুরউদ্দিনের স্ত্রীর গলার চেইন ও তার পুত্রবধূ সুরাইয়ার কানের ঝুমকা চিনেয়ে নেয় এবং তাকে শ্লীলতা হানীর চেষ্টা করে প্রতিপক্ষের লোকজন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে রামগতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এঘটনায় রবিবার (০৭ আগষ্ট) নুর উদ্দিন বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

স্থানীয়রা জানায়, লক্ষ্মীপুর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পূর্ব চরকলাকোপা গ্রামের নুর উদ্দিন বাদী হয়ে একটি মিছ মামলায় আদালতের নির্দেশ মতে স্থানীয় ভুসি অফিসার এই গ্রামে তদন্তে যায়। তদন্ত শেষে ভুমি অফিসার চলে গেলে ওঁৎ পেতে থাকা একই গ্রামের হাফেজ আহম্মদ, সালাহ উদ্দিন, মুরাদ হোসেন, সাহাব উদ্দিন, মহি উদ্দিন, আরজু বেগমসহ ২০/২৫ জন মিলে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে নুর উদ্দিনের পরিবারের লোকজনের উপর হামলা চালায়। এতে তাদের অস্ত্রের আঘাতে নুর উদ্দিনের মা বেগমরিয়া, স্ত্রী সাকেরা খাতুন ছেলে মাইন উদ্দিন, নিয়লসহ ৫ জন মারাক্তক আহত হয়। তাদের আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হাফেজ আহম্মদ, সালাহ উদ্দিন, মুরাদ হোসেন, সাহাব উদ্দিন, মহি উদ্দিন ও তাদের সহযোগীরা পালিয়ে যায়। পালাবার সময় এ ঘটনা নিয়ে বারাবাড়ি এবং কোথাও বিচারের জন্য গেলে নুর হোসেন ও পরিবারের লোকদের হত্যা করে লাশ গুমের হুমকি প্রদান করে। বর্তমানে নুর উদ্দিনের পরিবারের লোকজন হামলাকারীদের ভয়ে অতংকে দিন-যাপন করছে।

নুর উদ্দিন জানায়, ভুমিহীনদের পূর্ণবাসন করার লক্ষে বাংলাদেশ সরকার গত দু’বছর আগে আমাকে চর পোড়াগাছা মোজায় ৯৬ শতাংশজমি বন্ধপ্রস্ত দেয়। এর পর থেকে জমিটি বোক দখল করার জন্য স্থানীয় ভুমিদুস্য হাফেজ আহম্মদ গং ও তার লোকজনরা আমাকে নানা ভাবে হয়রানী করে আসছে। এই নিয়ে আমি রামগতি থানায় অভিযোগ করি। পরে স্থানীয় কামাল পাশা, নজরুল ইসলাম, আমজাদ হোসেন, মাওলানা আবদুল অদুদ ও গিয়াস উদ্দিন মেম্বারের উপস্থিতিতে আমিন দ্বারায় আমাকে জায়গা বুঝিয়ে দেয়। এর কিছুদিন পরে আবার হাফেজ আহম্মদের পরিবারের লোকজন আমার পুকুর থেকে মাটি উত্তোলনসহ জমিতে ঘর তোলার জন্য প্রস্তুতি নিলে আমি লক্ষ্মীপুর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মিছ মামলা দায়ের করি।

পরে আদালতের নির্দেশে স্থানীয় ভুমি কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে তদন্তে যায়। তদন্ত শেষে ভুমি অফিসার চলে গেলে ওঁৎ পেতে থাকা হাফেজ আহম্মদ, সালাহ উদ্দিন, মুরাদ হোসেন, সাহাব উদ্দিন, মহি উদ্দিন, আরজু বেগমসহ ২০/২৫ জন মিলে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে হমলা চালায়। এতে আহত হয় বৃদ্ধা মা, স্ত্রী, ছেলেসহ ৫ জন আহত হয়। এসময় তারা আমার স্ত্রীর গলার ৮ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ও আমার পুত্রবধূ সুরাইয়ার কানের ঝুমকা চিনেয়ে নেয় এবং তাকে শ্লীলতা হানীর চেষ্টা করে হফেজ আহম্মদের লোকজন। এঘটনায় রবিবার (০৭ আগষ্ট) আমি বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ৮ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করি।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ