AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

মুজিব হত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের বিচার হওয়া উচিত

লাইক এবং শেয়ার করুন

জাহিদ হাসান, রিয়াদ, সউদী আরব # জাতীয় শোক দিবসকে স্মরন করে মরহুম শেখ মুজিবের একমাত্র জীবিত দুই কন্যাসহ ঘনিষ্ঠ আপনজনরা তাদের পিতা ও পিতামহের জন্য মাতম করছে ও করবে – এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ভোল পাল্টানো ও বর্নচোরা আওয়ামী সমর্থক ও সুবিধাবাদী / স্বার্থান্বেষী দালালরা পুরো আগষ্ট মাস জুড়ে শোক প্রকাশের লোক দেখানো যে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ন হয় তা অবশ্যই অস্বাভাবিক, অগ্রহনযোগ্য, বিরক্তিকর ও লজ্জাজনক। এই গোষ্টির লোকদের মধ্যে যাদের বয়স ১৯৭৫ সালে ২০-৩০ বছরের মধ্যে ছিল ১৫ই আগষ্টের দু:খজনক ও জঘন্যতম হত্যাকান্ডের পর তাদের কাউকে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ জানাতে বা রাস্তায় নামতে দেখা যায়নি, এদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা ঐ সময় সরকারী প্রশাসনে থেকে ১৫ই আগষ্টের হোতা খন্দকার মোশতাক সরকারকে সহায়তা করেছে। 

তারা এখন শেখ হাসিনা তথা আওয়ামী লীগ সরকারের গুরুত্বপূর্ন পদ ও দায়িত্ব পেয়ে মুজিব-প্রেমী সাজার অভিনয় করে যাচ্ছে। শেখ হাসিনা তথা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন বা এখন ক্ষমতায় আছে বলে এই আওয়ামী অভিনেতারা শেখ মুজিব ও তার কন্যা শেখ হাসিনার বন্দনায় পঞ্চমূখ  হয়ে উঠে যাতে এর বিনিময়ে যে কোন সুযোগ সুবিধা নেওয়া যায়, এর মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হতে সক্ষমও হয়েছে, অনেকে সুবিধা নিচ্ছে বিভিন্ন ব্যবসা-বানিজ্য ও বিনা প্রতিযোগিতায় সরকারী প্রকল্প বাগিয়ে নিতে।

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্টের পর এরা কোথায় ছিল ? ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ থেকে পাকিস্তানী সামরিক জান্তারা ছিল বাংগালীদের সবচেয়ে বড় দুশমন ও ভয়ানক শত্র“, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ পুরোপুরি সংগঠিত হওয়ার আগেই তখন শেখ মুজিবের প্রকৃত সৈনিক বাংগালীরা খালি হাতে কোন অস্ত্র ছাড়াই আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানী সৈন্যদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, রাস্তায় বেরিক্যাড দিয়ে তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করেছিল, সেদিন সেই ভয়ানক শত্র“কেও  তারা ভয় করেনি। অথচ আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকদের মতে/ভাষায় যদি ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্টের ঘটনা হাতে-গোনা কতিপয় বিপথগামী বাংগালী সেনা সদস্যের অপরাধ বা খুনের ঘটনা হয়ে থাকে তবে তাদের ভয়ে কেন আজকের আওয়ামী প্রেমীক বা মুজিব সৈনিকরা ১৫ই আগষ্টের পর রাস্তায় নামেনি, প্রতিবাদ করেনি ?

এখন বাংলাদেশের পত্র-পত্রিকা ও সকল টেলিভিশন চ্যানেলগুলো মরহুম শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনা সরকারের বন্দনা ও প্রশংসায় যেভাবে প্রতিযোগিতায় নেমেছে তাতে মনে হয় এ দেশের মানুষ সবাই আওয়মী লীগ তথা শেখ মুজিবের সৈনিক, তাহলে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের পর তাদের কেউ কোথাও ছিলনা কেন ?  মুজিবের “সাহসী” সৈনিকরা কি তখন একজনও রাস্তায় নেমে তাদের “প্রানপ্রিয়” নেতার জন্য জীবন উৎসর্গ করে “শহিদ” হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করতে পারে নাই ? তাহলে তাদের অনুসারীদের আজকের মাতম বা মুজিব-বন্দনা যথার্থ হত। কতজন এখন কতভাবে ১৫ই আগষ্টের কাহিনী বর্ননা করে ও লিখে নায়ক সাজার ও সাফাই গাওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছে।

আজকের আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থক/দোসররা বলে শুধুমাত্র কতিপয় হাতে-গোনা বিপথগামী সেনা সদস্য ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্টের ঘটনার জন্য দায়ী এবং পরবর্তিতে আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় এসে তাদের বিচার করেছে এবং অনেকের ফাঁসিও কার্যকর করেছে। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতার জনক শেখ মুজিবের মত একজন মহান নেতাকে স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় এবং আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন শুধুমাত্র কতিপয় সেনা সদস্য এমন নৃশংস ও সপরিবারে হত্যা করে রাষ্ট্রক্ষমতা তাদের নিয়ন্ত্রনে নিতে পারে ? এমন দায় এড়ানো, সান্তনামূলক ও অগ্রহনযোগ্য খোড়া/মিথ্যা যুক্তি মোটেও এবং কখনও সত্য হতে পারেনা।

প্রকৃত ঘটনা ও সত্য হল তৎকালীন আওয়ামী লীগই শেখ মুজিবের হত্যা তথা সেনা অভ্যূত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা পরিবর্তন করার জন্য দায়ী ছিল। ১৫ই আগষ্টের পর অভ্যূত্থানকারী সেনা সমর্থিত সরকারের রাষ্ট্রপ্রধান হয়েছিল আওয়ামী লীগেরই সিনিয়র নেতা ও শেখ মুজিবের মন্ত্রীসভার সদস্য খন্দকার মোশতাক আহমেদ, শুধু একজন মোশতাককেই মিরজাফর বা বিশ্বাসঘাতক উপাধী দিলে দায়ভার বা সত্যকে এড়ানো যাবেনা, তার মন্ত্রীসভার অন্যান্য প্রায় সব সদস্যই ছিল আওয়ামী লীগের নেতা। শেখ মুজিব সরকারের সময়কার ২৩৪ জন সংসদ সদস্য মোশতাক সরকারের সময়েও সংসদ সদস্য ছিল, প্রানভয়ে কিছু সদস্য দেশ ছেড়েছিল এবং গা-ঢাকা দিয়েছিল , তাদের নেতা ও জাতির জনককে হত্যা করার পরেও তারা সংসদ থেকে পদত্যাগ করেনি, বরং মুজিবের রক্তের দাগ না শুকাতেই তারা ( আওয়মী লীগাররাই ) খন্দকার মোশতাক সরকারের সংসদে বসেছিল এবং ১৬ সেপ্টেম্বর শেখ মুজিব হত্যার বিচার করা যাবেনা বলে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যরাই সংসদে বিল পাশ করেছিল-যা পরবর্তিতে জিয়া ও এরশাদ সরকারের আমলে সংবিধানে সংযোজিত হয়েছিল।

এ সত্য এখন বর্নচোরা ও নব্য আওয়ামী লীগাররা গোপন করে এজন্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে শুধু জিয়া তথা  বি,এন,পি’র উপর দোষ চাপিয়ে দায় এড়ায়। শেখ মুজিব নিহত হওয়ার পর তৎকালীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দেশের কোথাও তাদের মরহুম নেতার জন্য একটা গায়েবানা জানাজারও আয়োজন করা হয়নি। বরং তখন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা মরহুম আব্দুল মালেক উকীল বলেছিল “বাংলাদেশে ফেরাউনের রাজত্বের অবসান হয়েছে।” অর্থাৎ তাদের নেতাকে তখন তারা ফেরাউনের সাথে তুলনা করেছিল, আওয়ামী লীগের সাবেক রাষ্ট্রপতি মরহুম মুহাম্মদ উল্লাহ তখন বলেছিল “ এ পরিবর্তন অপরিহার্য ছিল।” টাংগাইলের আর এক আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও শীর্ষ নেতা মরহুম আব্দুল মান্নান খন্দকার মোশতাক সরকারের বিশেষ দূত হয়ে রাশিয়া ও পূর্ব ইউরোপের বিভিন্ন দেশ সফরে গিয়েছিল সেসব দেশের সরকারকে বুঝাতে বাংলাদেশে কেন শেখ মুজিবকে হত্যা করে রাষ্ট্রক্ষমতার  পরিবর্তন করা হয়েছে। এই ছিল ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্টের ঘটনার ব্যাপারে তৎকালীন আওয়ামী লীগের ভূমিকা। সুতরাং তাদের ভাষায় শুধু কতিপয় বিপথগামী সেনা সদস্যেরই নয় তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা ও মোশতাক সরকারের সহযোগী সরকারী কর্মকর্তাদেরও বিচার করা উচিত, তবেই হবে মুজিব হত্যার সঠিক বিচার।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্টের ঘটনা যদি কেবল কতিপয় বিপথগামী সেনা সদস্যই ঘটিয়ে থাকত তবে তখন তাদেরকে প্রতিহত বা পরাভূত করে বন্দি করার জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের সরকারী সৈন্যরা ( এমনকি পুলিশ, বি,ডি,আর ) বা সারা দেশের সবকয়টি ক্যান্টনমেন্টের সৈন্যরা এগিয়ে আসলনা কেন বিদ্রোহী সৈন্যদের আটক করতে ( যেমনটি হয়েছিল চট্টগ্রামে জিয়া হত্যার পর ) ? বরং তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল শফিউল্লাহকে শেখ মুজিব নিহত হওয়ার ৪০ মিনিট আগে স্বয়ং টেলিফোন করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলার পরেও সে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। কারণ সেনাবাহিনী তখন জেনারেল শফিউল্লাহর নিয়ন্ত্রনে ছিলনা।

উল্লেখ্য, সেই শফিউল্লাহ এখন আওয়ামী লীগের নেতা। এমনকি আওয়ামী লীগ সরকারের গদি রক্ষার জন্য তখন বিশেষ বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা রক্ষীবাহিনীর প্রায় এক লাখ সদস্যও তখন শেখ মুজিবকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারেনি, শুধু তাই নয় শেখ মুজিব ১৯৭৪ সালের এপ্রিল মাসে ৩০০০ চৌকুশ সেনা সদস্যকে দিয়ে প্রেসিডেন্টস্ গার্ড রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল উদ্দীন ছিলেন ঐ রেজিমেন্টের প্রধান, তিনিও সেদিন তার ঐ দক্ষ বাহিনী নিয়ে কোন ভূমিকা রাখতে পারেন নাই। গুলশানের হলি আর্টিজানের ঘটনায় অসতর্ক অভিযানে ২ পুলিশ কর্মকর্তা যেভাবে নিহত হয়, জে : জামিলও সেদিন সেভাবে নিহত হয়েছিলেন। এতে স্বাভাবিকভাবে যে প্রশ্নের জন্ম দেয় তা হল : তাহলে কতিপয় হাতে-গোনা বিপথগ্রস্থ সেনাবাহিনীর সদস্যরা কিভাবে পুরো সশস্ত্রবাহিনীর নিয়ন্ত্রন বা সমর্থন নিয়েছিল এবং কিভাবে তারা অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনী ও ইউনিটগুলোকে তখন এমন সক্রিয়ভাবে নিষ্ক্রীয় রাখতে সক্ষম হয়েছিল ? এক কথায় এর উত্তর হল : তারা তখন বলতে গেলে পুরো সশস্ত্রবাহিনী ও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সমর্থন পেয়েছিল।

এখানে প্রসঙ্গত বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, অতি সম্প্রতি তুরষ্কে এমন এক সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র হয়েছিল, এখানে শুধু “কতিপয় হাতে-গোনা বিপথগামী সেনাবাহিনী” এর সদস্য ছিলনা, তুরষ্ক সেনাবাহিনীর একটা বিরাট অংশ ঐ অভ্যূত্থান প্রচেষ্টায় অংশ নিয়েছিল, তুরষ্কের রাষ্ট্রপধান এরদোগান তখন ছিলেন দেশের বাইরে, দেশের বাইরে থেকে সে তার সমর্থকদের রাস্তায় বের হয়ে আসার আহ্বান জানান, লাখ লাখ সমর্থক সাথে সাথে রাস্তায় বের হয়ে অভ্যূত্থানকারী সৈন্যদের বিরুদ্ধে জীবনের ভয় না করে খালি হাতে ঝাপিয়ে পড়ে, তারা ট্যাংক ও অন্যান্য সামরিক যানবাহনের উপর ইট-পাটকেল ও জুতা-সেন্ডেল ছুড়তে থাকে, এক পর্যায়ে জনতা সেনাবাহিনীর সদস্যদের অস্ত্রসহ আটক করতে থাকে, তখন জনতার সাথে যোগ দেয় সে দেশের পুলিশ সদস্যরাও, অবশেষে অভ্যূত্থানকারী সৈন্যরা সবাই আত্মসমর্পন করতে বাধ্য হয়।

আজকের আওয়ামী লীগ ও সমর্থক/দোসরদের ১৫ই আগষ্টকে স্মরণ করে যেভাবে মায়াকাহ্না করতে দেখা যাচ্ছে তাতে মনে হয় ১৯৭৫ সালেও আওয়ামী লীগের সমর্থক ছাড়া দেশে আর কোন লোক ছিলনা, প্রকৃতই তখন জাসদ ছাড়া আওয়ামী লীগের কোন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ছিলনা। আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা তখন দেশের বাইরে ছিল বলে জীবন রক্ষা করতে পেরেছিল। আজকের আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থক/দোসরদের মতে “শেখ মুজিব মানে বাংলাদেশ” যদি তাই হয় তবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের পর শেখ মুজিবের দুই কন্যা অথবা তার দলের অন্যান্য নেতারা তুরষ্কের রাষ্ট্রপধানের মত দেশের বাইরে থেকে কেনো দেশবাসী তথা তাদের দলের সমর্থকদের রাস্তায় বের হয়ে “কতিপয় বিপথগামী সেনা সদস্য” এর অভ্যূত্থানকে প্রতিহত বা বানচাল করার ডাক দেন নাই ? 

দেন নাই, কারণ আওয়ামী লীগের প্রায় সবাই তখন ১৫ আগষ্টের ঘটনা ঘটানোর জন্য সেনা সদস্যদের সাথে হাত মিলিয়েছিল। তাছাড়া অন্যতম কারণ ছিল আওয়ামী লীগের উপর ঐ সময় সাধারন মানুষ আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিল। শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহানায়ক এ কথা অবশ্যই অনস্বীকার্য। কিন্তু নিশ্চয়ই উনি অতি মানব বা মহা মানব ছিলেননা, সাধারন মানুষের মত তারও ভুল-ভ্রান্তি হতে পারে, ১৯৭২-৭৫ সাল পর্যন্ত তার শাসনকালে দূর্নীতি, কুশাসন, আইণ-শৃংখলা পরিস্থিতি ও নৈরাজ্য এমন পর্যায়ে উন্নীত হয়েছিল শেখ মুজিব তথা আওয়ামী লীগের জনসমর্থন তখন শূন্যের কোটায় নেমে এসেছিল, ঐ সময়েই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশকে “তলাবিহীন ঝুড়ি” হিসেবে ভূষিত করেছিল।

দেশের ঐ নাজুক পরিস্থিতিকে পুঁজি করে এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বৃহৎ অংশের সমর্থন পেয়েই তখন আওয়ামী লীগারদের ভাষায় কতিপয় বিপথগামী সেনা সদস্য ১৫ই আগষ্টের ঘটনা ঘটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করতে সক্ষম হয়েছিল। তাই আজ যারা অতি মাত্রায় আওয়ামী লীগ বা মুজিব প্রেমিক সাজার চেষ্টা করছে তাদের ১৯৭৫ সালের ভুমিকা ও দায়-দায়িত্বের কথা বিবেচনা করে উল্লেখিত সেনা সদস্যদের মত তাদেরও বিচার করা উচিত। তা না হলে যুগে যুগে এরা সময়ের পরিবর্তনে ভোল পাল্টিয়ে ক্ষমতাসীনদের পক্ষে দালালী করে সুবিধা আদায় তথা দেশ ও জনগনের সাথে প্রতারনা করেই যাবে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ