,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

৩৩ ক্রেডিট নিয়ম বাতিলের দাবিতে রুয়েটে আন্দোলন অব্যাহত

লাইক এবং শেয়ার করুন

জি.এ.মিল্টন, রাবি প্রতিনিধি: পরবর্তী ক্লাসে ওঠার জন্য ন্যূনতম ৩৩ ক্রেডিট অর্জন নিয়ম বাতিলের দাবিতে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষার্থীরা তাদের আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে।  রোববার সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বরে তারা এ ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করে। আন্দোলনে ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫ ও ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের  শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ৩৩ ক্রেডিট পদ্ধতির কারণে শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হবে। বিশেষ করে, রুয়েটে ক্লাস-ল্যাবের সংকট থাকার কারণে যারা ক্রেডিট অর্জন করতে পারবে না তাদেরকে অন্য ব্যাচের সাথে ক্লাস বা ল্যাবে থাকতে হবে। সেক্ষেত্রে জায়গা ও শিক্ষাগত দুই দিকেই সমস্যা হবে। এছাড়া কোনও শিক্ষার্থী অসুস্থ বা অন্য কোনও সমস্যার কারণে পরীক্ষা দিতে না পারলে তার এক বছরের বেশি সময় ক্ষতি হবে। এমনকি সিলেবাসগত জটিলতাতেও পড়তে হয় ওই শিক্ষার্থীকে।

রুয়েট সূত্রে জানা যায়, রুয়েট শিক্ষার্থীদের পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ হবার ক্ষেত্রে দুই সেমিস্টারে বাধ্যতামূলক ৪০ ক্রেডিটের মধ্যে ন্যূনতম ৩৩ ক্রেডিট অর্জন করতে হয়। অন্যথায় তাকে পুনরায় সেই বর্ষেই থাকতে হবে। এর আগে নিয়ম ছিলো, কোনও শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অকৃতকার্য বা অনুপস্তিতির কারণে ন্যূনতম ক্রেডিট অর্জন না করলেও পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ হতে পারতো। সেক্ষেত্রে পরবর্তীতে পরীক্ষা দিয়ে উক্ত ক্রেডিট অর্জন করতে হতো। তবে ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে এ নিয়ম পরিবর্তন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রুয়েটের এক শিক্ষক বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়ে পড়াশোনার মাধ্যমে পাশ করে পরবর্তী ক্লাসে উঠবে এটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু এর ব্যতিক্রম চিন্তা কেন থাকবে? একজন শিক্ষার্থীকে প্রমোশন পাওয়ার জন্য অবশ্যই তাকে বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান অর্জন করতে হবে।’
এই ক্রেডিট নিয়ম নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইমেরিটাস ড. অরুণ কুমার বসাক বলেন, এই ক্রেডিট পদ্ধতিটা থাকা উচিৎ। কারণ এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার একটা চাপ থাকে। আরা পড়াশোনা না করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুধু পাশ করে ওই শিক্ষার্থীগুলো করবেটা কী?

শিক্ষার্থীদের এ দাবিকে অযৌক্তিক উল্লেখ করে রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক রফিকুল আলম বেগ বলেন, ‘ফেল (অকৃতকার্য) করে কি কখনো উপরের ক্লাসে উঠা যায়? আমরা তাও তো একটি-দুটি বিষয়ে ফেল করলেও যেন পরের বর্ষে উঠতে পারে সে ব্যবস্থা রেখেছি। ওরা তো সব বিষয়ে ফেল করেও পরবর্তী বর্ষে উঠার দাবি করছে।’ তিনি আরও বলেন, বিভাগীয় প্রধান ও ডিনদের সঙ্গে আলোচনা করে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে আসার জন্য নোটিশ দিতে বলা হয়েছে। এরপরও না আসলে পরে সেটা একাডেমিক কাউন্সিল দেখবে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ