,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

গণমাধ্যমের নতুন চ্যালেঞ্জ

লাইক এবং শেয়ার করুন

কিছু দিন আগে প্রথম আলোতে একটা প্রতিবেদন দেখছিলাম । বিষয়, ‘সপ্তম শ্রেণির বাংলা টেক্সটবুকে সুকুমার রায়ের কবিতা ভুল ভাবে ছাপা হয়েছে’। অবশ্য এটি আমার লেখার বিষয় নয়। আমার আগ্রহ তৈরি হয়েছিল একেবারে খবরের শেষ লাইনে। যেখানে এই ভুলের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষীয় বক্তব্য হিসেবে, জাতীয় টেক্সবুক কারিকুল্যাম বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেছেন, ফেসবুকের মাধ্যমে বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে। তিনি এখন ব্যবস্থা নেবেন। এই যে প্রচলিত যে কোন গণমাধ্যমের আগেই ফেসবুকের মাধ্যমে একটি জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় তিনি জানলেন, এটিই আমার আলোচনার বিষয়।

ইদানিং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন অনেক জরুরি খবর চলে আসছে আগেই। আগেই বলতে, আমাদের সক্রিয় প্রত্রিকা রেডিও ও টেলিভিশনে প্রচারের আগে। আগেও এমন হয়েছে । তবে গত এক দেড় দু’বছরে বিষয়টি খুব চোখে পড়ছে। গ্রামগঞ্জের মানুষের হাতে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছানোর পর আমাদের দেশে তথ্য জানার ক্ষেত্রে এসেছে এই বিশেষ বদল। এখন এক নাগরিক অন্য নাগরিককে জানিয়ে দিচ্ছেন এই মুহূর্তের তথ্য। পৃথিবীর সব দেশে দেশে অবশ্য তথ্য দেয়ার এ পদ্ধতির প্রসার আগেই হয়েছে। সেখানে এ পদ্ধতিকে বলা হয়েছে সিটিজেন জার্নালিজম বা নাগরিক সাংবাদিকতা। এখন আমরাও তাই বলছি।

আলোচনার সুবিধার জন্যে আমরা নাগরিক সাংবাদিকতার সাম্প্রতিক কয়েকটি উদাহরণ দেখে নিতে পারি। যেমন, গত বছরের বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি নানা ভাবে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রথম প্রকাশ হয়। তার পর পত্রিকাগুলো তথ্য উপাত্ত যোগাড় করে খবর প্রচার করে। কাছাকাছি সময়ে সিলেটের শিশু সামিউল এবং খুলনার রাজনের ওপর অত্যাচারের বিষয়টিও প্রথম আসে ফেসবুকে। এ দু’টি খবর পরের অন্তত দু’সপ্তাহ দেশের সবগুলো গণমাধ্যম তোলপাড় করে । তার পরের গল্প বা পরিণতি নিশ্চই আমাদের সবার জানা ।

এখন বলাই যায় যে ফেসবুক থেকে পাওয়া বহু তথ্য সাংবাদিকরা প্রাথমিক সূত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন। আর অন্যদিকে যিনি সাংবাদিক নন, তিনি জানছেন তথ্যটি। পরে গণমাধ্যমে প্রকাশের পর যাচাই করে নিচ্ছেন । তাহলে আপাতত বলার জন্যে আমরা ধরতে পারি, এক নাগরিক অন্য নাগরিককে যখন তাৎক্ষণিক কোন তথ্য দিচ্ছেন, সেটি নাগরিক সাংবাদিকতা হয়ে উঠছে। কিন্তু সূক্ষ্ম বিশ্লেষণে বের হয়ে আসছে নানা প্রশ্ন। আর সেই প্রশ্নগুলো এমনই বাস্তবসম্মত যে, তাকে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। কারণ সেই প্রশ্নের ব্যাখ্যা না পেলে গোটা বিষয়টি থেকে যাচ্ছে অন্ধকারে।

পাঠক লক্ষ্য করুন, নাগরিক থেকে নাগরিককে তথ্য দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে। এক সঙ্গে একই তথ্য পাচ্ছে অনেক মানুষ। যে কারণে এটি আর সাধারণ কথা থাকছে না । একে বলতে হচ্ছে সাংবাদিকতা । আর সাংবাদিকতা শব্দটি যোগ হওয়ার সঙ্গে এক সঙ্গেই তিনটি প্রশ্ন উঠছে। প্রথমত কোন নাগরিক তথ্য দিলেই কী সাংবাদিকতা হয়ে উঠবে? আর এতক্ষণ আমরা কথা বলছিলাম ফেস বুকে তথ্য দেয়া নিয়ে। তাহলে কী নাগরিক সাংবাদিকতা হতে হলে তথ্য দেয়ার মাধ্যম হবে ফেসবুক ? তাছাড়া ফেসবুকে তো মানুষ নানা ধরনের মতামত প্রকাশ করে। তার সবগুলিই কী নাগরিক সাংবাদিকতা ?

ফেসবুকে জনৈক মানবতা বিরোধী অপরাধীকে চাঁদে দেখার গুজব রটেছিল, নিশ্চই বিষয়টি সবাই জানেন। সেটা নিয়ে হয়েছিল তাণ্ডব, সহিংসতা। এরকম নানা গুজব প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় ফেসবুকে। এক নাগরিক অন্য নাগরিককে তথ্য দিলেই যদি নাগরিক সাংবাদিকতা হয়, তাহলে ওই গুজবটিকেও সাংবাদিকতা বলতে হবে। কিন্তু সাংবাদিকতার মূলনীতী অনুযায়ী গুজবকে সাংবাদিকতা বলার কোন সুযোগ নেই। তাহলে তো তথ্য দিলেই নাগরিক সাংবাদিকতা হচ্ছে না। আর এখানেই সাংবাদিকতা হওয়ার জন্যে প্রথম শর্ত প্রতিষ্ঠা হচ্ছে, “যে তথ্য দিতে হবে শুরুতেই তার একটা বিশ্বাসযোগ্য কাঠামো থাকতে হবে”। কোন অলীক অদৃশ্য বা ভাববাদি বিষয় নিয়ে আর যাই হোক সাংবাদিকতা হবে না।

একই রকমভাবে আমরা বলতে পারি, পত্রপত্রিকায় পাঠকের লেখা ছাপা হওয়া অনেক পুরোনো রেওয়াজ। সেই লেখাতেও নানা নতুন তথ্য থাকছে। যে কারণে সেটাকেও নাগরিক সাংবাদিকতা বলতে হবে । গোটা পৃথিবীতে এমন বহু বিখ্যাত পত্রিকা আছে যার মূল সাংবাদিক পাঠক। অবশ্য এমন পত্রিকা বাংলাদেশেও আছে।  শুধু কী পত্রিকা? টেলিভিশনেও পাঠকের তোলা ছবি প্রচারের ব্যবস্থা আছে। কোন কোন টেলিভিশন ঘোষণা দিয়ে দর্শকের কাছে ছবি চায় প্রচার করার জন্যে। সুতরাং দ্বিতীয় প্রশ্নের জবাবে আমরা বলতে পারি, যে কোন মাধ্যমে, পেশাদার সাংবাদিক নন এমন কেউ যদি কোন তথ্য বা ছবি প্রচার করার জন্যে দেন এবং সেটা যদি প্রচার হয় তাহলেই সেটা নাগরিক সাংবাদিকতা হয়ে উঠবে।

আজকের নাগরিক জীবনে ফেসবুক মোটামুটি প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ। যে কারণে এই লেখায় বার বার ফেসবুকের কথা আসছে। আজ কাল ফেসবুকে নানা আন্দোলন গড়ে উঠতে দেখি। ফেসবুকে একে অন্যকে ব্যক্তিগত শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এমন কী একদিন মন খারাপ থাকলেও সেটাও ভাগ করে নিচ্ছি। নিজের প্রচারের জন্যেও ফেসবুক ব্যবহার করছি কখনো কখনো। এর মধ্যেই আমরা নানা যায়গায় পাওয়া নানা অসঙ্গতি নিয়ে নানা নতুন তথ্য দিচ্ছি বন্ধুদের। আর যে কারণেই লেখার শুরুতে করা আমার তৃতীয় প্রশ্নটি  উঠছে? আমাদের সব ব্যক্তিগত আচরণ এবং নতুন তথ্য দেয়ার পদ্ধতি কী নাগরিক সাংবাদিকতার মধ্যে পড়বে? নিশ্চই নয়? এখন পর্যন্ত যে বিশ্লেষণ দেয়া হয়েছে এর থেকেই নিশ্চই ফেসবুকে ব্যক্তিগত আচরণ এবং নাগরিক সাংবাদিকতা আলাদা করতে পারবো। খুব সহজ করে যদি বলি, যে বিষয়ের মধ্যে নতুন কোন তথ্য নেই সেটা আসলে সাংবাদিকতা নয়। আর তথ্য হচ্ছে নিরেট বিষয় বা ঘটনা। সবার কাছে যার একই রুপ। কিন্তু ব্যক্তিমতের ব্যাখ্যা একেক জনের কাছে একেক রকম।

এতক্ষণ নাগরিক সাংবাদিকতার কী? তা নিয়ে এত আলোচনা করার একটি কারণ আছে। সেটি হচ্ছে আামাদের দেশে কমিউনিটি সাংবাদিকতা , নগর সাংবাদিকতা, গ্রাম সাংবাদিকতাসহ নানা নামে সাংবাদিকতার চর্চা আছে। যার বেশিরভাগ কাঠামোগত প্রকাশ নাগরিক সাংবাদিকতার কাছাকাছি। কিন্তু মৌলিক দিক থেকে একেবারেই আলাদা। তবু আলোচনা করতে গেলে একটির সঙ্গে আরেকটি গুলিয়ে যায়।

আমাদের দেশে নাগরিক সাংবাদিকতার সঙ্গে অন্যান্য সাংবাদিকতার প্রথম পার্থক্য পেশাদারিত্বের। নাগরিক সাংবাদিক বলে কোন পেশাজীবী নেই। আছে সাংবাদিক। পেশাজীবী সাংবাদিক কমিউনিটি সাংবাদিক হতে পারেন। আবার গ্রাম সাংবাদিকও হতে পারেন । হতে পারেন অন্য যে কোন শাখার। কিন্তু তিনি নাগরিক সাংবাদিক নন। কারণ নাগরিক সাংবাদিকতা আসলে দেখার সাংবাদিকতা। তিনি যা দেখেন তাই বলেন অথবা লেখেন অথবা ছবি তোলেন। আর এসবই তিনি করেন নাগরিকই দায়িত্ব থেকে ।

পার্থক্যের কথা বলতে গিয়ে আগের কথাগুলি উল্টো করেও বলা যায়। যেমন কোন ঘটনা বেশিরভাগ সময় সাংবাদিকের সামনে ঘটে না। কিন্তু কিছু নাগরিকের সামনে ঘটে। তারা যে কোন পেশাজীবী হতে পারেন। যারা ঘটনাটি ঘটতে দেখেন অথবা ঘটনার কাছে থাকেন তারাই সাংবাদিকদের নানা ভাবে তথ্যটি জানান। এদের কেউ কেউ জানান সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে। আর যে কারণে কখনই এই সাংবাদিকতার মান বা বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা যাবে না। নাগরিক যতটুকু তথ্য সংগ্রহ করতে চাইবেন বা পারবেন সেটুকুই করবেন। মোদ্দা কথা, ঘটনাই এখানে একজন পেশাজীবীকে নাগরিক সাংবাদিক তৈরি করে। ঘটনা শেষ তার সাংবাদিকতার পরিচয়েরও ইতি। তাকে সাংবাদিক হওয়ার জন্যে আবারো কোন একটি ঘটনার মুখোমুখি হওয়ার অপেক্ষা করতে হবে। যে কারণে নাগরিক সংবাদিকতা কারো পেশা হওয়ার সুযোগ নেই। তবে যারা নাগরিক সাংবাদিকতাকে মূলধারার সাংবাদিকতায় ব্যবহার করেন তাদের সুযোগ আছে কাজটি পেশাদারিত্বের সঙ্গে করার।

পেশাদারিত্বের কথা যখন উঠলোই তখন বলে রাখা ভাল এখনো নাগরিক সাংবাদিকতায় প্রাপ্তিযোগের প্রচলন হয়নি বলে আমরা বলছি নাগরিক সাংবাদিকতা পেশাদারী সাংবাদিকতা নয়। কিন্তু কোন প্রতিষ্ঠান যদি নতুন কোন তথ্য বা ছবি  পাওয়ার বিনিময়ে কোন নাগরিকের সঙ্গে অর্থের বিনিময় করেন তাহলে তো নিশ্চই দোষের হবে না? বরং ভালই হবে। কোন প্রাপ্তিযোগের সম্ভাবনা থাকলে যিনি কাজটি করবেন তিনি নিশ্চই সেটি বিক্রিযোগ্য করে তোলার চেষ্টা করবেন। অর্থাৎ আরো  মনোযোগ দিয়ে ঘটনা পর্যবেক্ষন করবেন।  ছবি তুললে চেষ্টা করবেন একটি ভাল ফ্রেম ধরার। তবে আবারো বলতে হচ্ছে, শুধু নাগরিক সাংবাদিকতা কারো সার্বক্ষণিক পেশা হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ প্রতিদিন অর্থবহ ঘটনা তার সামনে ঘটবে না। ঘটনার জন্যে তাকে অপেক্ষা করতেই হবে।

এই সময় এখন আর অস্বীকার করার সুযোগ নেই যে, আমাদের বর্তমান নাগরিক জীবনে নাগরিক সাংবাদিকতার প্রভাব অনেক বেশি। আর মূলধারার যে সাংবাদিতা সেখানে তো এর প্রভাব আছেই। তথ্য প্রযুক্তি মানুষের যত নাগালে আসছে, নাগরিক সাংবাদিকতা ততই অবাধ হচ্ছে। এর প্রভাব শক্ত হচ্ছে। যে কারণে এই চর্চাটির একটি সুষ্টু ধারা সৃষ্টির দরকার হয়ে পড়েছে । এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, এখন কী এই ধারা সুষ্ঠু নয়? উত্তর হচ্ছে, নিশ্চয়ই সুষ্ঠু । কিন্তু চর্চা যত অবাধ হবে এর মধ্যে দুষ্ট চর্চা ঢুকে পড়ার আশংকা বাড়বে।

নাগরিক সাংবাদিকতার অপচর্চার কিছু উদাহরণও এর মধ্যে তৈরি হয়েছে। কাছাকাছি সময়ের তিনটি সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের কথা আমরা জানি । রামু বৌদ্ধ বিহারে সহিংসতা, পাবনার বেড়ায় সহিংসতা এবং কুমিল্লার সহিংসতা। তিনটি ঘটনার শুরুই ফেসবুক এবং ধর্মীয় অবমাননা সংক্রান্ত। খোঁজ খবর নিয়ে শেষ পর্যন্ত দেখা গেছে যাদের নামে তথ্য প্রচার হয়েছে তারা বিষয়টি জানেনই না। প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রমাণ হয়েছে কেউ একজন বা কোন গোষ্ঠী নাগরিক সাংবাদিকতা ব্যবহার করেছেন সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্যে। এরকম আরো হাজারো অপব্যবহার এবং পরবর্তীতে খারাপ অবস্থা সৃষ্টির নজির আছে।

এই তো কিছু দিন আগে এরকম খারাপ অবস্থা সৃষ্টির আশংকায় টানা ২২দিন বন্ধ করে রাখা হয়েছিল সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম। হয়তো দরকার ছিল। হয়তো এতে অনেক বাজে পরিস্থিতি এড়ানো গেছে। কিন্তু এওতো ঠিক যে ২২দিনে অন্তত ২২টি জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সঙ্গে মানুষ যুক্ত থাকতে পারে নি। নাগরিক সাংবাদিকতার বড় মঞ্চ বন্ধের সুযোগে কতজন কত অনিয়ম করে ফেলেছেন তার হিসাব আমরা কেউ কী রাখি? পেশার প্রয়োজনে যাদের দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হয়, তারা নিশ্চয়ই আমার সঙ্গে একমত হবেন যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকেই এখন সবচেয়ে বেশি ভয় পায় যে কোন অঞ্চলের অপরাধীরা।

সুতরাং তথ্য’র অবাধ প্রবাহের সুযোগ বন্ধ করাটা সমাধান নয়। যে তথ্য আসে আসুক। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি এতে কোন ক্ষতি নেই। কারণ যারা নাগরিক সাংবাদিকতা অনুসরণ করেন তারা বুঝে করলেই হয়। সত্য মিথ্যা যাচাই করার ক্ষমতা তো এক ধরনের দক্ষতা। এই দক্ষতা যার নেই তার জন্যে মূলধারার গণমাধ্যমতো আছেই।

বলতে দ্বীধা নেই, নাগরিক সাংবাদিকতার প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে দেশের মূলধারার গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে সাংবাদিকতার চর্চার বিষয়টি আরো বেশি চ্যালেঞ্জের হয়ে উঠেছে। কারণ নাগরিক সাংবাদিকতা তাদের কাছে প্রাথমিক তথ্য। এটি ব্যবহার করতে হলে তাকে বিষয়টি যাচাই করতেই হচ্ছে। কোন একটি বিষয় আলোচিত হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে তাকে বিষয়টি আমলে আনতে হচ্ছে। খুব দ্রুত তাকেও বলতে হচ্ছে, যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা উঠেছে এটি ঠিক অথবা ঠিক নয়। কারণ সেই তখন লাখো পাঠক দর্শক শ্রোতার তথ্য যাচাইয়ের মাপকাঠি।

লেখক : বার্তা সম্পাদক, একাত্তর টেলিভিশন।
palash_ahasan2003@yahoo.com


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ