,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

রবীন্দ্র-প্রতিভার স্পর্শে সমৃদ্ধ বাংলা সাহিত্যের প্রতিটি শাখা

লাইক এবং শেয়ার করুন

আজ বাইশে শ্রাবণ—কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৫তম প্রয়াণ দিবস। বাংলা সাহিত্যের প্রতিটি শাখাই সমৃদ্ধ হয়েছে অতুল রবীন্দ্র-প্রতিভার স্পর্শে। তার গান এক অমূল্য ভাবসম্পদ। ৮০ বছরের জীবনে রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্য-সংস্কৃতি নয়, রাজনীতি ও সমাজনীতি সব ক্ষেত্রেই দ্যুতি ছড়িয়েছেন। আনন্দ-বেদনা, প্রেম-দ্রোহের অসামান্য সব সৃষ্টি আর কর্মের মাঝে তিনি বেঁচে আছেন থাকবেন অনন্তকাল।

২২ শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ। জনসমুদ্র উত্তাল করে চলেছে কবিগুরুর শেষযাত্রা। শেষ বয়সের অসুস্থতায় তার স্থান হয়েছিল অস্ত্রোপচারের টেবিলে। কিন্তু তিন দিনের মধ্যে ইনফেকশন সারাদেহে ছড়িয়ে পড়ায় আর জ্ঞান ফেরেনি বাঙালির চিরপথচলার সাথী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের।

রবীন্দ্র-প্রতিভার সূচনা কালটা কলকাতায় জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ তাঁর জন্ম। তার কর্মদ্যোগ সৃষ্টি করেছে একটি কালের, একটি সংস্কৃতির –যেখানে এই পূর্ববঙ্গ, বাংলাদেশের পরিসর খুব বড়। কবিতা, গল্প-উপন্যাস-নাটক- বাংলা সাহিত্যে প্রতিটি শাখাই পূর্ণতা পেয়েছে তার অতুল প্রতিভার স্পর্শে। ৭০ বছর বয়সে আঁকতে শুরু করেন ছবি, আর জীবনের প্রায় পুরোটাই লিখেছেন বিভিন্ন স্বাদের ও ভাবের দুই হাজারের বেশি গান।

১৯১৩ সালে সাহিত্যে পান নোবেল পুরস্কার। তাঁর আগে কোনো বাঙালি তো বটেই, কোনো এশীয়-ই এই পুরস্কার পাননি। বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সঙ্গীত তারই রচনা থেকে নেয়া। বাঙালির যে মনন ও সৃজনশীলতা- তার বীজ রোপিত হয়েছিল রবীন্দ্রনাথের হাতেই। সেই বীজ উপড়ে ফেলার মধ্য দিয়ে বাঙালিকে আত্মপরিচয়হীন জাতিতে পরিণত করতে চেয়েছিল পাকিস্তানিরা। ১৯৭১ সেই ষড়যন্ত্রের সমুচিত জবাব। তাই কাল নিরবধিতে তিনি বাংলা ও বাঙালির সমার্থক, পথের দিশা।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ