,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

গভীর রাত পর্যন্ত অবরুদ্ধ রুয়েট উপাচার্য

লাইক এবং শেয়ার করুন

জি.এ.মিল্টন, রাবি প্রতিনিধি: ন্যূনতম ৩৩ ক্রেডিট অর্জন পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) উপাচার্যকে গভীর রাত পর্যন্ত (রাত দেড়টা) অবরুদ্ধ করে রেখেছিল আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। দাবি না মানা পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানান শিক্ষার্থীরা। রুয়েট সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর দেড়টা থেকে উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। তারপর থেকেই উপাচার্যসহ শিক্ষক ও কর্মকর্তারা রুয়েটের প্রশাসন ভবনেই রয়েছেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে অবস্থান নেয় এবং ক্রেডিট প্রথা বাতিলের দাবিতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে। দুপুরে শিক্ষার্থীরা নিজেদের রক্ত ঢেলে এবং প্রশাসন ভবনে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে তখন থেকেই অবস্থান ধর্মঘট পালন করছে শিক্ষার্থীরা।

রাতে সরেজমিনে দেখা যায়, রুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহা. রফিকুল আলম বেগের দফতরের সামনে বারান্দায় অবস্থান নিয়েছে শিক্ষার্থীরা। এছাড়া বেশ কিছু শিক্ষার্থী প্রশাসন ভবনের আশে পাশে ঘোরাফেরা করছে। প্রশাসন ভবনের নিচে দায়িত্বরত পুলিশও রয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায়, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে কোনো ধরনের সহিংস কর্মকা- যাতে না ঘটে সেজন্য তারা সজাগ রয়েছে। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানায়, ‘আমাদের সঙ্গে স্যারেরা এখনো কোনো কথা বলেনি। তবে আমরা আমাদের আন্দোলন থামাবো না।’

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ৩৩ ক্রেডিট পদ্ধতির কারণে শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হবে। বিশেষ করে, রুয়েটে ক্লাস-ল্যাবের সংকট থাকার কারণে যারা ক্রেডিট অর্জন করতে পারবে না তাদেরকে অন্য ব্যাচের সাথে ক্লাস বা ল্যাবে থাকতে হবে। সেক্ষেত্রে জায়গা ও শিক্ষাগত দুই দিকেই সমস্যা হবে।
এছাড়া কোনও শিক্ষার্থী অসুস্থ বা অন্য কোনও সমস্যার কারণে পরীক্ষা দিতে না পারলে তার এক বছরের বেশি সময় ক্ষতি হবে। এমনকি সিলেবাসগত জটিলতাতেও পড়তে হয় ওই শিক্ষার্থীকে। প্রশাসন কোনও পদ্ধতি প্রণয়ন করলে সেটা সবদিক বিবেচনা করে করা উচিত বলেও দাবি করেন তারা।

তবে এ বিষয়ে রুয়েট উপাচার্যের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে শনিবার সন্ধ্যায় তিনি জানিয়েছিলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদেরকে বার বার আলোচনার জন্য আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু তারা কোনো কথা না শুনে আমাকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে।’


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ