,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

রাবিতে সিট দখলে দলীয় কর্মীর কক্ষে ছাত্রলীগের তালা!

লাইক এবং শেয়ার করুন

জি.এ.মিল্টন, রাবি প্রতিনিধি : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আবাসিক হলে কক্ষ দখলে প্রতিপক্ষ গ্রুপের দলীয় দুই কর্মীর কক্ষে তালা দিয়েছে ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী। শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদারবখ্শ হলে দু’টি কক্ষ তালাবদ্ধ করে রাখা হয়। এতে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

রাবি ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদকের অনুসারী ও সিট দখলে কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয়া ছাত্রলীগ কর্মীদের দাবি- ‘ওই দুই জনের মাস্টার্স শেষ হওয়ার পরও হল না ছাড়াই প্রাধ্যক্ষের অনুমতি নিয়ে কক্ষে তালা দেয়া হয়েছে।’ তবে হল প্রাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. তাজুল ইসলাম বলছেন- ‘হলে কে থাকবে, আর কে থাকবে না; তা দেখভালের দায়িত্ব হল প্রশাসনের। ছাত্রলীগের এ বিষয়ে কোনো এখতিয়ার নেই। তারা আমার কাছ থেকে কোনো অনুমতিও নেয়নি।’ ভুক্তভোগী দুই ছাত্রলীগ কর্মী আল ইমরান ও আকতার হোসেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য সাকিবুল হাসান বাকির অনুসারী। আর তালা ঝুলানোয় নেতৃত্ব দেয়া আসাদুল্লাহিল গালিব ও কুমার অর্ক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারী।

প্রত্যক্ষদর্শী  সূত্র জানায়, মাদারবখ্শ হলের এক শয্যাবিশিষ্ট ১৩৪ ও ১৩৬ নম্বর কক্ষে থাকতেন আল ইমরান ও আকতার হোসেন। কিছুদিন আগে তাদের মাস্টার্স শেষ হওয়ায় তাদেরকে হল ছেড়ে দিতে বলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের অনুসারী গালিব ও অর্ক। সেসময় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা সাকিবুল হাসান বাকির অনুসারী ছাত্রলীগ কর্মী ও সদ্য মাস্টার্স শেষ করা ইমরান ও আকতারকে হল ছাড়ার জন্য সময়সীমা বেঁধে দেয় রাবি শাখার সভাপতি-সম্পাদক গ্রুপের জুনিয়র কর্মীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হল না ছাড়াই শুক্রবার দুপুরে দু’টি কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয় গালিব ও অর্ক। সন্ধ্যায় ১৩৬ নম্বর কক্ষ থেকে আকতারকে বের করে পছন্দের কর্মীকে উঠিয়ে দেয় তারা। বিষয়টি জানাজানি হলে পরে হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পওে রাত ১২টার দিকে রাবি ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়া ও সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে। মীমাংসা বৈঠকে ছাত্রলীগ কর্মী ইমরানকে শনিবারের (২৯ এপ্রিল) মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেয় হয়।

ছাত্রলীগ কর্মী আসাদুল্লাহিল গালিব বলেন, ‘হল প্রাধ্যক্ষের অনুমতি নিয়ে তাদের কক্ষে তালা দেয়া হয়েছে।’ মাস্টার্স শেষ হওয়ায় তাদের হল ছাড়ার বিষয়ে সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছিল। তবুও তারা যায় নি, এজন্য তালা দিয়েছি।’ তবে মাস্টার্স শেষ করা অন্য ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরাও হলে থাকছে, তাদের বের করা হচ্ছে না কেন -এমন প্রশ্নে কোনো কথা বলেন নি তিনি।

রাবি ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘ছাত্রলীগ কর্মীরা তাদেরকে হল ছাড়ার সময় অবগত করার জন্য বললেও তারা কাউকে না জানিয়ে অন্য ছেলেকে উঠায়। ছাত্রলীগ কর্মীরা (জুনিয়র) বারবার দেখা করার জন্য বললেও তারা (মাস্টার্স শেষ করা সিনিয়র কর্মী) দেখাও করেনি। এজন্য কক্ষে তালা দেয়া হয়েছিল। বিষয়টি বসে মীমাংসা করা হয়েছে।’


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ