,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

চাঁদপুর সরকারি কলেজে শিক্ষার্থী বাড়ছে শিক্ষক কমছে ১৪টি পদ শূন্য

লাইক এবং শেয়ার করুন

ইয়াসিন মাহমুদ আরাফাত # এ বছর চাঁদপুর সরকারি কলেজে বর্তমানে ১৭টি বিষয়ে অনার্স ও ১৩টি বিষয়ে মাস্টার্সসহ অন্যান্য বিভাগে মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৬২০জনে দাড়িয়েছে। এদের পাঠদানের জন্য অনুমোদিত ৮৪টি পদের বিপরিতে শিক্ষক রয়েছে মাত্র ৭০জন। শিক্ষার্থী অনুপাতে অনার্স ও মাস্টার্সের জন্য নতুন করে আরও ১০৩টি পদ সৃস্টির আবেদন করেছেন কলেজ কতৃপক্ষ। কিন্তু কোনো শিক্ষক পাওয়া যাচ্ছেনা। এতে করে শিক্ষক সল্পতায় শিক্ষা ব্যবস্থা অনেকটা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা। চাঁদপুর সরকারি কলেজে শিক্ষা ব্যবস্থায় আধুনিকায়নসহ নতুন নতুন ভবন হলেও শিক্ষকের সংখ্যা দিনদিন কমে যাচ্ছে। অপরদিকে তার বিপরিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।

জানা যায়, কলেজের ১৮টি বিভাগের মধ্যে বাংলা বিভাগে ২জন, ইংরেজি বিভাগে ১জন,অর্থনীতি বিভাগে ২জন,পদার্থবিদ্যা বিভাগে ২জন,প্রাণীবিদ্যা বিভাগে ১জন,রাস্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ২জন, দর্শন বিভাগে ৩জন,ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ২জন,ব্যবস্থাপনা বিভাগে ১জন,উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগে ১জন ও ভুগোল বিভাগে ১জন শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি রয়েছে। শিক্ষক পরিষদ নেতা আলমগীর হোসেন বাহার বলেন,এসব শূন্যপদে বিভাগীয় অন্যান্য শিক্ষকরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন,শিক্ষার্থীদের চেয়ে শিক্ষকদের বসার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। এতো চাপের মুখে থেকেও অনেক কস্ট করে হলেও শিক্ষকরা তাদের দায়িত্ব অব্যাহত রেখেছেন।

কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগে গিয়ে দেখা যায়,একটি কক্ষে প্রায় আড়াইশ শিক্ষার্থী একসাথে ক্লাশ করছে। যেখানে বসার ব্যবস্থা রয়েছে মাত্র দেড়শ শিক্ষার্থীর। ক্লাশ শিক্ষক ওই ক্লাশে সাউন্ড বক্সের সাহায্যে মাইক দিয়ে ক্লাশ নিচ্ছেন । চাঁদপুর সরকারি কলেজেন অধ্যক্ষ প্রফেসর ড.এএসএম দেলোয়ার হোসেন বলেন,শিক্ষক সংকট ও আরও ১০৩টি পদে নতুন শিক্ষক চেয়ে ২০১৩ সালে আবেদন করা হয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে । কিন্তু নতুন কোনো শিক্ষক দেয়া হচ্ছেনা । বরং প্রমোশন ও বদলী জনিত কারণে শিক্ষক সল্পতা বাড়ছে।

বর্তমানে যে কজন শিক্ষক আছেন শিক্ষার্থী অনুপাতে বিভাগ ওয়ারী অনার্সে ও মাস্টার্সে ১২জন করে শিক্ষক প্রয়োজন। কিন্তু সেখানে অর্ধেকের চেয়ে কম শিক্ষক দিয়ে প্রতিটি বিভাগ চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ ছাড়া কলেজের নতুন পরাতন ৪টি ভবনে ২৫টি শ্রেণি কক্ষ থাকলেও এতে শিক্ষার্থীরা একসাথে বসে ক্লাশ করতে পারছেনা। এ জন্য আমরা প্রস্তাবনা পাঠিয়েঠি আরও একটি ১০ তলা একাডেমিক ভবন করার। পাশাপাশি শিক্ষকদের থাকার কোনো ব্যবস্থা না থাকায় তার জন্য শিক্ষকদের আবাসাকি ভবন করারও প্রস্তাব করা হয়েছে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ