,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

‘আসুন একসঙ্গে চলমান সমস্যার সমাধান করি’

লাইক এবং শেয়ার করুন

ঈদের আনন্দে নাড়ির টানে শেকড়ে ফেরে সবাই। বাঙালি মুসলমানের কাছে ঈদ মানেই প্রিয় মানুষের কাছে ফিরে যাওয়া। ঈদ এলে আম-জনতার মতো রাজনীতিকেরাও চান ঘরে ফিরতে; আত্মীয়-স্বজন, পরিবার-পরিজন ছাড়াও দলীয় নেতা-কর্মী-সমর্থকদের সান্নিধ্যে ঈদের খুশি-আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে। কেমন ছিল রাজনীতিবিদদের শৈশবের ঈদ? শৈশব ও বর্তমান সময়ের ঈদ আনন্দ নিয়ে পরিবর্তন ডটকমের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ শাহজাহান। দেশে সর্বশেষ অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ নেতা। বর্তমানে ঈদ উদযাপন করার জন্য নিজ এলাকা নোয়াখালীতে অবস্থান করছেন তিনি।

শৈশব আর বর্তমান ঈদের মধ্যে কি পার্থক্য দেখতে পান?

শৈশবের ঈদ ছিল অন্যরকম আনন্দের। সত্য বলতে কি মা-বাবা পরিবারের প্রিয় মানুষগুলোর সঙ্গে ঈদ উদযাপন করার যে আনন্দ তা বলে প্রকাশ করা যাবে না। এখন রাজনীতিসহ নানা কারণে পরিবারের সঙ্গে সব সময় ঈদ করা সম্ভব হয়ে উঠে না। তাছাড়া একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে দায়িত্ব অনেক বেড়েছে। তখন দায় দায়িত্ব তেমন ছিল না। বর্তমান সময়ের মতো এতো আনুষ্ঠানিকতা ছিল না। আর এখন একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে অনেক দায়িত্ব ও পাশাপাশি অনেক কিছুর দিকে দৃষ্টি রাখতে হয়। তাই চেষ্টা করি এলাকার মানুষের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে।

ঈদের প্রিয় খাবার?

প্রিয় খাবার বলতে তেমন কিছু নেই। তবে ঈদে সেমাই আমার প্রিয় খাবার। তাছাড়া রুটিও আমার প্রিয় খাবারের একটি।

দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি, অন্যদিকে দুই-একদিন পর মুসলমানদের পবিত্র ঈদ বিষয়গুলো আপনি কীভাবে দেখছেন?

দেশে আজ বহুদলীয় গণতন্ত্র নেই বলেই জঙ্গি, উগ্রবাদ সন্ত্রাসীরা এসব কর্মকাণ্ড করছে। অথচ বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে শান্তিপ্রিয় দেশ হিসেবে পরিচিত। তাই এই পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে সরকারকে আহ্বান জানাবো, আসুন একসঙ্গে বসে চলমান সকল সমস্যা সমাধান করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাই। আমি মনে করি রাজনৈতিক সংকট রাজনৈতিকভাবেই সমাধান করা উচিত ও করতে হবে। স্বাধীন গণতন্ত্র দেশে চালু হলেই সকল কিছুর সমাধান হবে। কিন্তু সময় চলে গেলে তা দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গলজনক হবে না।

ঈদের পর দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি শান্ত বা সমাধান হবে বলে কি আপনি মনে করেন?

দেশে বর্তমানে যা হচ্ছে তা থেকে উত্তরণের জন্য সরকারের একটি সিদ্ধান্তই যথেষ্ট। এখন সকল কিছু সরকারের ইচ্ছের উপর নির্ভর করছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সরকার দেশে শান্তি চান কিনা? এই একটি প্রশ্নের উত্তরের এর মধ্যেই সমাধান।

ঈদের শপিং কে করেছে?

সদ্য সমাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দায়িত্ব দলের পক্ষ থেকে আমাকে দেওয়া হয়েছিল। আমি চেষ্টা করেছি সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে। তাই এ কাজে তেমন সময় দিতে পারিনি। পরিবারের সদস্যরাই এ কাজ সম্পন্ন করেছে।

ঢাকায় ফিরছেন কবে?

ঈদের দুইদিন পর আশা করি ঢাকায় ফিরবো।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ