,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

ফেসবুকে ‘যৌনতা’ ও ‘মানসিক আসক্তির প্রধান কারণ!

লাইক এবং শেয়ার করুন

প্রত্যেক বস্তুর সময় এবং বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। ভালোর সাথে মন্দের যেমন মিল তেমনি মন্দের সাথে ভালোর। ফেসবুক যেমন অনেকের জীবনের সুখের বার্তা বয়ে এনেছে ঠিক তেমনি কারো জীবনের কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। শহুরে জীবনে ফেসবুক এখন ‘মাস্ট হ্যাভ ইন্সট্রুমেন্ট’। শুধু শহুরে বললেও ভুল বলা হয়। গ্রাম, নগর, বন্দর পেরিয়ে ফেসবুক এখন পকেটে পকেটে! মোবাইলের একটা সিঙ্গল ক্লিকে পৌঁছে যাওয়া অন্যের প্রোফাইলে। কোনও নিষেধাজ্ঞা ছাড়াই নিজের পছন্দ মত চলে যাওয়া রমণীর অ্যাকাউণ্টে, দেখে নেওয়া ছবি, ইচ্ছে হোলে ডাউনলোডও, অথচ কে তা জানার প্রয়োজনও নেই। ছেলে কিংবা মেয়ে উভয় ক্ষেত্রেই এমনটা হয়ে থাকে অহরহ। ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট থেকে হ্যালো, হাই, তারপর কত শত সম্পর্কের ‘ঘটক’ ফেসবুক। উদাহরণ একটা নয় আছে হাজার হাজারটা। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস ফেসবুকের রন্ধ্রেই প্রেম বেড়েছে। আবার এই ফেসবুকই দায়ী থেকেছে সম্পর্ক বিচ্ছেদের। গবেষণা অন্তত তেমনটাই ইঙ্গিত করছে। 

পারষ্পরিক সম্পর্কে সময় দেওয়া নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেকটা সময় নিয়ে নিচ্ছে এই ফেসবুক। সেখানে পুরনো প্রেম থেকে অবাধ ভার্চুয়াল যৌনতা, সবই যেন এক ক্লিকেই সহজলভ্য। গবেষকদের মতে ফেসবুকের মত মাধ্যমে যদি কোনও মানুষ ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১০ বার অন্য কোনও একটি প্রোফাইলে টেক্সট করেন তাহলে তা অবশ্যই সেই দুই প্রোফাইলকারীর মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে বলেই ধরে নেওয়া হয়। আর সেটা যদি রাতের সময় হয় তাহলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তা হয় একটু ফ্লার্ট-ই। তবে গবেষণা এও বলেছে ফেসবুকে এই ধরনের সম্পর্ক গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে যৌনধর্মীতা এবং মানসিক আকর্ষণ দুই’ই থাকে। বিবাহ বহির্ভূত এই সম্পর্কগুলো তা যৌন অথবা মানসিক যাই হয়ে থাকুক, সেক্ষেত্রে তা বিশ্বাসঘাতকতাই, মনে করছেন গবেষকরা। আর এই কারণেই গড়া সম্পর্কেই আসছে ভাঙনের আশঙ্কা।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ