,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

ইয়ার ভিত্তিক গবেষণার স্বীকৃতি পেল রাবির ফোকলোর বিভাগের শিক্ষার্থীরা

লাইক এবং শেয়ার করুন

জি.এ. মিল্টন, রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ফোকলোর বিভাগের ইতিহাসে এই প্রথম ফিল্ডওয়ার্কের জন্য সদনপত্র প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফোকলোর বিভাগের ১২০নং কক্ষে এ সদনপত্র প্রদান করা হয়। জানা যায়, ফোকলোর বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটাই প্রথম ফিল্ডওয়ার্কের জন্য সদনপত্র প্রদান। যা অতিতে কখনও হয়নি। তাই অনেকে এই সনদপত্র প্রদানকে ফোকলোর বিভাগের ইতিহাসে অন্যতম পাওয়া বলেও মনে করছেন। বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ৫৬জন শিক্ষার্থীর মাধ্যমে শুরু হয় এ সদনপত্র প্রদান। অনুষ্ঠানে প্রতি বছর ফিল্ডওয়ার্কের জন্য এ ধরনের সদনপত্র প্রদান যেন অব্যাহত থাকে তার জন্য বিভাগের সভাপতিকে অনুরোধ জানানো হয়।

বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী বেঞ্জিরা খাতুন বর্ষার সঞ্চালনায় সদনপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. আক্তার হোসেন, অধ্যাপক ড. মো. আবুল হাসান চৌধুরী, অধ্যাপক ড. মোবাররা সিদ্দিকা, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, ড. মো. হাবিবুর রহমান, ফারজানা রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আমরা অনেক আনন্দিত এবং উচ্ছ্বাসিত যে, আমাদের বিভাগ প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে এভাবে ক্ষেত্রসমীক্ষার জন্য কখনো কোন সনদপত্র প্রদান করেনি। এটাই বিভাগের প্রথম যে, ক্ষেত্রসমীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদেরকে সদনপত্র দেয়া হচ্ছে। আমরা আশা করি এই সনদপত্র আমাদের শিক্ষার্থীদের চাকরী বা কর্মক্ষের জন্য প্রবেশদার হিসেবে কাজ করবে।এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাশদুল ইসলাম রাসেল বলেন, ‘আমরা এই সদনপত্র পেয়ে অনেক আনন্দিত যে, আমাদের বিভাগ প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে প্রথমবারের মতো আমাদেরকে ক্ষেত্রসমীক্ষার জন্য সনদপত্র প্রদান করেছে। আমি মনে করি এই সদনপত্র আমাদের বিভিন্ন জায়গায় কাজে লাগবে। আমরা চাই যেন এই ধরনের সনদপত্র প্রতি বছরই ফোকলোর বিভাগের শিক্ষার্থীদের দেয়া হয়।

জানতে চাইলে ১৭তম ব্যাচের ফিল্ডওয়ার্কের তত্ত্বাবধায়ক ও বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারজানা রহমান বলেন, ‘প্রতিবছর তো আমরা সার্টিফিকেট দেই। আবার যদি তাদেরকে ফিল্ডওয়ার্কের জন্য চার ইয়ার চারটা সার্টিফিকেট দেয়া হয়; তাহলে তারা আরো লাভবান হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘গবেষণা ছাড়া আমাদের কিছুই কাজে দেয় না। যদি গবেষণার প্রমাণসরুপ আমরা শিক্ষার্থীদের চারটি সদনপত্র দিতে পারি তাহলে সেটা আমার মনে হয় আরো বেশি ফলপ্রসু হবে। প্রতিবছর ফিল্ডওয়ার্কের জন্য এই ধরণের সনদপত্র যেন অব্যাহত রাখা হয় সে বিষয়ে বিভাগের সভাপতির সাথে কথা বলা হয়েছে এবং তিনি প্রতিবছর দেয়া হবে বলেও আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন।’এ বিষয়ে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. আক্তার হোসেন বলেন, ‘গবেষণা ধর্মী কাজের স্বীকৃতিসরুপ আমরা তাদেরকে সদনপত্র দিয়েছি। আমরা আশা করি এই ধরনে সনদপত্র আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে বিভিন্ন কাজে সহায়তা করবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের শিক্ষকরা যদি সহায়তা করেন তাহলে আমরা প্রতিবছরই এই ধরনের গবেষণা মুলক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে শিক্ষার্থীদেরকে একটি করে সদনপত্র দিবো।’


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ