,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

রাবিতে রুম বরাদ্দ নিয়ে চার বিভাগের মধ্যে উত্তেজনা, কক্ষে তালা

লাইক এবং শেয়ার করুন

জি.এ.মিল্টন, রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের নবনির্মিত ভবনে কক্ষ বরাদ্দ নিয়ে ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ফিশারিজ, ভেটেনারী এবং এগ্রোনমী অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের মধ্যে অসন্তোষ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রবিবার সকাল ৯টায় ক্রপ সায়েন্স বিভাগের বরাদ্দকৃত কক্ষে তালা এবং শিক্ষকদের কয়েকটি নেমপ্লেট ভাঙচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কৃষি অনুষদ সূত্র জানিয়েছে, গত কয়েকমাস আগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং অনুষদ ডিনদের সমন্বয়ে গঠিত কক্ষ বরাদ্দ কমিটির আলোচনার মাধ্যমে নবনির্মিত দোতলার দক্ষিণ ব্লক এবং পুর্ব ব্লকের অর্ধেক ক্রপ সায়েন্স বিভাগকে বরাদ্দ দেয়া হয়। আর তিনতলায় এগ্রোনমী অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন ও ফিশারিজ বিভাগকে কক্ষ বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু কক্ষ বরাদ্দ হবার পর থেকেই এগ্রোনমী এবং ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষকদের মাঝে অসন্তোষ দেখা দেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রবিবার সকালে অসন্তোষ তিব্র পর্যায়ে পৌঁছালে এগ্রোনমী এবং ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষকরা কৃষি অনুষদের অফিস কক্ষ এবং দোতলার দক্ষিণ ব্লকের ক্লাসরুমগুলো তালা দিয়ে অনুষদ অফিসের সামনে অবস্থান নেয়।

ক্রপ সায়েন্স বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোসলেহ্ উদ্দীন বলেন, ‘এই ভবনের (কৃষি অনুষদ) নিচতলার অর্ধেক এগ্রোনমী বিভাগের বাকি অর্ধেক ফিশারিজ বিভাগের। আর ক্রপ সায়েন্স বিভাগের মাত্র একটি ক্লাসরুম ছিলো। তাই নবনির্মিত দোতলা এবং তিনতলার মধ্যে দোতলার দক্ষিণ ব্লকে চারটি ক্লাসরুম এবং পূর্ব ব্লকের অর্ধেক বিভাগের অফিসরুম ও শিক্ষকদের কক্ষ হিসেবে বরাদ্দ দেয় কক্ষ বরাদ্দ কমিটি। আমাদের শিক্ষার্থীরা সে অনুযায়ী নতুন বরাদ্দকৃত কক্ষে ক্লাস করতে গেলে এগ্রোনমী বিভাগের অধ্যাপক ড. আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা চারটি ক্লাসরুমেই তালা দেয় এবং শিক্ষকদের কক্ষের নেমপ্লেট ভাঙচুুর করে।’

এ ব্যাপারে কথা হলে এগ্রোনমী অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আমিনুল হক বলেন, ‘আমাদের শিক্ষক-শিক্ষার্থী উভয়ই বেশি হওয়া সত্ত্বেও আমাদেরকে উপেক্ষা করে অনুষদ অধিকর্তা অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম নিজ ক্ষমতাবলে ক্রপ সায়েন্স বিভাগকে বেশি জায়গা দিয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে ফিশারিজ বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আফজাল হোসাইন বলেন, ‘কক্ষ বরাদ্দের বিষয়টি অনুষদের চার বিভাগের সম্মতিতে করার কথা থাকলেও অনুষদ অধিকর্তা অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম কারো সাথে কথা না বলে নিজ ক্ষমতাবলে বন্টন করেছেন। উপাচার্য, উপ-উপাচার্যসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন সবাই চার বিভাগের সাথে আলোচনার কথা বললেও তিনি তা করেননি।’

এ ব্যাপারে অনুষদ অধিকর্তা অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘কক্ষ বরাদ্দ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্যসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন ব্যক্তিরা। কিন্তু এগ্রোনমী ও ফিশারিজ বিভাগ বেশ কিছুদিন থেকেই আমাকে চাপ প্রয়োগ করছে কক্ষ পুণরায় বরাদ্দ দেবার জন্য। জানতে কক্ষ বরাদ্দ কমিটির আহবায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহান বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক বিভাগকেই সমানভাবে কক্ষ বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। কৃষি অনুষদের ডিনসহ ওই বিভাগকে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করতে বলা হয়েছে।’


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ