,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

৭ মার্ডারের রক্তের বিনিময়ে এক প্লেট ইফতার, এ লজ্জা কার

লাইক এবং শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধি # অর্থের অভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি ইফতার আয়োজন করতে পারেনি। এটা অন্যায় না, অপরাধটা ভিন্ন জায়গায় ওদের নিজেদের প্রয়োজনে চাঁদাবাজিতে সিদ্ধ হস্ত জেলা বিএনপির হাই প্রোফাইল নেতারা। জেলার নেতারা নিজেদের অনৈতিক সুবিধার আদায়ের জন্য সব কিছু জায়েজ করতে পারে। আশুগঞ্জ ইফতার পার্টির একটি ব্যানার আমাদের নিকট এসেছে যা ভুলে ভরা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি ৭ সদস্যের কমিটি, আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ৬ সদস্যের কমিটি। ব্যানারে নাম আছে জেলা বিএনপির ৫ জন উপজেলা বিএনপির ৩ জন। ব্যানারে ভুলে ভরা।

দীর্ঘ দিন যাবত যারা আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির মূল ধারার রাজনীতি করে এসেছে তারা কেউ আমন্ত্রিত নয়। আর এই অনুষ্ঠানের যে সভাপতি সে হচ্ছে ১৯৯৬ সালে মালিবাগ ৭ মার্ডারের অন্যতম আসামী ডাঃ এইচ বি এম ইকবালের মামা, আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি বিকৃত মানুশিকতার অধিকারী আজকেই অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে হোটেল উজান ভাটি ও হোটেল আহনার মালিক আবু আসিফ আহমেদ, যার মুল ব্যবসা হচ্ছে দেহ ব্যবসা। এই দেহ ব্যবসা করে স্থানীয় আওয়ামীলীগের সাথে আতাত করে। আর দেহ ব্যবসার টাকায় ইফতার পার্টি। যেখানে হাজারো নেতাকর্মী এক গ্লাস পানি খেয়ে ইফতার করছে, তাদের পরিবারের এক বেলা খাবার জোটে না, তাদের খোঁজ না নিয়ে দালালের টাকায় ইফতার।

এর প্রতিবাদ যারা করেছে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহিরুল ইসলাম জারু মিয়া, সিনিয়র সহ সভাপতি সাদেকুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোঃ শাহজাহান সিরাজ তাদেরকে দাওয়াত দেয়নি। ব্যানার দেখলে পরিষ্কার বুঝা যায়। ওনারা বেঁছে গেছেন সাড়া দিন রোজা রেখে কোনো হারাম খেতে হয়নি। ওনারা এক গ্লাস পানি খেয়ে ইফতার ভাঙলেও সৎ পয়সার উপার্জিত ইফতার।

জেলার নেতাদের উদ্দেশ্য করে মূলধারার নেতারা অনুরোধ করে বলেন নেতা বলেন সুদ খোর এবং দেহ ব্যবসায়ীর ইফতার বর্জন করুন। জেলা বিএনপির সভাপতি এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতি ২ জনই নিকট আত্মীয় আওয়ামীলীগের। আবু আসিফ সাহেব আমাকে শায়েস্তা করার জন্য ২০,০০,০০০/= টাকা বরাদ্ধ করেছেন। বিএনপি নেতা তাঁদের বলেন, আপনাকে এবং কচি সাহেবকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলাম জঙ্গি অর্থের যোগান দাতা হিসেবে আমি আপনাদের আইনের হাতে তুলে দিব। আর মামলা করেন না কেন এখন তো আপনার সন্তানের পিতাকে সেই প্রশ্ন সামনে চলে এসেছে। আপনি মামলা করুন আমি প্রমান করে দিব আপনার সন্তানের পিতা আপনার ভাতিজা, সমাজ আপনাকে বর্জন করেছে কুলি মুজুর আর দেহ দালাল ছাড়া সকলেই আপনাকে বর্জন করেছে।

কচি মোল্লা সাহেব আপনার আত্মীয়কে লেলিয়ে দিয়েছেন আমার পিছনে এর বিচার হবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাটিতে। ইঁদুরের গর্তে ডুকে থাকেন সুযোগ বুঝে বাহির হচ্ছেন। আসিফ সাহেব আন্দোলনের সময় পুলিশ প্রটেকশনে আপনার অফিসিয়াল গাড়ি নিয়ে ঘুরেছেন সে ছবি আমার নিকট আছে। যথা সময়ে আপনার হোটেল এ মক্ষী রানীদের নাগরের সাথে ছবি আমার ক্যামেরা বন্ধি আছে। আপনাদের অতীত ইতিহাস দেশনেত্রী বেগম জিয়া জানেন না, যথা সময়ে যথা স্থানে পৌছে যাবে। জেলার নেতৃবৃন্দকে বলছি সকলকে বলতে আমি আশুগঞ্জ বিএনপিকে বুঝিয়েছি এক টেবিলে না আনতে পারলে বর্জন করুন। শুধু মাত্র কিছু টাকার জন্য আপনারা যে ভাবে পদ পদবী বিক্রি করেন। আপনাদের লজ্জা না থকতে পারে আছে শহীদ জিয়ার সৈনিক দের তৃণমূল কর্মীদের। একবারের জন্য ও মনে হয় না আপনাদের কর্মীদের কথা।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ