,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

“দুর্জয় বাংলার” দুর্বার পথচলা

লাইক এবং শেয়ার করুন

নাজনীন তৌহিদ # সাহিত্যের জগতে আজকাল একটি নাম বেশ শোনা যাচ্ছে, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা একটু বেশি ঘোরাঘুরি করেন তাদের কাছে বেশ একটি পরিচিত নাম “দুর্জয় বাংলা”। দুর্জয় বাংলা মূলত একটি সাহিত্য ও সামাজিক সংগঠনের নাম। মাত্র তিন বছর আগে এর যাত্রা শুরু হয়েছিল অনলাইন ভিত্তিক কিছু সাহিত্য চর্চার মাধ্যমে, আজ তাদের পথ চলা ব্যপক। ইতোমধ্যে তারা সরকারি অনুমোদন প্রাপ্ত হয়ে তাদের কার্যক্রম দেশের প্রান্তিকে ছড়িয়ে দিয়েছে। তাদের লক্ষ্য বাংলা সাহিত্যকে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে চলতে শেখা।

তাদের কাজ দেশের আনাচে কানাচে যে সকল সাহিত্য ভাণ্ডার লুকিয়ে আছে, ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে তা কুড়িয়ে এনে বাংলা ভাষাকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলা এবং সে সাথে সেই সকল মেধাবী মুখ তুলে ধরা যারা জরায় খরায় কাটায় দিন, যাদের পেটে অন্ন জোটে না তবু সাহিত্য ভান্ডারকে করে তোলে অমৃত। সেই অবহেলিত কবি সাহত্যিকদেরকে খুঁজে এনে দেশের জন্য এক একটি রত্ন তৈরি করা, যদিও কাজটি সহজ সাধ্য নয় তবু তাদের পথ চলা দুর্নিবার।

সাহিত্যের পাশাপাশি তারা দায়ভার বহন করছে আমাদের চারপাশের সামাজিক উন্নয়ন মূলক কর্মকাণ্ডেও। সামাজ কল্যাণ মূলক কাজের মধ্যে সুবিধা বঞ্চিতদের পাশে দাঁড়ান, চিকিৎসা সেবা, আইনি সেবা, শিক্ষার প্রসার ঘটানো, অসচ্ছল মেধাবীদের জন্য বৃত্তি প্রদান, অবহেলিত নারী ও শিশুদের পাশে থাকা, দুস্থ মানবতার কল্যাণে কাছে আসা, সবুজ বনায়ন তৈরি, জাতীয় সম্পদ রক্ষা ইত্য্যাদি নানা কর্মযজ্ঞের মাঝে তারা নিয়োজিত। যদিও এ সংগঠনটি একেবারেই অলাভজনক প্রতিষ্ঠান তবু ইচ্ছেকে টানা যায় পাহাড় সমান উঁচু , স্বপ্নকে আঁকা যায় আকাশের মাপেমাপে সেই প্রত্যয় নিয়েই একঝাক সাহিত্যিক, বোদ্ধাদের নিয়েই এই প্রতিষ্ঠানের পথ চলা।

তাদের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় সারাদেশে স্কুলভিত্তিক পাঠাগার স্থাপনও একটি। তাই এ যাত্রায় অতিসম্প্রতি তারা কুষ্টিয়ার স্বস্তিপুরের বেলঘরিয়ার রহিমা খাতুন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় নামক বিদ্যালয়ে একটি পাঠাগার স্থাপন করে। পাশাপাশি ছাত্রীদের মাঝে নানা ধরনের শিক্ষার অনুষঙ্গ , উপহার সামগ্রী তুলে দেয়া,স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ তাদের মাঝে সাহিত্যের পরিস্ফুটন ঘটানো এবং সে সাথে গ্রামের নিভৃতচারী কবি সাহিত্যিকদেরকে তুলে আনা এবং অসহায় , প্রতিবন্ধী কিছু মানুষের মাঝে অনুদান প্রদান করে সামাজিক দায়ভার বহন করে সামাজিক উন্নয়নে অংশ গ্রহন করে।

তাদের এযাত্রায় সঙ্গি হয়েছিল “প্রাণ”। প্রাণের জুস পেয়ে শিশুদের মাঝে যেন আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে।“দুর্জয় বাংলা সাহিত্য ও সামাজিক ফাউন্ডেশনে’র পথ চলাটা গল্পের মতো হলেও তাদের চলার গতি দুর্বার আর এ ভাবেই তারা দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ হয়ে এগিয়ে যেতে চায়। দেশের জন্য বিলিয়ে দিতে চায় সবটুকু ভালোবাসা।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ